• গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘গৃহদাহ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস。 এটি মূলত প্রেম, বিবাহ, সমাজপ্রথা এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত একটি আবেগঘন ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজেডি。
    উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র
    উপন্যাসটির মূল ভিত্তি হলো তিনটি প্রধান চরিত্রের জীবনের টানাপোড়েন:
    • মহিম: আদর্শবাদী ও শান্ত স্বভাবের এক গোঁড়া হিন্দু ব্রাহ্মণ。
    • অচলা: আধুনিক মনস্ক, কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এক তরুণী, যার সাথে মহিমের বিবাহ হয়。
    • সুরেশ: মহিমের বাল্যবন্ধু, যিনি উচ্ছল ও আবেগপ্রবণ এবং অচলার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট。
    মূল কাহিনি সংক্ষেপ
    মহিমের উদারতার সুযোগ নিয়ে তার বন্ধু সুরেশ মহিমের স্ত্রী অচলার সান্নিধ্যে আসে。 সুরেশের আবেগ ও অতি-মনোযোগ একসময় অচলার মনেও দোলা দেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এক সময় সুরেশ ও অচলাকে সমাজ ও পরিস্থিতির চাপে ঘর ছাড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও অচলা তার স্বামী মহিমের প্রতি আজীবন এক গভীর টান ও অনুশোচনা অনুভব করে, যা তাদের তিনজনের জীবনকেই চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দেয়।
    উপন্যাসের মূলভাব
    • মানবিক সম্পর্কের জটিলতা: সমাজ, ধর্ম এবং সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে মানুষের মনের আবেগ ও ভালোবাসা কীভাবে জীবনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়, তা ফুটে উঠেছে।
    • দোটানা: নারীমনের স্বাধীনতা এবং সনাতন সমাজব্যবস্থার মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    220.00৳ 350.00৳ 
  • ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘ইছামতি’ বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ও অন্যতম সেরা উপন্যাস । ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমি গড়ে উঠেছে নদীয়া ও যশোর (বর্তমান ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা) অঞ্চলের ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করে । ১৯ শতকের নীলবিদ্রোহের পটভূমিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও শোষণ-উত্থানের মর্মন্তুদ ইতিহাস এতে বিধৃত হয়েছে
    ইছামতি উপন্যাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
    • মূল প্রেক্ষাপট: নদী তীরবর্তী বারাকপুর ও নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের মানুষের যাপিত জীবন এবং নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয় সাধারণ মানুষের রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস ।
    • মূল চরিত্র: ভবানী, তিলু, রামকানাই, নীলমণি সমাদ্দার এবং কুখ্যাত নীলকর রাইলি।
    • মূল বার্তা: নিসর্গ প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের অদম্য প্রাণশক্তির এক অপূর্ব সমন্বয়।
    • প্রাপ্তি: এই উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’-এ ভূষিত করা হয় ।
    250.00৳ 400.00৳ 
  • দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    বনমালীবাবু গ্রামের বিশাল জমিদার। তার দুই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু জগদীশ মুখুয্যে ও রাসবিহারী, জগদীশ বেশি প্রিয়। বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা বিজয়ার সঙ্গে রাসবিহারী তার পুত্র বিলাসের বিবাহে অত্যন্ত আগ্রহী, কিন্তু বনমালীবাবুর ইচ্ছা অন্যরূপ। তিনি বিজয়ার বিবাহ জগদীশের পুত্র শ্রীমান নরেন্দ্র মুখুয্যে বা নরেনের সাথে দিতে চান। সেজন্য নরেনের বিলেতে ডাক্তারী পড়ার সমস্ত খরচ বহন করেন। বনমালীবাবু ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন, উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে রাসবিহারীও। সেজন্য গ্রামে তাদের একঘরে করার চেষ্টা হয়। গ্রামবাসীর বিরুপ আচরনের জন্য বনমালী কলকাতায় যান এবং কিছুকাল পরে সেখানেই তার অকালমৃত্যু হয়। সেই সুযোগে রাসবিহারী জমিদারীর সমস্ত ভার নেন। বন্ধুবিয়োগে জগদীশও অসুস্থ হন এবং বাস্তুভিটে খানি বন্ধক রেখে জমিদারী থেকে ঋণ নেন। সময়মতো সেই ঋণ শোধ না করার ফলে রাসবিহারী জগদীশের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাকে গৃহচ্যুত করেন। শোকে জগদীশ বাড়ীর ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা্ করে। সেই সময় নরেন বিলেত থেকে ফিরে সেই গ্রামেই এক আত্মীয়ের বাড়ীতে থেকে চিকিৎসা করতে থাকে, গ্রামে তার বিশেষ সুখ্যাতি হয়, চিকিৎসক হিসাবে ও পরোপকারী মানুষ হিসাবেও।

    220.00৳ 350.00৳ 
  • শ্রীকান্ত (অখন্ড) — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকান্ত (অখন্ড) — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকান্ত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এক অবিস্মরণীয় কালজয়ী উপন্যাস। ১৯১৭ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে চারটি খণ্ডে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শ্রীকান্তের ভবঘুরে জীবন ও তার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজ, প্রেম এবং মানবমনের গভীর অনুভূতির এক অনবদ্য চিত্র ফুটে উঠেছে।
    নিচে বইটির বিস্তারিত তথ্য ও সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো
    • বইয়ের ধরন: উপন্যাস
    • মূল চরিত্র: শ্রীকান্ত
    • অন্যান্য প্রধান চরিত্র: ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অন্নদাদিদি, প্যায়ারেলাল, কমললতা
    • প্রকাশকাল: ১৯১৭ – ১৯৩৩ 
    শ্রীকান্ত উপন্যাসের মূল ভাবনা ও পটভূমি
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিজের জীবনের কিছু ছায়া রয়েছে এই উপন্যাসে। এটি কোনো বাঁধা-ধরা নিয়ম বা কাঠামোর গল্প নয়, বরং এক ভবঘুরে যুবকের চোখে দেখা বাস্তব জীবনের খণ্ডচিত্র [০.৫.১৩]। এর বিভিন্ন খণ্ডে শ্রীকান্তের কৈশোর, ভ্রমণ, সন্ন্যাসীদের সাথে সাক্ষাৎ, এবং বিশেষ করে রাজলক্ষ্মী ও কমললতার মতো নারীদের সাথে তার জটিল ও গভীর সম্পর্কের টানাপোড়েন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

     

    250.00৳ 400.00৳ 
  • নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘নিশিপদ্ম’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি আবেগপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। অনেককাল অপ্রকাশিত থাকার পর এটি পরে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
    বইয়ের মূল প্রেক্ষাপট:
    • পটভূমি: নদী-নৌকাভিত্তিক গ্রামীণ বাংলা।
    • কেন্দ্রীয় চরিত্র: মালতি (উপন্যাস) বা পুষ্প (ছোটগল্প)। সে এক গরিব মাঝির ঘরের মেয়ে।
    • নামকরণ: মালতির অসাধারণ রূপ, স্বভাব ও মমতার জন্য গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে “নিশিপদ্ম” বলে ডাকত।
    • কাহিনী সংক্ষেপ: মালতির জীবন অত্যন্ত সাধারণ হলেও দারিদ্র্য, সামাজিক প্রতিকূলতা এবং নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তার এগিয়ে যাওয়ার গল্পই এই বইয়ের মূল উপজীব্য।
    200.00৳ 300.00৳ 
  • দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনন্য জীবনধর্মী ও আধ্যাত্মিক উপন্যাস
    মূল চরিত্র ও কাহিনি:
    উপন্যাসের মূল চরিত্র ‘জিতু’ (জিতেন) নামের এক অনাথ ও অবহেলিত বালক। শৈশবে চরম বঞ্চনা ও অভাবের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা জিতু একসময় আসামের চা বাগানে এবং পরবর্তীকালে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। জাগতিক দুঃখ-কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে সে একসময় এক বিশেষ ‘অলৌকিক দৃষ্টি’ বা আধ্যাত্মিক উপলব্ধির অধিকারী হয়।
    উপন্যাসের মূল ভাব:
    • আধ্যাত্মিকতা: পার্থিব জীবনের মোহ ও যন্ত্রণার চেয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়ার দর্শন ফুটে উঠেছে।
    • প্রকৃতি প্রীতি: বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও বাংলার এবং অরণ্যের প্রকৃতির এক অপরূপ, নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে।
  • তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।

  • অনুবর্তন — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অনুবর্তন — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অনুবর্তন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধা [1, 2]রণ সামাজিক উপন্যাস। মূলত একটি স্কুলের শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারকে কেন্দ্র করে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, শিক্ষক সমাজের নীতি ও মূল্যবোধের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির মূল বিষয়বস্তুর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    📝 মূল ভাব ও পটভূমি
    • শিক্ষক সমাজের দুর্দশা: তৎকালীন সময়ে শিক্ষকদের বেতন খুব কম ছিল, যার ফলে প্রতিনিয়ত তাঁদের চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হতো।
    • মানবিকতা বনাম স্বার্থপরতা: চরম অভাবের মধ্যেও শিক্ষকরা তাঁদের নীতি ও আদর্শ ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিছু শিক্ষক পরিস্থিতির চাপে নীতিভ্রষ্ট হলেও, যদুবাবু ও ক্ষেত্রবাবুর মতো শিক্ষকরা সততার পথ আঁকড়ে থাকেন।
    • প্রতিদিনের জীবন: উপন্যাসে খুব সূক্ষ্মভাবে শিক্ষকদের প্রাত্যহিক জীবন, বাজার করা, পরিবারের সাথে টুকিটাকি সমস্যা ও স্কুল পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত চিত্র ফুটে উঠেছে।
    • নামকরণ সার্থকতা: ‘অনুবর্তন’ শব্দটির অর্থ হলো—নিয়মের অনুসরণ বা পরিস্থিতি মেনে মানিয়ে নেওয়া। উপন্যাসের চরিত্রগুলো কীভাবে জীবনের কঠিন বাস্তবতার সাথে নিজেদের মানিয়ে বা ‘অনুবর্তন’ করে নেয়, সেটাই মূল উপজীব্য।
  • পথের পাঁচালী (বোর্ড বাঁধাই) —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    পথের পাঁচালী (বোর্ড বাঁধাই) —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’দুই ভাইবোন অপু ও দুর্গার শৈশব এবং গ্রামীণ বাংলার জীবনযাত্রার নিখুঁত ও মর্মস্পর্শী চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্বের জন্য বইটির মজবুত বোর্ড বাঁধাই (Hardcover) সংস্করণ সংগ্রহ করা যায়।

  • পৌষ ফাগুনের পালা (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত) গজেন্দ্র কুমার মিত্র

    পৌষ ফাগুনের পালা (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত) গজেন্দ্র কুমার মিত্র

    গজেন্দ্রকুমারের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মনে ছিল আশা’, গল্পগ্রন্থ ‘স্ত্রিয়াশ্চরিত্রম’ | ১৯৫৯ সালে তাঁর ‘কলকাতার কাছেই’ উপন্যাস আকাদেমি পুরুস্কারে সম্মানিত হয়| ‘কলকাতার কাছেই’, ‘উপকন্ঠে’, ‘পৌষফাগুনের পালা‘-এই ট্রিলজিকে (ত্রয়ী উপন্যাস) আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য উপন্যাস বলে গণ্য করা হয়|

    1,190.00৳ 1,300.00৳ 
  • কবি—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবি—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবি একটি বহুল আলোচিত বাংলা  উপন্যাস। এটির রচয়িতা বাংলাভাষার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। কাহিনীর বিবেচনায় এটি একটিসামাজিক উপন্যাস  । কবিয়াল, ঝুমুর দল সহ ঐ সময়ের জীবনযাত্রার প্রেক্ষিতে এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।

    প্রকাশের ইতিহাস

    কবি উপন্যাসটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা দ্বাদশ উপন্যাস। এ উপন্যাসটি প্রকৃতপক্ষে তার লেখা একটি পূর্ব-প্রকাশিত ছোটগল্পের বিস্তৃত রূপ। রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় এর সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রবাসী মাসিকপত্রে গল্পটি ১৯৪১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগে “কবি” উপন্যাসটি পাটনা থেকে প্রকাশিত প্রভাতী  পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ১৯৪২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। কবি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৩ সালে।

     

     

    400.00৳ 600.00৳ 
  • বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ-সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও প্রাচীনতম উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হিজরি ৬১ সালে সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ ও এর পূর্বাপর ঘটনাবলী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয় ১৮৯১সালে।

    350.00৳ 470.00৳ 

Main Menu