• ব্যালেন্স শিট ব্যালেন্স শিট—দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ব্যালেন্স শিট ব্যালেন্স শিট—দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    এক কাল্পনিক গ্রাম ‘বদনপুর’ এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপট। মধ্য ত্রিশের ঝকঝকে তরুণী দিব্যদর্শিনী সেন এক রাস্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের অফিসার। জীবনের এক মর্মন্তুদ সন্ধিক্ষণে যখন নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তায় সে মশগুল, তখনই বদনপুর ব্যাংকের ম্যানেজার হয়ে আসতে হয় তাকে।

    আশৈশব বাপসোহাগি দিব্যদর্শিনীর কোনদিনই মায়ের সঙ্গে তেমন বনেনি। বাবা-ই ছিলেন তার প্রিয়তম বন্ধু, দুঃখে আনন্দে প্রিয়তম সখা। হিমালয়ের মত প্রকাণ্ড কিন্তু স্নিগ্ধ, তপস্যারত কোন প্রাচীন ঋষির মত অবিচল, আদর্শনিষ্ঠ ছিল তার বাবার ব্যক্তিত্ব। আধ্যাত্মিকতাকে হাসি ও হিউমারের মোড়কে পেশ করে নিজের আদরের কন্যাকে তিনি হাতে ধরে এগিয়ে দিতে চেয়েছিলেন মুক্তির পথে। কিন্তু বাবার সহসা মৃত্যু দিব্যদর্শিনীকে টুকরো টুকরো করে দিয়ে যায়, আকুল কিশোরীর মত সে তখন আঁকড়ে ধরে নিজের সমবয়সী স্বামী অনুরণকে। একদা কলেজের সহপাঠী স্বামীকে সে পেতে চায় প্রিয়তম বন্ধুরূপে। দিব্যদর্শিনীর জীবনের ঘাত প্রতিঘাত শেষ হয় না।

Main Menu