• দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনন্য জীবনধর্মী ও আধ্যাত্মিক উপন্যাস
    মূল চরিত্র ও কাহিনি:
    উপন্যাসের মূল চরিত্র ‘জিতু’ (জিতেন) নামের এক অনাথ ও অবহেলিত বালক। শৈশবে চরম বঞ্চনা ও অভাবের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা জিতু একসময় আসামের চা বাগানে এবং পরবর্তীকালে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। জাগতিক দুঃখ-কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে সে একসময় এক বিশেষ ‘অলৌকিক দৃষ্টি’ বা আধ্যাত্মিক উপলব্ধির অধিকারী হয়।
    উপন্যাসের মূল ভাব:
    • আধ্যাত্মিকতা: পার্থিব জীবনের মোহ ও যন্ত্রণার চেয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়ার দর্শন ফুটে উঠেছে।
    • প্রকৃতি প্রীতি: বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও বাংলার এবং অরণ্যের প্রকৃতির এক অপরূপ, নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে।
    250.00৳ 275.00৳ 
  • তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।

  • অনুবর্তন — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অনুবর্তন — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অনুবর্তন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধা [1, 2]রণ সামাজিক উপন্যাস। মূলত একটি স্কুলের শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারকে কেন্দ্র করে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, শিক্ষক সমাজের নীতি ও মূল্যবোধের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির মূল বিষয়বস্তুর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    📝 মূল ভাব ও পটভূমি
    • শিক্ষক সমাজের দুর্দশা: তৎকালীন সময়ে শিক্ষকদের বেতন খুব কম ছিল, যার ফলে প্রতিনিয়ত তাঁদের চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হতো।
    • মানবিকতা বনাম স্বার্থপরতা: চরম অভাবের মধ্যেও শিক্ষকরা তাঁদের নীতি ও আদর্শ ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিছু শিক্ষক পরিস্থিতির চাপে নীতিভ্রষ্ট হলেও, যদুবাবু ও ক্ষেত্রবাবুর মতো শিক্ষকরা সততার পথ আঁকড়ে থাকেন।
    • প্রতিদিনের জীবন: উপন্যাসে খুব সূক্ষ্মভাবে শিক্ষকদের প্রাত্যহিক জীবন, বাজার করা, পরিবারের সাথে টুকিটাকি সমস্যা ও স্কুল পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত চিত্র ফুটে উঠেছে।
    • নামকরণ সার্থকতা: ‘অনুবর্তন’ শব্দটির অর্থ হলো—নিয়মের অনুসরণ বা পরিস্থিতি মেনে মানিয়ে নেওয়া। উপন্যাসের চরিত্রগুলো কীভাবে জীবনের কঠিন বাস্তবতার সাথে নিজেদের মানিয়ে বা ‘অনুবর্তন’ করে নেয়, সেটাই মূল উপজীব্য।
  • পথের পাঁচালী (বোর্ড বাঁধাই) —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    পথের পাঁচালী (বোর্ড বাঁধাই) —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’দুই ভাইবোন অপু ও দুর্গার শৈশব এবং গ্রামীণ বাংলার জীবনযাত্রার নিখুঁত ও মর্মস্পর্শী চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্বের জন্য বইটির মজবুত বোর্ড বাঁধাই (Hardcover) সংস্করণ সংগ্রহ করা যায়।

  • পৌষ ফাগুনের পালা (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত) গজেন্দ্র কুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত) গজেন্দ্র কুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমারের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মনে ছিল আশা’, গল্পগ্রন্থ ‘স্ত্রিয়াশ্চরিত্রম’ | ১৯৫৯ সালে তাঁর ‘কলকাতার কাছেই’ উপন্যাস আকাদেমি পুরুস্কারে সম্মানিত হয়| ‘কলকাতার কাছেই’, ‘উপকন্ঠে’, ‘পৌষফাগুনের পালা‘-এই ট্রিলজিকে (ত্রয়ী উপন্যাস) আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য উপন্যাস বলে গণ্য করা হয়|

    1,190.00৳ 1,300.00৳ 
  • কবি—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবি—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবি একটি বহুল আলোচিত বাংলা  উপন্যাস। এটির রচয়িতা বাংলাভাষার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। কাহিনীর বিবেচনায় এটি একটিসামাজিক উপন্যাস  । কবিয়াল, ঝুমুর দল সহ ঐ সময়ের জীবনযাত্রার প্রেক্ষিতে এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।

    প্রকাশের ইতিহাস

    কবি উপন্যাসটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা দ্বাদশ উপন্যাস। এ উপন্যাসটি প্রকৃতপক্ষে তার লেখা একটি পূর্ব-প্রকাশিত ছোটগল্পের বিস্তৃত রূপ। রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় এর সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রবাসী মাসিকপত্রে গল্পটি ১৯৪১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগে “কবি” উপন্যাসটি পাটনা থেকে প্রকাশিত প্রভাতী  পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ১৯৪২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। কবি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৩ সালে।

     

     

    400.00৳ 600.00৳ 
  • বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ-সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও প্রাচীনতম উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হিজরি ৬১ সালে সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ ও এর পূর্বাপর ঘটনাবলী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয় ১৮৯১সালে।

    350.00৳ 470.00৳ 
  • তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ  রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বাংলা কথাসাহিত্যে যে ক’জন লেখকের হাতে সাহিত্য জগতে নতুন বৈপ্লবিক ধারার সূচনা হয়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডাকনাম মানিক। ডাকনামের সার্থকতা রক্ষা করেতেই হয়তো তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল, দুর্লভ ও দুর্মূল্য মানিক হিসেবেই পরিগণিত।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • মৃণালিনী–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মৃণালিনী–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মৃণালিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তৃতীয় উপন্যাস। এটির প্রকাশকাল ১৮৬৯ সাল। এই উপন্যাসেই প্রথম স্বদেশপ্রেমকে বিষয়বস্তু করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। এই উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র আলিপুরে থাকাকালীন রচনা করেছিলেন। বইটি উৎসর্গ করেছিলেন বন্ধু তথা বিশিষ্ট নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রকে । ন্যাশানাল থিয়েটার ১৮৭৪ সালে এই উপন্যাসের নাট্যরূপ মঞ্চস্থ করে। ১৮৮০ সালে মৃণালিনী হিন্দুস্থানী ভাষায় অনূদিত হয়।

     

    170.00৳ 290.00৳ 
  • গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা। এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম।[] এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসে মুক্তি, সর্বজনীনতা, ভ্রাতৃত্ব, লিঙ্গ, নারীবাদ, বর্ণ, শ্রেণি, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতা, নগর অভিজাত বনাম গ্রামীণ কৃষক, ঔপনিবেশিক শাসন, জাতীয়তাবাদ এবং ব্রাহ্মসমাজ  নিয়ে লেখা রয়েছে।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হিসেবে চোখে পরে – গোরা।

    400.00৳ 530.00৳ 
  • কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।

    উপন্যাসটির নাম কৃষ্ণকান্তের উইল হলেও, তিনি এখানে মুখ্য চরিত্র না। আসলে এরকম উপন্যাসে বাহ্যিক বিচরণগুলো দেখিয়ে মূলটাকে লুকিয়ে রাখা হয়। এখানে, মুখ্যচরিত্র কে তা বলা মুশকিল। আসলে কেউই আলাদাভাবে এখানে মুখ্য নয়।

    200.00৳ 260.00৳ 

Main Menu