• Figaro Pitted Green Olives 340g

    Key benefits

    • Low in cholesterol
    • Low in fat
    • Good for health
    • Use in different type of dishes
    • Perfect for any use
    • Net weight 340g
  • মৃণালিনী–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মৃণালিনী–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মৃণালিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তৃতীয় উপন্যাস। এটির প্রকাশকাল ১৮৬৯ সাল। এই উপন্যাসেই প্রথম স্বদেশপ্রেমকে বিষয়বস্তু করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। এই উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র আলিপুরে থাকাকালীন রচনা করেছিলেন। বইটি উৎসর্গ করেছিলেন বন্ধু তথা বিশিষ্ট নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রকে । ন্যাশানাল থিয়েটার ১৮৭৪ সালে এই উপন্যাসের নাট্যরূপ মঞ্চস্থ করে। ১৮৮০ সালে মৃণালিনী হিন্দুস্থানী ভাষায় অনূদিত হয়।

     

    170.00৳ 290.00৳ 
  • দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    যতীন, চঞ্চল জগতের এক নিঃসঙ্গ গ্রহবাসী। দেহজ কারাবাস থেকে সহসা আত্মার মুক্তিতে তার সামনে উম্নোচিত হয় আরেক জগত। এরপর তার যাত্রা শুরু হয় প্রেতলোক হতে দ্যুলোক, সন্ধ্যালোক পেরিয়ে চৈতন্যলোকের পথে। আত্মার এই অপার উন্মেষ, জীবন ও মৃত্যুর সীমারেখা ছুঁয়ে দেখার এক সূক্ষ্ম দর্শন। এভাবেই যতীন খুঁজে ফেরেন নিজেকে, পূর্বজন্মের স্মৃতি আর পরম সত্যের সান্নিধ্যে তাঁর আত্মা ধীরে ধীরে খুঁজে পায় মুক্তির ঐশীজ্যোতি।

    দেবযান মূলত এক সবাক জিজ্ঞাসার নির্বাক উত্তর, যেখানে জীবন যেন মৃত্যুর আবেশে ঘেরা এক আধ্যাত্মিক প্রতিধ্বনি— অন্তরালে অপরূপ অনাবিল, অনন্ত। দেবযানকে তাই মোটাদাগে উপন্যাস হিসেবে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা গেলেও আদতে এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণের কাল্পনিক দিনলিপি; কিংবা সাহিত্যের গম্ভীর শব্দে ফিলোসফিক্যাল ফ্যান্টাসি বা মেটাফিজিক্যাল ফ্যান্টাসি। যেখানে যতীন, পুষ্প, আশালতা, প্রানায় দেবী, করুণা দেবী, বেদান্তিন সন্ন্যাসী ইত্যাদি চরিত্রসমূহকে পুঁজি করে, দর্শন ও ধর্মের মৌলিক বিষয়সমূহকে মনস্ততত্ত্বের আবহে আত্ম-কথোপকথনের মাধ্যমে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় দেবযান শীর্ষক উপন্যাস রচনা করেছেন।

    170.00৳ 350.00৳ 
  • Excellent Dish Cleaner

    প্রতি ফোটা এক্সিলেন্ট ডিশ ক্লিনার লিকুইড এ রয়েছে লেবুর পরিস্কার করার অতুলনীয় শক্তি। যা নিমিষেই
    তেল, চিনি ও চিটচিটে ভাব কাটিয়ে আপনার থালা-বাসন করে ঝকঝকে পরিষ্কার ।

  • হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    ‘হাজার বছর ধরে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক গ্রামীণ সমাজের শাশ্বত রূপ, মানুষের জীবনসংগ্রাম, কুসংস্কার, প্রেম-ভালোবাসা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
      • মূল উপজীব্য: গ্রামীণ জীবনের একান্নবর্তী পরিবারের টানাপোড়েন, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম এবং আবহমানকাল ধরে চলে আসা গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র।
      • প্রধান চরিত্রসমূহ: উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— বুড়ো মকবুল (শিকদার বাড়ির মুরব্বি), টুনি (মকবুলের তৃতীয়া স্ত্রী), মন্তু (মকবুলের দুঃসম্পর্কের ভাই) এবং আম্বিয়া।
      • পুরস্কার: এই কালজয়ী সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ জহির রায়হান ১৯৬৪ সালে ‘আদমজী পুরস্কার’ লাভ করেন 
    • চলচ্চিত্ররূপ: জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে তাঁরই সহধর্মিণী ও অভিনেত্রী সুচন্দা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ শিরোনামে একটি সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
    160.00৳ 200.00৳ 
  • বিপিনের সংসার–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হলো ‘বিপিনের সংসার’। এটি মূলত মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ এবং সাধারণ জীবনের সুখ-দুঃখ নিয়ে লেখা একটি বাস্তবধর্মী ও আবেগপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং বিষয়বস্তু নিচে দেওয়া হলো:
    মূল কাহিনি ও বিষয়বস্তু
    • বিপিনের চরিত্র: গল্পের মূল চরিত্র বিপিন একজন দায়িত্বশীল, আদর্শবাদী কিন্তু কিছুটা উদাসীন প্রকৃতির তরুণ।
    • দায়িত্বভার: অকালে বিপিনের বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো সংসারের দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। বিপিনের মা, ভাইয়ের পড়াশোনা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভরণপোষণের ভার তাকে একাই সামলাতে হয়।
    • গ্রামীণ জীবন ও সংগ্রাম: উপন্যাসে ফুটে উঠেছে বিপিনের জীবিকার সন্ধান এবং একটি যৌথ পরিবারের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েও বিপিন কীভাবে নিজের পরিবারকে আগলে রাখে, তা এখানে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    • মানবিক মূল্যবোধ: জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও বিপিনের সততা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং আত্মত্যাগের গল্পই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    160.00৳ 285.00৳ 
  • চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘চাঁদের পাহাড়’ । এটি মূলত বাঙালি তরুণ শঙ্করের রোমাঞ্চ, অজানার প্রতি আকর্ষণ এবং আফ্রিকা মহাদেশের দুর্গম জঙ্গলে সোনা ও হীরার খনি আবিষ্কারের গল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি হিসেবে বিবেচিত।
    কাহিনির মূল আকর্ষণসমূহ:
    • শঙ্করের যাত্রা: পশ্চিমবঙ্গের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে শঙ্কর, অভাবের কারণে ভাগ্যের খোঁজে পাড়ি জমায় আফ্রিকার রুক্ষ ও বিপদসংকুল পরিবেশে। সেখানে সে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনে চাকরি নেয়।
    • দিয়েগো আলভারেজ: আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইতালীয় অভিযাত্রী আলভারেজের সাথে তার দেখা হয়। আলভারেজ তাকে ‘চাঁদের পাহাড়’ (Mountain of the Moon)-এর হীরার খনির সন্ধান দেন।
    • প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ: আলভারেজ নিখোঁজ হওয়ার পর একা শঙ্কর কালাহারি মরুভূমি, রিকটারসভেল্ডের পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গলে ভয়াবহ সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
    • ভয়ংকর প্রাণী ও দানব: উপন্যাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো শঙ্করের সাথে ভয়ঙ্কর কালো মাম্বা (Black Mamba) সাপ এবং পৌরাণিক দানব ‘বুনিপ’ (Bunyip)-এর লড়াই।

     

    160.00৳ 250.00৳ 
  • মাল্যবান জীবনানন্দ দাশ

    মাল্যবান

    জীবনানন্দ দাশ

    ‘মাল্যবান’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত উপন্যাস  এটি মূলত কবি ও সাহিত্যিকদের সমাজ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জটিলতায় আবর্তিত জীবনের এক গভীর এবং মর্মস্পর্শী দলিল।
    উপন্যাসটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যবিত্ত ও সাংসারিক টানাপোড়েনে নিমজ্জিত এক হতাশাগ্রস্ত মানুষ ‘মাল্যবান’ এবং তার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও বিপরীত স্বভাবের স্ত্রী ‘উৎপলা’র অসম দাম্পত্য জীবন।
    উপন্যাসের মূল পটভূমি ও বিষয়বস্তু:
    • জীবনকাল ও প্রকাশনা: উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে রচিত হলেও কবির মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    • দাম্পত্য দ্বন্দ্ব: মাল্যবান আড়াইশো টাকা বেতনের একজন সাধারণ চাকুরে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী উৎপলা আধুনিক, জৌলুসপ্রিয় ও ভিন্ন মানসিকতার। তাদের এই বিপরীতমুখী স্বভাবের কারণে পারিবারিক জীবনে সৃষ্টি হয় তীব্র দূরত্ব ও নিঃসঙ্গতা।
    • ব্যক্তিজীবনের ছায়া: অনেক সাহিত্য সমালোচকের মতে, এই উপন্যাসে জীবনানন্দ দাশের নিজের দাম্পত্য জীবনের, বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী লাবণ্য দাশের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনের এক নির্মম আত্মসত্য ও বাস্তব ছায়া প্রতিফলিত হয়েছে।
    • সামাজিক বাস্তবতা: চল্লিশের দশকের কলকাতা শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের সীমিত আয়, টানাপোড়েন, মানসিক বৈকল্য এবং একঘেয়ে জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।
    • শৈলী: প্রচলিত উপন্যাসের মতো এর কোনো সুনির্দিষ্ট শুরু বা শেষ নেই; বরং এটি জীবনের গহীন জটিলতার এক অখণ্ড প্রবাহ।
    160.00৳ 330.00৳ 

Main Menu