• লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    উপন্যাসটি মহব্বতনগর গ্রাম এবং গ্রাম্য জীবনের নানা প্রতিকূলতার বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। মজিদ নামের এক চতুর লোক গ্রামে এসে বুঝতে পারে যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সরলমনা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের মাধ্যমে তাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। মজিদ গ্রামবাসীদের বকাঝকা করতে শুরু করে এই বলে যে, তারা মুদাসসির পীরের (যার আক্ষরিক অর্থ অজ্ঞাত সাধু) কবরের যত্ন নেয়নি। সে তাদের একটি বানানো গল্প শোনায় যে, এক পীর (ধর্মীয় জাদুকর) তাকে স্বপ্নে দেখিয়েছে যে তার কবরের যত্ন নেওয়া হচ্ছে না এবং ওই এলাকার মানুষ পাপী। গ্রামের তথাকথিত প্রধান খালেক বেপরীসহ প্রায় সবাই মজিদের গল্প বিশ্বাস করে। খালেক বেপরীসহ গ্রামের সকলের উপর মজিদের একটি ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা কবরটি মেরামত করে, একটি মাজার এবং মজিদের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দেয়। এরপর মজিদ সেখানে বসবাস শুরু করে এবং ভুয়া ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে ধনী হয়ে ওঠে। মজিদ রহিমা নামে এক বিধবা ও বাধ্য স্ত্রীকেও বিয়ে করে। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ালপুরে এক মহান পীরের আগমনের মতো কিছু লোক তার বিরোধিতা করায় মজিদকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। পরে মজিদ জামিলা নামে এক কিশোরীকেও (দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে) বিয়ে করে, যাকে পরবর্তীতে মজিদের ভ্রান্ত শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য পবিত্র মাজারের কাছে বেঁধে রেখে শাস্তি দেওয়া হয়।

    গল্প জুড়ে ধীরে ধীরে মজিদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়, কিন্তু গ্রামবাসীরা এতটাই সরলমনা যে তারা শুরু থেকেই তার চালাকি বুঝতে পারে না।

    150.00৳ 250.00৳ 
  • দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।

    210.00৳ 350.00৳ 
  • পোস্টমাস্টার ও অতিথি —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    পোস্টমাস্টার ও অতিথি —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “পোস্টমাস্টার”“অতিথি” তাঁর বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন গল্পগুচ্ছ-এর দুটি হৃদয়স্পর্শী রচনা।
    পোস্টমাস্টার
    • মূল প্রেক্ষাপট: কলকাতার এক শহুরে তরুণ উলাপুর নামক এক প্রত্যন্ত গ্রামে পোস্টমাস্টারের চাকরিতে যোগ দেয়। নিঃসঙ্গ ও একাকী জীবনে সে স্থানীয় এক অনাথ বালিকা রতন-কে গৃহস্থালির কাজে নিযুক্ত করে।
    • সম্পর্ক ও পরিণতি: তাদের মধ্যে এক স্নেহ ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পোস্টমাস্টার অসুস্থ হলে রতন মায়ের মতো তার সেবা করে। পরবর্তীতে পোস্টমাস্টার চাকরি ছেড়ে শহরে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে, রতনের আশ্রয় পাওয়ার আকুতি ব্যর্থ হয়। রতনের “অব্যক্ত বিশ্বজনীন বেদনা” ও সান্ত্বণাহীন হৃদয়ের চিত্র দিয়ে গল্পটি শেষ হয়।
    অতিথি
    • মূল প্রেক্ষাপট: এই গল্পের প্রধান চরিত্র তারাপদ এক ভবঘুরে, ঘর-ছাড়া কিশোর। সে ব্রাহ্মণ পরিবারে আশ্রিত হয়েও নিজের স্বাধীন সত্তা বিসর্জন দিতে পারে না।
    • সম্পর্ক ও পরিণতি: গৃহকর্তা ও তাঁর স্ত্রী তাকে স্নেহ করে এবং একপর্যায়ে তাদের কন্যাসমা রত্নমণির সাথে তার বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু বাঁধাধরা জীবন বা পারিবারিক পিছুটান তার স্বভাববিরুদ্ধ হওয়ায়, বিয়ের ঠিক আগের রাতেই সে সকলের মায়া ত্যাগ করে আবার অজানা পথের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়।
    120.00৳ 160.00৳ 
  • বিপিনের সংসার–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হলো ‘বিপিনের সংসার’। এটি মূলত মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ এবং সাধারণ জীবনের সুখ-দুঃখ নিয়ে লেখা একটি বাস্তবধর্মী ও আবেগপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং বিষয়বস্তু নিচে দেওয়া হলো:
    মূল কাহিনি ও বিষয়বস্তু
    • বিপিনের চরিত্র: গল্পের মূল চরিত্র বিপিন একজন দায়িত্বশীল, আদর্শবাদী কিন্তু কিছুটা উদাসীন প্রকৃতির তরুণ।
    • দায়িত্বভার: অকালে বিপিনের বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো সংসারের দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। বিপিনের মা, ভাইয়ের পড়াশোনা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভরণপোষণের ভার তাকে একাই সামলাতে হয়।
    • গ্রামীণ জীবন ও সংগ্রাম: উপন্যাসে ফুটে উঠেছে বিপিনের জীবিকার সন্ধান এবং একটি যৌথ পরিবারের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েও বিপিন কীভাবে নিজের পরিবারকে আগলে রাখে, তা এখানে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    • মানবিক মূল্যবোধ: জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও বিপিনের সততা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং আত্মত্যাগের গল্পই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    160.00৳ 285.00৳ 
  • চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘চাঁদের পাহাড়’ । এটি মূলত বাঙালি তরুণ শঙ্করের রোমাঞ্চ, অজানার প্রতি আকর্ষণ এবং আফ্রিকা মহাদেশের দুর্গম জঙ্গলে সোনা ও হীরার খনি আবিষ্কারের গল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি হিসেবে বিবেচিত।
    কাহিনির মূল আকর্ষণসমূহ:
    • শঙ্করের যাত্রা: পশ্চিমবঙ্গের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে শঙ্কর, অভাবের কারণে ভাগ্যের খোঁজে পাড়ি জমায় আফ্রিকার রুক্ষ ও বিপদসংকুল পরিবেশে। সেখানে সে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনে চাকরি নেয়।
    • দিয়েগো আলভারেজ: আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইতালীয় অভিযাত্রী আলভারেজের সাথে তার দেখা হয়। আলভারেজ তাকে ‘চাঁদের পাহাড়’ (Mountain of the Moon)-এর হীরার খনির সন্ধান দেন।
    • প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ: আলভারেজ নিখোঁজ হওয়ার পর একা শঙ্কর কালাহারি মরুভূমি, রিকটারসভেল্ডের পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গলে ভয়াবহ সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
    • ভয়ংকর প্রাণী ও দানব: উপন্যাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো শঙ্করের সাথে ভয়ঙ্কর কালো মাম্বা (Black Mamba) সাপ এবং পৌরাণিক দানব ‘বুনিপ’ (Bunyip)-এর লড়াই।

     

    160.00৳ 250.00৳ 
  • ন হন্যতে : লা নুই বেঙ্গলী — মৈত্রেয়ী দেবী , মির্চা এলিয়াদ

    ন হন্যতে : লা নুই বেঙ্গলী — মৈত্রেয়ী দেবী , মির্চা এলিয়াদ

    ‘ন হন্যতে’ এবং ‘লা নুই বেঙ্গলী’ সাহিত্য জগতের এক বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ও প্রেমের আখ্যান । রোমানীয় দার্শনিক ও লেখক মির্চা এলিয়াদের উপন্যাস এবং মৈত্রেয়ী দেবীর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য ও প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো:
    📖 লা নুই বেঙ্গলী (La Nuit Bengali)
    • লেখক: মির্চা এলিয়াদ
    • প্রকাশকাল: ১৯৩৩ সাল
    • মূল প্রেক্ষাপট: এটি মূলত একটি রোমানীয় উপন্যাস। তৎকালীন ভারতে এসে দার্শনিক ও লেখক মির্চা এলিয়াদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিষ্য, মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে মৈত্রেয়ী দেবীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই উপন্যাসে তাদের সেই প্রেমকাহিনীর একটি কাল্পনিক ও আবেগপূর্ণ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে মৈত্রেয়ীর চরিত্রটিকে কিছুটা ভিন্নভাবে ও রোমান্টিক কল্পনার আশ্রয়ে উপস্থাপন করা হয়।
    260.00৳ 450.00৳ 
  • শেষ বিকেলের মেয়ে —জহির রায়হান

    শেষ বিকেলের মেয়ে —জহির রায়হান

    শেষ বিকেলের মেয়ে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা জহির রায়হানের রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি কালজয়ী প্রেমের উপাখ্যান, যেখানে নিম্ন-মধ্যবিত্ত তরুণ কেরানি কাসেদের জীবনসংগ্রাম ও তার প্রেমকে কেন্দ্র করে গল্পটি এগিয়ে গেছে।
    উপন্যাসের পটভূমি ও কাহিনি
    • পটভূমি: ষাটের দশকের পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) মধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন এবং কেরানিদের জীবনসংগ্রাম এর মূল ভিত্তি।
    • মূল চরিত্র: তরুণ কেরানি কাসেদ এবং নাহার নামের এক সাধারণ মেয়ের মধ্যকার সম্পর্ক উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু।
    • মূল বিষয়বস্তু: স্বপ্ন ও বাস্তবের দ্বন্দ্ব, মানুষের মানসিক টানাপোড়েন এবং অমর প্রেমের মেলবন্ধনকে জহির রায়হান খুব সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    • সাফল্য: প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মিশেলে লেখা এই বইটি প্রকাশের পর থেকেই পাঠক মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এটি জহির রায়হানকে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে স্থায়ী আসন এনে দেয়। 
    190.00৳ 225.00৳ 
  • বেণের মেয়ে — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

    বেণের মেয়ে — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

    ‘বেণের মেয়ে’ হলো পণ্ডিত ও সাহিত্যিক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত বিখ্যাত বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়। সেন রাজত্বের শেষভাগে বাংলার সামাজিক ও ধর্মীয় জীবন, বৌদ্ধধর্মের প্রভাব এবং সপ্তগ্রামের (সাতগাঁও) ঐতিহাসিক পটভূমিকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
    উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
    কাহিনির সারসংক্ষেপ
    • পটভূমি: সেন আমলে বাংলার সপ্তগ্রামের বণিক সমাজ ও তৎকালীন জনজীবনের নিখুঁত চিত্র।
    • মূল চরিত্র: কাহিনির মূল চরিত্র হলো ‘বেণের মেয়ে’ কনকমালা। তার বুদ্ধিমত্তা, রূপ ও চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর ভিত্তি করে কাহিনি এগিয়ে যায়।
    • ধর্মীয় দ্বন্দ্ব: এ উপন্যাসে তৎকালীন সমাজে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের প্রভাব এবং তার পাশাপাশি সহজিয়া ও বৌদ্ধধর্মের (তান্ত্রিক প্রভাব) মিশ্রণ ও দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।
    • ঐতিহাসিক গুরুত্ব: রাজা ও উচ্চবিত্তদের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং তৎকালীন বাংলার সংস্কৃতির একটি বাস্তবসম্মত চিত্র পাওয়া যায়।
    360.00৳ 400.00৳ 
  • অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত  একটি হৃদয়স্পর্শী সামাজিক উপন্যাস। ১৯১৬ সালে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রাম্য সমাজের কুসংস্কার এবং বিবাহযোগ্যা অবিবাহিত মেয়েদের নিয়ে সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।
    উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্র:
    • পটভূমি: তৎকালীন গ্রামীণ হিন্দু সমাজের প্রেক্ষাপট।
    • মূল চরিত্র: জ্ঞানদা (গেনি) নামের একটি মেয়ে, যার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে অথচ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে বিয়ে হচ্ছে না।
    • সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি: সমাজে জ্ঞানদাকে ‘অরক্ষণীয়া’ (যার রক্ষণাবেক্ষণ বা বিবাহ না হলে সমাজে বদনাম হয়) হিসেবে গণ্য করা হয়।
    • মানবিক টানাপোড়েন: জ্ঞানদার মা দুর্গামণি এবং আত্মীয়-স্বজনদের সামাজিক গঞ্জনা, আর্থিক অভাব এবং জ্ঞানদার নিজের মনের অবস্থা ও অতুল নামের এক যুবকের সাথে তার প্রেমের জটিল সমীকরণ উপন্যাসের মূল আকর্ষণ।
    120.00৳ 200.00৳ 
  • প্রথম প্রতিশ্রুতি— আশাপূর্ণা দেবী

    প্রথম প্রতিশ্রুতি— আশাপূর্ণা দেবী

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ এটি তাঁর বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাসের (প্রথম প্রতিশ্রুতি, সুবর্ণলতা, বকুলকথা) প্রথম উপন্যাস। সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তির পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি
    উপন্যাসটির প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ:
    • রবীন্দ্র পুরস্কার: ১৯৬৫ সালে আশাপূর্ণা দেবী ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন।
    • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার: ১৯৭৬ সালে তিনি এই উপন্যাসের জন্যই ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’ অর্জন করেন। তিনি ছিলেন প্রথম নারী সাহিত্যিক যিনি এই বিরল সম্মানে ভূষিত হন।
    ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’ সম্পর্কে কিছু তথ্য:
    • প্রকাশকাল: ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    • মূল চরিত্র: উপন্যাসটির মূল চরিত্র হলো ‘সত্যবতী’, যে তৎকালীন পুরুষতান্ত্রিক ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও সংগ্রামের প্রতীক।
  • আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির আত্মজীবনীমূলক ত্রয়ী (trilogy)-এর প্রথম খণ্ড হলো ‘আমার ছেলেবেলা’ (My Childhood)। ১৯১৩ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে ১৯ শতকের রাশিয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র, দারিদ্র্য এবং তৎকালীন অমানবিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা এক অনাথ শিশুর মর্মস্পর্শী কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
    ‘আমার ছেলেবেলা’ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্রসমূহ:
    • পটভূমি: গোর্কির বাবার মৃত্যুর পর পাঁচ বছর বয়সী অনাথ বালক আলিওশাকে (গোর্কির ডাকনাম) তার নানা-নানির কাছে নিঝিন নভগোরোদ (Nizhny Novgorod) শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
    • নিষ্ঠুর নানা: নানা পেশকভ ছিলেন একজন চরম বদরাগী ও অত্যাচারী মানুষ, যিনি কথায় কথায় শিশুদের নির্মমভাবে মারধর করতেন।
    • স্নেহময়ী নানি: নানির চরিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, গল্প বলার জাদুকর এবং আলিওশার জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু ও আশ্রয়।
    • কঠোর বাস্তবতা: পরিবারের অভ্যন্তরীণ নিষ্ঠুরতা, আশেপাশের নোংরা পরিবেশ, দারিদ্র্য এবং শ্রমিকদের শ্রমজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা আলিওশার কোমল মনে গভীর দাগ কাটে।
    • চরিত্র গঠন: এত সব প্রতিকূলতার মাঝেও আলিওশার ভেতরে সত্য ও সুন্দরের প্রতি ভালোবাসা, কৌতূহল এবং প্রবল আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে ওঠে। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন।
    190.00৳ 300.00৳ 
  • দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী হলো একটি বাংলা উপন্যাস যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখা। এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সুবোধ চন্দ্র মিত্র এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। আনন্দমঠের পর বঙ্কিমচন্দ্র পুনরুজ্জীবিত ভারতের আহ্বান করে এটি রচনা করেন। এতে প্রধান চরিত্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ভিতর থেকে শক্তির সাথে লড়াই করে। এই রচনা ভারতীয় সাধুতা, নিষ্ঠা এবং নিঃস্বার্থতার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে। এটি বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যের  ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। যেহেতু এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় স্বাধীনতার সংগ্রামকে উস্কে দিয়েছিল তাই উপন্যাসটি ব্রিটিশরা নিষিদ্ধ করেছিল। স্বাধীনতার পর ভারত ‍সরকার পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র তার এই বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করেন যে, ব্রিটিশদের সাথে সশস্ত্র সংঘর্ষই স্বাধীনতা জয় করার একমাত্র উপায়।

    180.00৳ 250.00৳ 

Main Menu