• অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত  একটি হৃদয়স্পর্শী সামাজিক উপন্যাস। ১৯১৬ সালে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রাম্য সমাজের কুসংস্কার এবং বিবাহযোগ্যা অবিবাহিত মেয়েদের নিয়ে সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।
    উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্র:
    • পটভূমি: তৎকালীন গ্রামীণ হিন্দু সমাজের প্রেক্ষাপট।
    • মূল চরিত্র: জ্ঞানদা (গেনি) নামের একটি মেয়ে, যার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে অথচ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে বিয়ে হচ্ছে না।
    • সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি: সমাজে জ্ঞানদাকে ‘অরক্ষণীয়া’ (যার রক্ষণাবেক্ষণ বা বিবাহ না হলে সমাজে বদনাম হয়) হিসেবে গণ্য করা হয়।
    • মানবিক টানাপোড়েন: জ্ঞানদার মা দুর্গামণি এবং আত্মীয়-স্বজনদের সামাজিক গঞ্জনা, আর্থিক অভাব এবং জ্ঞানদার নিজের মনের অবস্থা ও অতুল নামের এক যুবকের সাথে তার প্রেমের জটিল সমীকরণ উপন্যাসের মূল আকর্ষণ।
    120.00৳ 200.00৳ 
  • প্রথম প্রতিশ্রুতি— আশাপূর্ণা দেবী

    প্রথম প্রতিশ্রুতি— আশাপূর্ণা দেবী

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ এটি তাঁর বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাসের (প্রথম প্রতিশ্রুতি, সুবর্ণলতা, বকুলকথা) প্রথম উপন্যাস। সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তির পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি
    উপন্যাসটির প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ:
    • রবীন্দ্র পুরস্কার: ১৯৬৫ সালে আশাপূর্ণা দেবী ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন।
    • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার: ১৯৭৬ সালে তিনি এই উপন্যাসের জন্যই ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’ অর্জন করেন। তিনি ছিলেন প্রথম নারী সাহিত্যিক যিনি এই বিরল সম্মানে ভূষিত হন।
    ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ সম্পর্কে কিছু তথ্য:
    • প্রকাশকাল: ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    • মূল চরিত্র: উপন্যাসটির মূল চরিত্র হলো ‘সত্যবতী’, যে তৎকালীন পুরুষতান্ত্রিক ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও সংগ্রামের প্রতীক।
  • আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির আত্মজীবনীমূলক ত্রয়ী (trilogy)-এর প্রথম খণ্ড হলো ‘আমার ছেলেবেলা’ (My Childhood)। ১৯১৩ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে ১৯ শতকের রাশিয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র, দারিদ্র্য এবং তৎকালীন অমানবিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা এক অনাথ শিশুর মর্মস্পর্শী কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
    ‘আমার ছেলেবেলা’ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্রসমূহ:
    • পটভূমি: গোর্কির বাবার মৃত্যুর পর পাঁচ বছর বয়সী অনাথ বালক আলিওশাকে (গোর্কির ডাকনাম) তার নানা-নানির কাছে নিঝিন নভগোরোদ (Nizhny Novgorod) শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
    • নিষ্ঠুর নানা: নানা পেশকভ ছিলেন একজন চরম বদরাগী ও অত্যাচারী মানুষ, যিনি কথায় কথায় শিশুদের নির্মমভাবে মারধর করতেন।
    • স্নেহময়ী নানি: নানির চরিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, গল্প বলার জাদুকর এবং আলিওশার জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু ও আশ্রয়।
    • কঠোর বাস্তবতা: পরিবারের অভ্যন্তরীণ নিষ্ঠুরতা, আশেপাশের নোংরা পরিবেশ, দারিদ্র্য এবং শ্রমিকদের শ্রমজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা আলিওশার কোমল মনে গভীর দাগ কাটে।
    • চরিত্র গঠন: এত সব প্রতিকূলতার মাঝেও আলিওশার ভেতরে সত্য ও সুন্দরের প্রতি ভালোবাসা, কৌতূহল এবং প্রবল আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে ওঠে। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন।
    190.00৳ 300.00৳ 
  • দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী হলো একটি বাংলা উপন্যাস যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখা। এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সুবোধ চন্দ্র মিত্র এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। আনন্দমঠের পর বঙ্কিমচন্দ্র পুনরুজ্জীবিত ভারতের আহ্বান করে এটি রচনা করেন। এতে প্রধান চরিত্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ভিতর থেকে শক্তির সাথে লড়াই করে। এই রচনা ভারতীয় সাধুতা, নিষ্ঠা এবং নিঃস্বার্থতার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে। এটি বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যের  ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। যেহেতু এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় স্বাধীনতার সংগ্রামকে উস্কে দিয়েছিল তাই উপন্যাসটি ব্রিটিশরা নিষিদ্ধ করেছিল। স্বাধীনতার পর ভারত ‍সরকার পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র তার এই বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করেন যে, ব্রিটিশদের সাথে সশস্ত্র সংঘর্ষই স্বাধীনতা জয় করার একমাত্র উপায়।

    180.00৳ 250.00৳ 
  • পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    পল্লী-সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ  মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।

    150.00৳ 270.00৳ 
  • গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘গৃহদাহ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস。 এটি মূলত প্রেম, বিবাহ, সমাজপ্রথা এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত একটি আবেগঘন ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজেডি。
    উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র
    উপন্যাসটির মূল ভিত্তি হলো তিনটি প্রধান চরিত্রের জীবনের টানাপোড়েন:
    • মহিম: আদর্শবাদী ও শান্ত স্বভাবের এক গোঁড়া হিন্দু ব্রাহ্মণ。
    • অচলা: আধুনিক মনস্ক, কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এক তরুণী, যার সাথে মহিমের বিবাহ হয়。
    • সুরেশ: মহিমের বাল্যবন্ধু, যিনি উচ্ছল ও আবেগপ্রবণ এবং অচলার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট。
    মূল কাহিনি সংক্ষেপ
    মহিমের উদারতার সুযোগ নিয়ে তার বন্ধু সুরেশ মহিমের স্ত্রী অচলার সান্নিধ্যে আসে。 সুরেশের আবেগ ও অতি-মনোযোগ একসময় অচলার মনেও দোলা দেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এক সময় সুরেশ ও অচলাকে সমাজ ও পরিস্থিতির চাপে ঘর ছাড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও অচলা তার স্বামী মহিমের প্রতি আজীবন এক গভীর টান ও অনুশোচনা অনুভব করে, যা তাদের তিনজনের জীবনকেই চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দেয়।
    উপন্যাসের মূলভাব
    • মানবিক সম্পর্কের জটিলতা: সমাজ, ধর্ম এবং সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে মানুষের মনের আবেগ ও ভালোবাসা কীভাবে জীবনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়, তা ফুটে উঠেছে।
    • দোটানা: নারীমনের স্বাধীনতা এবং সনাতন সমাজব্যবস্থার মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
  • ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘ইছামতি’ বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ও অন্যতম সেরা উপন্যাস । ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমি গড়ে উঠেছে নদীয়া ও যশোর (বর্তমান ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা) অঞ্চলের ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করে । ১৯ শতকের নীলবিদ্রোহের পটভূমিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও শোষণ-উত্থানের মর্মন্তুদ ইতিহাস এতে বিধৃত হয়েছে
    ইছামতি উপন্যাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
    • মূল প্রেক্ষাপট: নদী তীরবর্তী বারাকপুর ও নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের মানুষের যাপিত জীবন এবং নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয় সাধারণ মানুষের রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস ।
    • মূল চরিত্র: ভবানী, তিলু, রামকানাই, নীলমণি সমাদ্দার এবং কুখ্যাত নীলকর রাইলি।
    • মূল বার্তা: নিসর্গ প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের অদম্য প্রাণশক্তির এক অপূর্ব সমন্বয়।
    • প্রাপ্তি: এই উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’-এ ভূষিত করা হয় ।
    250.00৳ 400.00৳ 
  • দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    বনমালীবাবু গ্রামের বিশাল জমিদার। তার দুই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু জগদীশ মুখুয্যে ও রাসবিহারী, জগদীশ বেশি প্রিয়। বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা বিজয়ার সঙ্গে রাসবিহারী তার পুত্র বিলাসের বিবাহে অত্যন্ত আগ্রহী, কিন্তু বনমালীবাবুর ইচ্ছা অন্যরূপ। তিনি বিজয়ার বিবাহ জগদীশের পুত্র শ্রীমান নরেন্দ্র মুখুয্যে বা নরেনের সাথে দিতে চান। সেজন্য নরেনের বিলেতে ডাক্তারী পড়ার সমস্ত খরচ বহন করেন। বনমালীবাবু ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন, উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে রাসবিহারীও। সেজন্য গ্রামে তাদের একঘরে করার চেষ্টা হয়। গ্রামবাসীর বিরুপ আচরনের জন্য বনমালী কলকাতায় যান এবং কিছুকাল পরে সেখানেই তার অকালমৃত্যু হয়। সেই সুযোগে রাসবিহারী জমিদারীর সমস্ত ভার নেন। বন্ধুবিয়োগে জগদীশও অসুস্থ হন এবং বাস্তুভিটে খানি বন্ধক রেখে জমিদারী থেকে ঋণ নেন। সময়মতো সেই ঋণ শোধ না করার ফলে রাসবিহারী জগদীশের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাকে গৃহচ্যুত করেন। শোকে জগদীশ বাড়ীর ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা্ করে। সেই সময় নরেন বিলেত থেকে ফিরে সেই গ্রামেই এক আত্মীয়ের বাড়ীতে থেকে চিকিৎসা করতে থাকে, গ্রামে তার বিশেষ সুখ্যাতি হয়, চিকিৎসক হিসাবে ও পরোপকারী মানুষ হিসাবেও।

    220.00৳ 350.00৳ 
  • শ্রীকান্ত (অখন্ড) — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকান্ত (অখন্ড) — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকান্ত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এক অবিস্মরণীয় কালজয়ী উপন্যাস। ১৯১৭ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে চারটি খণ্ডে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শ্রীকান্তের ভবঘুরে জীবন ও তার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজ, প্রেম এবং মানবমনের গভীর অনুভূতির এক অনবদ্য চিত্র ফুটে উঠেছে।
    নিচে বইটির বিস্তারিত তথ্য ও সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো
    • বইয়ের ধরন: উপন্যাস
    • মূল চরিত্র: শ্রীকান্ত
    • অন্যান্য প্রধান চরিত্র: ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অন্নদাদিদি, প্যায়ারেলাল, কমললতা
    • প্রকাশকাল: ১৯১৭ – ১৯৩৩ 
    শ্রীকান্ত উপন্যাসের মূল ভাবনা ও পটভূমি
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিজের জীবনের কিছু ছায়া রয়েছে এই উপন্যাসে। এটি কোনো বাঁধা-ধরা নিয়ম বা কাঠামোর গল্প নয়, বরং এক ভবঘুরে যুবকের চোখে দেখা বাস্তব জীবনের খণ্ডচিত্র [০.৫.১৩]। এর বিভিন্ন খণ্ডে শ্রীকান্তের কৈশোর, ভ্রমণ, সন্ন্যাসীদের সাথে সাক্ষাৎ, এবং বিশেষ করে রাজলক্ষ্মী ও কমললতার মতো নারীদের সাথে তার জটিল ও গভীর সম্পর্কের টানাপোড়েন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

     

    250.00৳ 400.00৳ 
  • নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘নিশিপদ্ম’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি আবেগপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। অনেককাল অপ্রকাশিত থাকার পর এটি পরে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
    বইয়ের মূল প্রেক্ষাপট:
    • পটভূমি: নদী-নৌকাভিত্তিক গ্রামীণ বাংলা।
    • কেন্দ্রীয় চরিত্র: মালতি (উপন্যাস) বা পুষ্প (ছোটগল্প)। সে এক গরিব মাঝির ঘরের মেয়ে।
    • নামকরণ: মালতির অসাধারণ রূপ, স্বভাব ও মমতার জন্য গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে “নিশিপদ্ম” বলে ডাকত।
    • কাহিনী সংক্ষেপ: মালতির জীবন অত্যন্ত সাধারণ হলেও দারিদ্র্য, সামাজিক প্রতিকূলতা এবং নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তার এগিয়ে যাওয়ার গল্পই এই বইয়ের মূল উপজীব্য।
    200.00৳ 300.00৳ 
  • দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনন্য জীবনধর্মী ও আধ্যাত্মিক উপন্যাস
    মূল চরিত্র ও কাহিনি:
    উপন্যাসের মূল চরিত্র ‘জিতু’ (জিতেন) নামের এক অনাথ ও অবহেলিত বালক। শৈশবে চরম বঞ্চনা ও অভাবের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা জিতু একসময় আসামের চা বাগানে এবং পরবর্তীকালে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। জাগতিক দুঃখ-কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে সে একসময় এক বিশেষ ‘অলৌকিক দৃষ্টি’ বা আধ্যাত্মিক উপলব্ধির অধিকারী হয়।
    উপন্যাসের মূল ভাব:
    • আধ্যাত্মিকতা: পার্থিব জীবনের মোহ ও যন্ত্রণার চেয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়ার দর্শন ফুটে উঠেছে।
    • প্রকৃতি প্রীতি: বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও বাংলার এবং অরণ্যের প্রকৃতির এক অপরূপ, নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে।
    250.00৳ 275.00৳ 
  • তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।

Main Menu