• কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ব্যক্তিধর্মী প্রবন্ধ-সংকলন।বইটির প্রথম সংস্করণ ১৮৭৫ সালে কমলাকান্তের দপ্তর, প্রথম ভাগ নামে প্রকাশিত হয়।১৮৮৫ সালে (১২৯২ বঙ্গাব্দ) “কমলাকান্তের দপ্তর” (মোট ১৪টি প্রবন্ধ, তন্মধ্যে ১১টি বঙ্কিমচন্দ্রের), “কমলাকান্তের পত্র” (পাঁচটি প্রবন্ধ) ও “কমলাকান্তের জোবানবন্দী” – এই তিনটি অংশ একত্রে কমলাকান্ত নামক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। আফিঙখোর ব্রাহ্মণ কমলাকান্তের জবানিতে লেখক তথ্য ও যুক্তিবিনির্ভর সমাজ, ধর্ম ও রাষ্ট্রতত্ত্ব বর্ণনা করেছেন। গ্রন্থটিকে বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা বলে অভিহিত করা হয়।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    পল্লী-সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও পল্লীসমাজ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ  মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।

    150.00৳ 270.00৳ 
  • লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    উপন্যাসটি মহব্বতনগর গ্রাম এবং গ্রাম্য জীবনের নানা প্রতিকূলতার বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। মজিদ নামের এক চতুর লোক গ্রামে এসে বুঝতে পারে যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সরলমনা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের মাধ্যমে তাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। মজিদ গ্রামবাসীদের বকাঝকা করতে শুরু করে এই বলে যে, তারা মুদাসসির পীরের (যার আক্ষরিক অর্থ অজ্ঞাত সাধু) কবরের যত্ন নেয়নি। সে তাদের একটি বানানো গল্প শোনায় যে, এক পীর (ধর্মীয় জাদুকর) তাকে স্বপ্নে দেখিয়েছে যে তার কবরের যত্ন নেওয়া হচ্ছে না এবং ওই এলাকার মানুষ পাপী। গ্রামের তথাকথিত প্রধান খালেক বেপরীসহ প্রায় সবাই মজিদের গল্প বিশ্বাস করে। খালেক বেপরীসহ গ্রামের সকলের উপর মজিদের একটি ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা কবরটি মেরামত করে, একটি মাজার এবং মজিদের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দেয়। এরপর মজিদ সেখানে বসবাস শুরু করে এবং ভুয়া ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে ধনী হয়ে ওঠে। মজিদ রহিমা নামে এক বিধবা ও বাধ্য স্ত্রীকেও বিয়ে করে। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ালপুরে এক মহান পীরের আগমনের মতো কিছু লোক তার বিরোধিতা করায় মজিদকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। পরে মজিদ জামিলা নামে এক কিশোরীকেও (দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে) বিয়ে করে, যাকে পরবর্তীতে মজিদের ভ্রান্ত শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য পবিত্র মাজারের কাছে বেঁধে রেখে শাস্তি দেওয়া হয়।

    গল্প জুড়ে ধীরে ধীরে মজিদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়, কিন্তু গ্রামবাসীরা এতটাই সরলমনা যে তারা শুরু থেকেই তার চালাকি বুঝতে পারে না।

    150.00৳ 250.00৳ 
  • অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অশনি-সংকেত’ বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য ক্লাসিক উপন্যাস , যা ১৯৪৩-৪৪ সালের (বাংলা ১৩৫০) ভয়াবহ পঞ্চাশের মন্বন্তরের নির্মম পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসে মানুষের অবক্ষয়, ক্ষুধা এবং গ্রামীণ জীবনের করুণ চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
    উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ও দিকগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
    মূল প্রেক্ষাপট
    • পটভূমি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের খাদ্য মজুতদারি এবং নীতির কারণে সৃষ্ট বাংলায় কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ।
    • প্রভাব: গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন কীভাবে ধীরে ধীরে অভাব, অনাহার ও মহামারীর দিকে ধাবিত হয়েছিল, তারই মর্মস্পর্শী বিবরণ।
    150.00৳ 250.00৳ 
  • বামুনের মেয়ে—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    বামুনের মেয়ে—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    জাতপাতের ফিরিস্তি তুলে বিশেষ একটি গোত্রের সবকিছুতে নেতৃস্থানীয় দাম্ভিকতা, তাদের বিধি-বিধানের প্রাবল্য আর বিপরীত পক্ষকে সেসব শাস্ত্রবচন আওড়িয়ে কুণ্ঠিত করে রাখা, সত্য-মিথ্যার মাপকাঠিতে নির্ঘাত অলীকের আশ্রয়ে হয়কে নয় রূপে প্রতিপন্ন করা, আর্থিক দাম্ভিকতায় ব্যক্তিবিশেষের মোড়লিপনা, টাকার জোরে সামাজিক অবস্থান কিনে নেওয়া কুলীন ব্রাহ্মণের যৌন লালসার শিকার হয়ে নারীর দুর্যোগ-দুর্বিপাকে শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে তীর্থভূমিতে প্রত্যাবর্তন, নারীর পশ্চাদপদতা ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য অগ্রহণযোগ্য ঘটনায় দুর্ঘটনায় সমৃদ্ধ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বামুনের মেয়ে উপন্যাসটি১৯২০ সালে এই উপন্যাসটি পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ভাগ্যবিপর্যয়, প্রেম এবং আত্মপরিচয় উদ্ধারের মতো চমৎকার সব বিষয়বস্তুর বুননে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
     কাহিনি সংক্ষেপ
    • সূচনা: গল্পের নায়িকা ইন্দিরা বুদ্ধিমতী ও অভিজাত পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বামীর পরিবার দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে অনেকদিন গোপন রাখা হয় এবং বাবার বাড়িতেই তাকে রাখা হয়।
    • দুর্ঘটনা: একদিন বাবা তাকে লুকিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে কালাদীঘির নামক স্থানে ডাকাতদের কবলে পড়ে সব হারিয়ে তিনি অনাথ হয়ে যান।
    • নতুন পরিচয়: ডাকাতদের কবল থেকে কোনোমতে পালিয়ে তিনি তার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় বা ধনীর বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরিচারিকার ছদ্মবেশে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রূপের গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেন।
    • পরিণতি: একসময় স্বামীর সাথে তার পরিচয় ও পুনর্মিলন ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আসল পরিচয় এবং স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পান।
    150.00৳ 200.00৳ 
  • সোনার তরী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    সোনার তরী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের জন্ম হয় ৭ই মে ১৮৬১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা শহরে অবস্থিত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে |

    তাঁর বাবার নাম ছিলো মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি একজন মহান হিন্দু দার্শনিক ও “ব্রামদামজের” এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং তাঁর মায়ের ছিলো নাম সারদাসুন্দরী দেবী |

    বাংলা সাহিত্য জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে যদি কেউ থেকে থাকেন তাহলে সেটা অবশ্যই আমাদের সকলের প্রিয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর| তাঁর লেখা অসাধারণ সব কবিতা ও গান, আজও প্রত্যেকটা বাঙালীর সমানভাবে মন কাড়ে | তিনি শুধু একজন শ্রেষ্ঠ গল্পকারই ছিলেন না, সেইসাথে ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিকও

    150.00৳ 200.00৳ 
  • নূর –লতিফুল ইসলাম শিবলী

    নূর –লতিফুল ইসলাম শিবলী

    ‘নূর’ হলো কথাসাহিত্যিক ও গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলীর লেখা একটি জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি মূলত ফকির মজনু শাহর নেতৃত্বে পলাশী-পরবর্তী বাংলার কৃষক ও সুফি সাধকদের ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ফিকশন।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
    • মূল কাহিনি: এক কুৎসিত চেহারার মানুষকে এক বিদুষী নারী বলে—’আপনি হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ।’ এই একটি মাত্র বাক্য এবং ভালোবাসার স্পর্শ তার জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়।
    • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দখলদারি শুরু হলে, ফকির মজনু শাহ নবাবের চাকরিচ্যুত সৈন্য ও কৃষকদের সংগঠিত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যান।
    • মূল বার্তা: বাহ্যিক সৌন্দর্যের পরিবর্তে মানুষের ভেতরের সৌন্দর্য এবং ইনসাফের পক্ষে জালিমের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহসের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।
  • Natural Arjun Tea – 80 Gm

    Pure Arjun Tea – 80 gm(40 Tea Bag)

    • Brand: Dr. H & H Tea
    • Product Type: Bag in bag Tea Bag
    • Weight: 80gm
    • Capacity: 40 Pieces in the box
    • Natural arjun flavor
    • It’s perfect any time of the day
    • Steep it for 1 to 2 minutes
    • After 2 minutes, your perfect cup of tea is ready
    • Healthy for all
    160.00৳ 180.00৳ 
  • মাল্যবান জীবনানন্দ দাশ

    মাল্যবান

    জীবনানন্দ দাশ

    ‘মাল্যবান’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত উপন্যাস  এটি মূলত কবি ও সাহিত্যিকদের সমাজ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জটিলতায় আবর্তিত জীবনের এক গভীর এবং মর্মস্পর্শী দলিল।
    উপন্যাসটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যবিত্ত ও সাংসারিক টানাপোড়েনে নিমজ্জিত এক হতাশাগ্রস্ত মানুষ ‘মাল্যবান’ এবং তার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও বিপরীত স্বভাবের স্ত্রী ‘উৎপলা’র অসম দাম্পত্য জীবন।
    উপন্যাসের মূল পটভূমি ও বিষয়বস্তু:
    • জীবনকাল ও প্রকাশনা: উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে রচিত হলেও কবির মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    • দাম্পত্য দ্বন্দ্ব: মাল্যবান আড়াইশো টাকা বেতনের একজন সাধারণ চাকুরে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী উৎপলা আধুনিক, জৌলুসপ্রিয় ও ভিন্ন মানসিকতার। তাদের এই বিপরীতমুখী স্বভাবের কারণে পারিবারিক জীবনে সৃষ্টি হয় তীব্র দূরত্ব ও নিঃসঙ্গতা।
    • ব্যক্তিজীবনের ছায়া: অনেক সাহিত্য সমালোচকের মতে, এই উপন্যাসে জীবনানন্দ দাশের নিজের দাম্পত্য জীবনের, বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী লাবণ্য দাশের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনের এক নির্মম আত্মসত্য ও বাস্তব ছায়া প্রতিফলিত হয়েছে।
    • সামাজিক বাস্তবতা: চল্লিশের দশকের কলকাতা শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের সীমিত আয়, টানাপোড়েন, মানসিক বৈকল্য এবং একঘেয়ে জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।
    • শৈলী: প্রচলিত উপন্যাসের মতো এর কোনো সুনির্দিষ্ট শুরু বা শেষ নেই; বরং এটি জীবনের গহীন জটিলতার এক অখণ্ড প্রবাহ।
    160.00৳ 330.00৳ 

Main Menu