• চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

    চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

    চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি চমৎকার উপন্যাস, যারা সাদাকালো চলচ্চিত্রের যুগে উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখে মুগ্ধ হতেন তারা এ উপন্যাস পড়লেই বুঝবেন এই গল্প নিয়েও কিরকম একটি দুর্দান্ত চলচ্চিত্র তৈরি করা যেতো, উপন্যাসের লেখনিতে ঘটনা প্রবাহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো গল্পকে উপস্থাপিত করে। লেখক এখানে সেই সময়ের সামাজিক সমস্যা, মুল্যবোধ এবং পরিবর্তনশীল অবস্থা আমাদের সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করেছেন।

    আধুনিক প্রজন্মের অনেকের কাছে এই উপন্যাস ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটি একটি অমিলনান্তক প্রেমের উপন্যাস, যাতে একদিকে একটি তথাকথিত আধুনিক মেয়ের সামনে একটি অতি সাধারণ অথচ সৎ এবং অসামান্য ব্যক্তিত্ব পূর্ণ পুরুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। অপর দিকে একটি ভীষণ রক্ষণশীল অথচ আধুনিকা মীরাকেও উপস্থাপিত করেছেন (এমন বলছি কারণ মনের দিক থেকে ভীষণ রক্ষণশীল হলেও মীরা উচ্চশিক্ষিত এবং গাড়ি চালাতে জানে, তবে সে যেহেতু প্রাচীন সংস্কার কাটিয়ে উঠতে পারেনি তাই তাকে আধুনিকা বলাটাও যুক্তিযুক্ত কিনা সেটা ভাবা দরকার, অপর দিকে তপতী যে উচ্চশিক্ষিতা হয়েও আত্ম-অহমিকায় প্রায় অন্ধ, তাকেও আদতে আধুনিকা বলা যায় কিনা তা নিয়েও বিতর্ক হতে পারে), এছাড়া এখানে লেখক একজন সন্তান স্নেহ কাতর পিতা কেও সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করতে পেরেছেন।

    130.00৳ 250.00৳ 
  • লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    উপন্যাসটি মহব্বতনগর গ্রাম এবং গ্রাম্য জীবনের নানা প্রতিকূলতার বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। মজিদ নামের এক চতুর লোক গ্রামে এসে বুঝতে পারে যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সরলমনা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের মাধ্যমে তাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। মজিদ গ্রামবাসীদের বকাঝকা করতে শুরু করে এই বলে যে, তারা মুদাসসির পীরের (যার আক্ষরিক অর্থ অজ্ঞাত সাধু) কবরের যত্ন নেয়নি। সে তাদের একটি বানানো গল্প শোনায় যে, এক পীর (ধর্মীয় জাদুকর) তাকে স্বপ্নে দেখিয়েছে যে তার কবরের যত্ন নেওয়া হচ্ছে না এবং ওই এলাকার মানুষ পাপী। গ্রামের তথাকথিত প্রধান খালেক বেপরীসহ প্রায় সবাই মজিদের গল্প বিশ্বাস করে। খালেক বেপরীসহ গ্রামের সকলের উপর মজিদের একটি ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা কবরটি মেরামত করে, একটি মাজার এবং মজিদের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দেয়। এরপর মজিদ সেখানে বসবাস শুরু করে এবং ভুয়া ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে ধনী হয়ে ওঠে। মজিদ রহিমা নামে এক বিধবা ও বাধ্য স্ত্রীকেও বিয়ে করে। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ালপুরে এক মহান পীরের আগমনের মতো কিছু লোক তার বিরোধিতা করায় মজিদকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। পরে মজিদ জামিলা নামে এক কিশোরীকেও (দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে) বিয়ে করে, যাকে পরবর্তীতে মজিদের ভ্রান্ত শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য পবিত্র মাজারের কাছে বেঁধে রেখে শাস্তি দেওয়া হয়।

    গল্প জুড়ে ধীরে ধীরে মজিদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়, কিন্তু গ্রামবাসীরা এতটাই সরলমনা যে তারা শুরু থেকেই তার চালাকি বুঝতে পারে না।

    150.00৳ 250.00৳ 
  • ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ভাগ্যবিপর্যয়, প্রেম এবং আত্মপরিচয় উদ্ধারের মতো চমৎকার সব বিষয়বস্তুর বুননে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
     কাহিনি সংক্ষেপ
    • সূচনা: গল্পের নায়িকা ইন্দিরা বুদ্ধিমতী ও অভিজাত পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বামীর পরিবার দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে অনেকদিন গোপন রাখা হয় এবং বাবার বাড়িতেই তাকে রাখা হয়।
    • দুর্ঘটনা: একদিন বাবা তাকে লুকিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে কালাদীঘির নামক স্থানে ডাকাতদের কবলে পড়ে সব হারিয়ে তিনি অনাথ হয়ে যান।
    • নতুন পরিচয়: ডাকাতদের কবল থেকে কোনোমতে পালিয়ে তিনি তার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় বা ধনীর বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরিচারিকার ছদ্মবেশে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রূপের গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেন।
    • পরিণতি: একসময় স্বামীর সাথে তার পরিচয় ও পুনর্মিলন ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আসল পরিচয় এবং স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পান।
    150.00৳ 200.00৳ 
  • চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘চাঁদের পাহাড়’ । এটি মূলত বাঙালি তরুণ শঙ্করের রোমাঞ্চ, অজানার প্রতি আকর্ষণ এবং আফ্রিকা মহাদেশের দুর্গম জঙ্গলে সোনা ও হীরার খনি আবিষ্কারের গল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি হিসেবে বিবেচিত।
    কাহিনির মূল আকর্ষণসমূহ:
    • শঙ্করের যাত্রা: পশ্চিমবঙ্গের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে শঙ্কর, অভাবের কারণে ভাগ্যের খোঁজে পাড়ি জমায় আফ্রিকার রুক্ষ ও বিপদসংকুল পরিবেশে। সেখানে সে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনে চাকরি নেয়।
    • দিয়েগো আলভারেজ: আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইতালীয় অভিযাত্রী আলভারেজের সাথে তার দেখা হয়। আলভারেজ তাকে ‘চাঁদের পাহাড়’ (Mountain of the Moon)-এর হীরার খনির সন্ধান দেন।
    • প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ: আলভারেজ নিখোঁজ হওয়ার পর একা শঙ্কর কালাহারি মরুভূমি, রিকটারসভেল্ডের পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গলে ভয়াবহ সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
    • ভয়ংকর প্রাণী ও দানব: উপন্যাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো শঙ্করের সাথে ভয়ঙ্কর কালো মাম্বা (Black Mamba) সাপ এবং পৌরাণিক দানব ‘বুনিপ’ (Bunyip)-এর লড়াই।

     

    160.00৳ 250.00৳ 
  • হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    ‘হাজার বছর ধরে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক গ্রামীণ সমাজের শাশ্বত রূপ, মানুষের জীবনসংগ্রাম, কুসংস্কার, প্রেম-ভালোবাসা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
      • মূল উপজীব্য: গ্রামীণ জীবনের একান্নবর্তী পরিবারের টানাপোড়েন, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম এবং আবহমানকাল ধরে চলে আসা গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র।
      • প্রধান চরিত্রসমূহ: উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— বুড়ো মকবুল (শিকদার বাড়ির মুরব্বি), টুনি (মকবুলের তৃতীয়া স্ত্রী), মন্তু (মকবুলের দুঃসম্পর্কের ভাই) এবং আম্বিয়া।
      • পুরস্কার: এই কালজয়ী সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ জহির রায়হান ১৯৬৪ সালে ‘আদমজী পুরস্কার’ লাভ করেন 
    • চলচ্চিত্ররূপ: জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে তাঁরই সহধর্মিণী ও অভিনেত্রী সুচন্দা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ শিরোনামে একটি সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
    160.00৳ 200.00৳ 
  • অন্তহীন প্রেম—মাহবুবা বিথী

    অন্তহীন প্রেম—মাহবুবা বিথী

    মাহবুবা বিথীর লেখা ‘অন্তহীন প্রেম’  একটি রোমান্টিক থ্রিলার ধাঁচের উপন্যাস। বইটির মূল আকর্ষণ হলো ত্রিভুজ প্রেমের গল্প, যা রুবাইয়াত, ওমর এবং জুলকারনাইন—এই তিনটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

    170.00৳ 250.00৳ 
  • শেষের কবিতা (পেপারব্যাক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    শেষের কবিতা (পেপারব্যাক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘শেষের কবিতা’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা রোমান্টিক উপন্যাস ও চিরকালীন বেস্টসেলার। বইটির নামের শেষে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি মূলত গদ্যে লেখা একটি প্রেমের উপন্যাস, যেখানে মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং চমৎকার সব কাব্যময় সংলাপের সংমিশ্রণ ঘটেছে。
    বইয়ের কিছু মূল তথ্য:
    • লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • বইয়ের ধরন: চিরায়ত রোমান্টিক উপন্যাস
    • প্রথম প্রকাশ: ১৯২৮ সালে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়
    • কেন্দ্রীয় চরিত্র: বিলেত-ফেরত ব্যারিস্টার অমিত রায় ও শিলং পাহাড়ের শান্ত-স্নিগ্ধ লাবণ্য
    • কাহিনির মূলভাব: প্রেম, বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বন্দ্ব এবং আত্ম-উপলব্ধির এক অসাধারণ গল্প

     

    180.00৳ 300.00৳ 
  • শেষ বিকেলের মেয়ে —জহির রায়হান

    শেষ বিকেলের মেয়ে —জহির রায়হান

    শেষ বিকেলের মেয়ে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা জহির রায়হানের রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি কালজয়ী প্রেমের উপাখ্যান, যেখানে নিম্ন-মধ্যবিত্ত তরুণ কেরানি কাসেদের জীবনসংগ্রাম ও তার প্রেমকে কেন্দ্র করে গল্পটি এগিয়ে গেছে।
    উপন্যাসের পটভূমি ও কাহিনি
    • পটভূমি: ষাটের দশকের পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) মধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন এবং কেরানিদের জীবনসংগ্রাম এর মূল ভিত্তি।
    • মূল চরিত্র: তরুণ কেরানি কাসেদ এবং নাহার নামের এক সাধারণ মেয়ের মধ্যকার সম্পর্ক উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু।
    • মূল বিষয়বস্তু: স্বপ্ন ও বাস্তবের দ্বন্দ্ব, মানুষের মানসিক টানাপোড়েন এবং অমর প্রেমের মেলবন্ধনকে জহির রায়হান খুব সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    • সাফল্য: প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মিশেলে লেখা এই বইটি প্রকাশের পর থেকেই পাঠক মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এটি জহির রায়হানকে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে স্থায়ী আসন এনে দেয়। 
    190.00৳ 225.00৳ 
  • অতঃপর এলো প্রেম —অরুণ কুমার বিশ্বাস

    অতঃপর এলো প্রেম —অরুণ কুমার বিশ্বাস

    অতঃপর এলো প্রেম কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস রচিত একটি জনপ্রিয় প্রেমের উপন্যাস । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। চমৎকার ভাষারীতি ও আবেগময় গল্প বলার জন্য এটি পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।
    বইটির মূল বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: অরুণ কুমার বিশ্বাস
    • প্রকাশনী: জাগৃতি প্রকাশনী
    • প্রচ্ছদ: মোস্তাফিজ কারিগর
    • ধরন: উপন্যাস (প্রেম)
    190.00৳ 220.00৳ 
  • দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।

    210.00৳ 350.00৳ 
  • গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘গৃহদাহ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস。 এটি মূলত প্রেম, বিবাহ, সমাজপ্রথা এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত একটি আবেগঘন ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজেডি。
    উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র
    উপন্যাসটির মূল ভিত্তি হলো তিনটি প্রধান চরিত্রের জীবনের টানাপোড়েন:
    • মহিম: আদর্শবাদী ও শান্ত স্বভাবের এক গোঁড়া হিন্দু ব্রাহ্মণ。
    • অচলা: আধুনিক মনস্ক, কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এক তরুণী, যার সাথে মহিমের বিবাহ হয়。
    • সুরেশ: মহিমের বাল্যবন্ধু, যিনি উচ্ছল ও আবেগপ্রবণ এবং অচলার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট。
    মূল কাহিনি সংক্ষেপ
    মহিমের উদারতার সুযোগ নিয়ে তার বন্ধু সুরেশ মহিমের স্ত্রী অচলার সান্নিধ্যে আসে。 সুরেশের আবেগ ও অতি-মনোযোগ একসময় অচলার মনেও দোলা দেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এক সময় সুরেশ ও অচলাকে সমাজ ও পরিস্থিতির চাপে ঘর ছাড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও অচলা তার স্বামী মহিমের প্রতি আজীবন এক গভীর টান ও অনুশোচনা অনুভব করে, যা তাদের তিনজনের জীবনকেই চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দেয়।
    উপন্যাসের মূলভাব
    • মানবিক সম্পর্কের জটিলতা: সমাজ, ধর্ম এবং সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে মানুষের মনের আবেগ ও ভালোবাসা কীভাবে জীবনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়, তা ফুটে উঠেছে।
    • দোটানা: নারীমনের স্বাধীনতা এবং সনাতন সমাজব্যবস্থার মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
  • বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    ‘বরফ গলা নদী’ বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান কর্তক রচিত। নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘাত-প্রতিঘাত, মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি ও আবেগ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    মূল কাহিনি ও পটভূমি
    ‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসে মূলত তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রাম ও টানাপোড়েনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র মাহমুদের চারপাশের মানুষ এবং তাদের পাওয়া-না পাওয়ার দোলাচল নিয়েই এগিয়ে যায় এর কাহিনি। জীবন চলার পথে মানুষের আবেগ, হতাশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    250.00৳ 270.00৳ 

Main Menu