• খালেদা — মহিউদ্দিন আহমদ

    খালেদা — মহিউদ্দিন আহমদ

    ‘খালেদা’ হলো খ্যাতিমান লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদের লেখা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও কর্মের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি সাড়া জাগানো জীবনীগ্রন্থ। অনন্যা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এই বইটিতে তাঁর পারিবারিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং উত্থান-পতনের ঘটনাবলি তথ্য ও রেফারেন্সের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির মূল বৈশিষ্ট্য এবং তথ্যাবলি:
    • প্রকাশকাল: প্রথম প্রকাশ ২০২৪ সাল।
    • প্রকাশনী: অনন্যা।
    • মূল উপজীব্য: বইটিতে ব্যক্তিপূজা বা অন্ধ সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার উত্থান, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার একটি বস্তুনিষ্ঠ আখ্যান উপস্থাপন করা হয়েছে।
    750.00৳ 1,000.00৳ 
  • চন্দ্র — সাদিয়া খান সুবাসিনী

    চন্দ্র — সাদিয়া খান সুবাসিনী

    জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদিয়া খান সুবাসিনীর লেখা একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস হলো ‘চন্দ্র’। বইটিতে ভালোবাসা ও আসক্তির মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য এবং মানুষের মনের গহীনের আলো-আঁধারের গল্প ফুটে উঠেছে। উপন্যাসটি পাঠকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

    430.00৳ 580.00৳ 
  • পূর্বপুরুষ—আশীফ এন্তাজ রবি

    পূর্বপুরুষ—আশীফ এন্তাজ রবি

    এই গল্পের শুরু একটি লঞ্চঘাট থেকে।
    মানিকগঞ্জের এক অখ্যাত গ্রামের তথাকথিত ‘জমিদার’ ঢাকা সফরে যাবেন। সঙ্গে যাবেন তার তিন পুত্র ও একটি ঘোড়া।
    কিন্তু ঘোড়াটি কিছুতেই লঞ্চে উঠতে চাইছে না। এই ছোট্ট সংকট থেকে গল্পের শুরু, তারপর গল্প ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে কলকাতা, ঢাকা আর রাওয়ালপিন্ডিতে।
    গল্পে একে একে এসে হাজির হন সুচিত্রা সেন, উত্তমকুমার, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, কলিম শরাফী, জহির রায়হান ও আরও অনেকে।
    তবে সময়টা কেবল প্রেমের নয়, দ্রোহেরও। কাজেই এই গল্পে এসে পড়েন মাওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আইয়ুব খান স্বয়ং।
    তবে এটা ইতিহাস নয়, নিছক গল্প। প্রেমের গল্প, ঘৃণার গল্প, বিশ্বাস ও বিশ্বাসভঙ্গের গল্প। মানবমানবীর সম্পর্কের চিরায়ত আখ্যান।
    কাজেই এ গল্পে আতিক প্রতারিত হয় কলকাতার নন্দিনীর কাছে। অন্যদিকে সুফিকে ভালোবাসায় বরণ করে নেয় পরীবানু।
    এই গল্পের শুরু ১৯৬৩ সালে, শেষ ১৯৬৯-এ ।
    কৌতূহলী মানুষ আশীফ এন্তাজ রবি যতবার ইতিহাসের বই খুলে বসেছেন, ততবার তাকে হাতছানি দিয়ে ডেকেছে গল্পকার আশীফ এন্তাজ রবি। ইতিহাসের টেবিল থেকে তাকে টেনে এনেছে গল্পের চোরাগলিতে।
    পূর্বপুরুষ এমন এক আখ্যান যেথায়—গল্প গিয়ে মিশেছে ইতিহাসে কিংবা ইতিহাস পথ হারিয়েছে গল্পের চোরাপথে।
    গল্প হয়ে উঠেছে ইতিহাস, অথবা ইতিহাস হয়েছে গল্প।

    450.00৳ 660.00৳ 
  • অন্তহীন প্রেম—মাহবুবা বিথী

    অন্তহীন প্রেম—মাহবুবা বিথী

    মাহবুবা বিথীর লেখা ‘অন্তহীন প্রেম’  একটি রোমান্টিক থ্রিলার ধাঁচের উপন্যাস। বইটির মূল আকর্ষণ হলো ত্রিভুজ প্রেমের গল্প, যা রুবাইয়াত, ওমর এবং জুলকারনাইন—এই তিনটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

    170.00৳ 250.00৳ 
  • অতঃপর এলো প্রেম —অরুণ কুমার বিশ্বাস

    অতঃপর এলো প্রেম —অরুণ কুমার বিশ্বাস

    অতঃপর এলো প্রেম কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস রচিত একটি জনপ্রিয় প্রেমের উপন্যাস । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। চমৎকার ভাষারীতি ও আবেগময় গল্প বলার জন্য এটি পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।
    বইটির মূল বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: অরুণ কুমার বিশ্বাস
    • প্রকাশনী: জাগৃতি প্রকাশনী
    • প্রচ্ছদ: মোস্তাফিজ কারিগর
    • ধরন: উপন্যাস (প্রেম)
    190.00৳ 220.00৳ 
  • বিয়ে থা —ফাতেমা তুজ নৌশি

    বিয়ে থা —ফাতেমা তুজ নৌশি

    ফাতেমা তুজ নৌশির লেখা ‘বিয়ে থা’ (Biye Tha) একটি জনপ্রিয় সমকালীন রোমান্টিক উপন্যাস। গ্রন্থরাজ্য প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এই বইটিতে দাম্পত্য জীবন, রোমান্স এবং পারিবারিক টানাপোড়েনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

    550.00৳ 730.00৳ 
  • ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ভাগ্যবিপর্যয়, প্রেম এবং আত্মপরিচয় উদ্ধারের মতো চমৎকার সব বিষয়বস্তুর বুননে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
     কাহিনি সংক্ষেপ
    • সূচনা: গল্পের নায়িকা ইন্দিরা বুদ্ধিমতী ও অভিজাত পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বামীর পরিবার দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে অনেকদিন গোপন রাখা হয় এবং বাবার বাড়িতেই তাকে রাখা হয়।
    • দুর্ঘটনা: একদিন বাবা তাকে লুকিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে কালাদীঘির নামক স্থানে ডাকাতদের কবলে পড়ে সব হারিয়ে তিনি অনাথ হয়ে যান।
    • নতুন পরিচয়: ডাকাতদের কবল থেকে কোনোমতে পালিয়ে তিনি তার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় বা ধনীর বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরিচারিকার ছদ্মবেশে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রূপের গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেন।
    • পরিণতি: একসময় স্বামীর সাথে তার পরিচয় ও পুনর্মিলন ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আসল পরিচয় এবং স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পান।
    150.00৳ 200.00৳ 
  • হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    ‘হাজার বছর ধরে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক গ্রামীণ সমাজের শাশ্বত রূপ, মানুষের জীবনসংগ্রাম, কুসংস্কার, প্রেম-ভালোবাসা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
      • মূল উপজীব্য: গ্রামীণ জীবনের একান্নবর্তী পরিবারের টানাপোড়েন, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম এবং আবহমানকাল ধরে চলে আসা গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র।
      • প্রধান চরিত্রসমূহ: উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— বুড়ো মকবুল (শিকদার বাড়ির মুরব্বি), টুনি (মকবুলের তৃতীয়া স্ত্রী), মন্তু (মকবুলের দুঃসম্পর্কের ভাই) এবং আম্বিয়া।
      • পুরস্কার: এই কালজয়ী সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ জহির রায়হান ১৯৬৪ সালে ‘আদমজী পুরস্কার’ লাভ করেন 
    • চলচ্চিত্ররূপ: জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে তাঁরই সহধর্মিণী ও অভিনেত্রী সুচন্দা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ শিরোনামে একটি সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
  • বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    ‘বরফ গলা নদী’ বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান কর্তক রচিত। নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘাত-প্রতিঘাত, মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি ও আবেগ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    মূল কাহিনি ও পটভূমি
    ‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসে মূলত তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রাম ও টানাপোড়েনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র মাহমুদের চারপাশের মানুষ এবং তাদের পাওয়া-না পাওয়ার দোলাচল নিয়েই এগিয়ে যায় এর কাহিনি। জীবন চলার পথে মানুষের আবেগ, হতাশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    250.00৳ 270.00৳ 
  • লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    উপন্যাসটি মহব্বতনগর গ্রাম এবং গ্রাম্য জীবনের নানা প্রতিকূলতার বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। মজিদ নামের এক চতুর লোক গ্রামে এসে বুঝতে পারে যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সরলমনা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের মাধ্যমে তাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। মজিদ গ্রামবাসীদের বকাঝকা করতে শুরু করে এই বলে যে, তারা মুদাসসির পীরের (যার আক্ষরিক অর্থ অজ্ঞাত সাধু) কবরের যত্ন নেয়নি। সে তাদের একটি বানানো গল্প শোনায় যে, এক পীর (ধর্মীয় জাদুকর) তাকে স্বপ্নে দেখিয়েছে যে তার কবরের যত্ন নেওয়া হচ্ছে না এবং ওই এলাকার মানুষ পাপী। গ্রামের তথাকথিত প্রধান খালেক বেপরীসহ প্রায় সবাই মজিদের গল্প বিশ্বাস করে। খালেক বেপরীসহ গ্রামের সকলের উপর মজিদের একটি ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা কবরটি মেরামত করে, একটি মাজার এবং মজিদের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দেয়। এরপর মজিদ সেখানে বসবাস শুরু করে এবং ভুয়া ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে ধনী হয়ে ওঠে। মজিদ রহিমা নামে এক বিধবা ও বাধ্য স্ত্রীকেও বিয়ে করে। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ালপুরে এক মহান পীরের আগমনের মতো কিছু লোক তার বিরোধিতা করায় মজিদকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। পরে মজিদ জামিলা নামে এক কিশোরীকেও (দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে) বিয়ে করে, যাকে পরবর্তীতে মজিদের ভ্রান্ত শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য পবিত্র মাজারের কাছে বেঁধে রেখে শাস্তি দেওয়া হয়।

    গল্প জুড়ে ধীরে ধীরে মজিদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়, কিন্তু গ্রামবাসীরা এতটাই সরলমনা যে তারা শুরু থেকেই তার চালাকি বুঝতে পারে না।

    150.00৳ 250.00৳ 
  • দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।

    210.00৳ 350.00৳ 
  • চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘চাঁদের পাহাড়’ । এটি মূলত বাঙালি তরুণ শঙ্করের রোমাঞ্চ, অজানার প্রতি আকর্ষণ এবং আফ্রিকা মহাদেশের দুর্গম জঙ্গলে সোনা ও হীরার খনি আবিষ্কারের গল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি হিসেবে বিবেচিত।
    কাহিনির মূল আকর্ষণসমূহ:
    • শঙ্করের যাত্রা: পশ্চিমবঙ্গের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে শঙ্কর, অভাবের কারণে ভাগ্যের খোঁজে পাড়ি জমায় আফ্রিকার রুক্ষ ও বিপদসংকুল পরিবেশে। সেখানে সে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনে চাকরি নেয়।
    • দিয়েগো আলভারেজ: আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইতালীয় অভিযাত্রী আলভারেজের সাথে তার দেখা হয়। আলভারেজ তাকে ‘চাঁদের পাহাড়’ (Mountain of the Moon)-এর হীরার খনির সন্ধান দেন।
    • প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ: আলভারেজ নিখোঁজ হওয়ার পর একা শঙ্কর কালাহারি মরুভূমি, রিকটারসভেল্ডের পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গলে ভয়াবহ সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
    • ভয়ংকর প্রাণী ও দানব: উপন্যাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো শঙ্করের সাথে ভয়ঙ্কর কালো মাম্বা (Black Mamba) সাপ এবং পৌরাণিক দানব ‘বুনিপ’ (Bunyip)-এর লড়াই।

     

    160.00৳ 250.00৳ 

Main Menu