• অপেক্ষা 

    অপেক্ষা প্রকাশনী : ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী

    340.00৳ 400.00৳ 

    অপেক্ষা 

    340.00৳ 400.00৳  Add to cart
  • অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    অরক্ষণীয়া কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত  একটি হৃদয়স্পর্শী সামাজিক উপন্যাস। ১৯১৬ সালে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রাম্য সমাজের কুসংস্কার এবং বিবাহযোগ্যা অবিবাহিত মেয়েদের নিয়ে সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।
    উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্র:
    • পটভূমি: তৎকালীন গ্রামীণ হিন্দু সমাজের প্রেক্ষাপট।
    • মূল চরিত্র: জ্ঞানদা (গেনি) নামের একটি মেয়ে, যার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে অথচ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে বিয়ে হচ্ছে না।
    • সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি: সমাজে জ্ঞানদাকে ‘অরক্ষণীয়া’ (যার রক্ষণাবেক্ষণ বা বিবাহ না হলে সমাজে বদনাম হয়) হিসেবে গণ্য করা হয়।
    • মানবিক টানাপোড়েন: জ্ঞানদার মা দুর্গামণি এবং আত্মীয়-স্বজনদের সামাজিক গঞ্জনা, আর্থিক অভাব এবং জ্ঞানদার নিজের মনের অবস্থা ও অতুল নামের এক যুবকের সাথে তার প্রেমের জটিল সমীকরণ উপন্যাসের মূল আকর্ষণ।
    120.00৳ 200.00৳ 
  • অর্জুন সমগ্র ৪ (হার্ডকভার)

    অর্জুন সমগ্র ৪ (হার্ডকভার)

    সূচীপত্র:

    ১. অর্জুন এবার কলকাতায়,
    ২. জয়ন্তীর জঙ্গলে,
    ৩. শমননন্দন যমনন্দন,
    ৪. তিন জালিয়াত এবং এক মিথ্যেবাদী,
    ৫. ঘুমঘুমের সেনবাড়ি

    গল্প:
    ৬. আমি অর্জুন
    ৭. অর্জুন হতভম্ভ
    ৮. অর্জুন ও অদিতি
    ৯. বেরসিক অর্জুন

     

    1,400.00৳ 1,600.00৳ 
  • অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অশনি-সংকেত’ বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য ক্লাসিক উপন্যাস , যা ১৯৪৩-৪৪ সালের (বাংলা ১৩৫০) ভয়াবহ পঞ্চাশের মন্বন্তরের নির্মম পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসে মানুষের অবক্ষয়, ক্ষুধা এবং গ্রামীণ জীবনের করুণ চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
    উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ও দিকগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
    মূল প্রেক্ষাপট
    • পটভূমি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের খাদ্য মজুতদারি এবং নীতির কারণে সৃষ্ট বাংলায় কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ।
    • প্রভাব: গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন কীভাবে ধীরে ধীরে অভাব, অনাহার ও মহামারীর দিকে ধাবিত হয়েছিল, তারই মর্মস্পর্শী বিবরণ।
    150.00৳ 250.00৳ 
  • আট কুঠুরি নয় দরজা (হার্ডকভার) মৌলিক থ্রিলার

    আট কুঠুরি নয় দরজা (হার্ডকভার) মৌলিক থ্রিলার

    সমরেশ মজুমদার

    ‘আট কুঠুরি নয় দরজা’ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা একটি দুর্দান্ত মৌলিক রাজনৈতিক থ্রিলার। একনায়কতন্ত্রী শাসকের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিপ্লবী দলের নেতা ‘আকাসলাল’ ও তার সঙ্গীদের রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ড এবং মৃত্যুকে জয় করে ফিরে আসার অবিশ্বাস্য গল্প নিয়ে এই উপন্যাসটি রচিত।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • বইয়ের ধরন: মৌলিক থ্রিলার, রাজনৈতিক উপন্যাস
    • প্রথম প্রকাশ: ১৯৯৩ (আনন্দ পাবলিশার্স)
    • কভারের ধরন: হার্ডকভার ও পেপারব্যাক উভয় ভার্সনই পাওয়া যায়
    • কাহিনির সারসংক্ষেপ: ভারতবর্ষের কাছের এক পাহাড়ি রাজ্যের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে গিয়ে আকাশলাল ও তার দলবল ধরা পড়ে। পুলিশি হেফাজতে আকাশলালের রহস্যজনক মৃত্যুর পর তাকে চুপিসারে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন পর সেই অমর বিপ্লবী আকাশলাল ফিরে আসে। ‘আট কুঠুরি ও নয় দরজা’র কী সেই অনন্য রহস্য যার সাহায্যে সে মৃত্যুকে জয় করে, তা নিয়েই শুরু হয় টানটান উত্তেজনা।
    700.00৳ 800.00৳ 
  • আদর্শ হিন্দু হোটেল (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    আদর্শ হিন্দু হোটেল (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’ রাণাঘাটের প্রেক্ষাপটে লেখা।
    • প্রকাশক ও সংস্করণ: বিভিন্ন প্রকাশনী (যেমন: সতীর্থ প্রকাশনা, প্রিয়মুখ) থেকে নিয়মিত এর পেপারব্যাক সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
    • গল্প সংক্ষেপ: উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হাজারী ঠাকুর, যিনি অভাবের তাড়নায় রাণাঘাটের এক হিন্দু হোটেলে রাঁধুনির কাজ করতেন। তার সততা, রান্নার অসাধারণ গুণ এবং নিজের একটি হোটেল দেওয়ার স্বপ্নকে কেন্দ্র করেই গল্পটি এগিয়ে যায়।
    175.00৳ 350.00৳ 
  • আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    আম আঁটির ভেঁপু হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী কিশোর উপন্যাস। এটি মূলত তাঁর অমর সৃষ্টি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের ছোটদের উপযোগী একটি সংস্করণ।
    নিচে বইটির সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয় বিবরণ দেওয়া হলো:
    • মূল চরিত্র: নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের দুই ভাই-বোন অপু (অপূর্বকুমার) ও দুর্গা
    • কাহিনী সংক্ষেপ: গ্রামের সাদামাটা পরিবেশে বেড়ে ওঠা অপু ও দুর্গার দুরন্ত শৈশব, তাদের ছোট ছোট আনন্দ-বেদনা, প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা এবং গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। ভাইবোনের গভীর ভালোবাসা ও তাদের তৈরি করা নানা খেলনার গল্প এই উপন্যাসের প্রাণ।
    • নামকরণ: উপন্যাসের একটি অংশে দুর্গা আম আঁটি দিয়ে ভেঁপু বা বাঁশি বানিয়ে অপু ও তার সঙ্গীদের সাথে খেলে, যার নামানুসারে বইটির নামকরণ করা হয়েছে।
    • চলচ্চিত্র: এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করেই প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণ করেছিলেন।
    150.00৳ 200.00৳ 
  • আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    আমার ছেলেবেলা — ম্যাক্সিম গোর্কি

    বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির আত্মজীবনীমূলক ত্রয়ী (trilogy)-এর প্রথম খণ্ড হলো ‘আমার ছেলেবেলা’ (My Childhood)। ১৯১৩ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে ১৯ শতকের রাশিয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র, দারিদ্র্য এবং তৎকালীন অমানবিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা এক অনাথ শিশুর মর্মস্পর্শী কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
    ‘আমার ছেলেবেলা’ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্রসমূহ:
    • পটভূমি: গোর্কির বাবার মৃত্যুর পর পাঁচ বছর বয়সী অনাথ বালক আলিওশাকে (গোর্কির ডাকনাম) তার নানা-নানির কাছে নিঝিন নভগোরোদ (Nizhny Novgorod) শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
    • নিষ্ঠুর নানা: নানা পেশকভ ছিলেন একজন চরম বদরাগী ও অত্যাচারী মানুষ, যিনি কথায় কথায় শিশুদের নির্মমভাবে মারধর করতেন।
    • স্নেহময়ী নানি: নানির চরিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, গল্প বলার জাদুকর এবং আলিওশার জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু ও আশ্রয়।
    • কঠোর বাস্তবতা: পরিবারের অভ্যন্তরীণ নিষ্ঠুরতা, আশেপাশের নোংরা পরিবেশ, দারিদ্র্য এবং শ্রমিকদের শ্রমজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা আলিওশার কোমল মনে গভীর দাগ কাটে।
    • চরিত্র গঠন: এত সব প্রতিকূলতার মাঝেও আলিওশার ভেতরে সত্য ও সুন্দরের প্রতি ভালোবাসা, কৌতূহল এবং প্রবল আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে ওঠে। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন।
    190.00৳ 300.00৳ 
  • আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    “আরণ্যক” বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনবদ্য চিরায়ত উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মূলত বিহারের পূর্ণিয়া ও ভাগলপুর জেলার গহীন অরণ্য এবং তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পটভূমিতে কথকের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ফুটে উঠেছে।
    উপন্যাসটির মূল আকর্ষণ ও বিষয়বস্তু নিচে তুলে ধরা হলো:
    📖 মূল বিষয়বস্তু
    • প্রেক্ষাপট: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সত্যচরণ কলকাতার এক বেকার যুবক, যিনি জীবিকার তাগিদে বিহারের গহীন অরণ্যবেষ্টিত লবটুলিয়া অঞ্চলের জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন।
    • প্রকৃতির রূপ: কংক্রিটের শহরের যান্ত্রিক জীবনের বিপরীতে বনের আদিম রূপ, বুনো ফুল, পাখি, এবং নিস্তব্ধ রাতের রহস্যময় সৌন্দর্য উপন্যাসটিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
    • মানবিকতা: অরণ্যের কোলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রান্তিক ও আদিবাসী মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
    200.00৳ 400.00৳ 
  • ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ইছামতি ইছামতি —বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘ইছামতি’ বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ও অন্যতম সেরা উপন্যাস । ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমি গড়ে উঠেছে নদীয়া ও যশোর (বর্তমান ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা) অঞ্চলের ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করে । ১৯ শতকের নীলবিদ্রোহের পটভূমিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও শোষণ-উত্থানের মর্মন্তুদ ইতিহাস এতে বিধৃত হয়েছে
    ইছামতি উপন্যাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
    • মূল প্রেক্ষাপট: নদী তীরবর্তী বারাকপুর ও নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের মানুষের যাপিত জীবন এবং নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয় সাধারণ মানুষের রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস ।
    • মূল চরিত্র: ভবানী, তিলু, রামকানাই, নীলমণি সমাদ্দার এবং কুখ্যাত নীলকর রাইলি।
    • মূল বার্তা: নিসর্গ প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের অদম্য প্রাণশক্তির এক অপূর্ব সমন্বয়।
    • প্রাপ্তি: এই উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’-এ ভূষিত করা হয় ।
    250.00৳ 400.00৳ 
  • ইতিকথার পরের কথা –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    ইতিকথার পরের কথা –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইতিকথার পরের কথা’ উপন্যাসে ‘৪৭-এর দেশভাগের পরের প্রেক্ষাপট, মার্কসীয় অর্থনৈতিক চিন্তা এবং সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে। একটি ছোট কারখানা ও শ্রমিক বসতিকে কেন্দ্র করে এখানকার গল্প আবর্তিত হয়।

    175.00৳ 350.00৳ 
  • ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ভাগ্যবিপর্যয়, প্রেম এবং আত্মপরিচয় উদ্ধারের মতো চমৎকার সব বিষয়বস্তুর বুননে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
     কাহিনি সংক্ষেপ
    • সূচনা: গল্পের নায়িকা ইন্দিরা বুদ্ধিমতী ও অভিজাত পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বামীর পরিবার দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে অনেকদিন গোপন রাখা হয় এবং বাবার বাড়িতেই তাকে রাখা হয়।
    • দুর্ঘটনা: একদিন বাবা তাকে লুকিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে কালাদীঘির নামক স্থানে ডাকাতদের কবলে পড়ে সব হারিয়ে তিনি অনাথ হয়ে যান।
    • নতুন পরিচয়: ডাকাতদের কবল থেকে কোনোমতে পালিয়ে তিনি তার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় বা ধনীর বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরিচারিকার ছদ্মবেশে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রূপের গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেন।
    • পরিণতি: একসময় স্বামীর সাথে তার পরিচয় ও পুনর্মিলন ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আসল পরিচয় এবং স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পান।
    150.00৳ 200.00৳ 

Main Menu