• কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ব্যক্তিধর্মী প্রবন্ধ-সংকলন।বইটির প্রথম সংস্করণ ১৮৭৫ সালে কমলাকান্তের দপ্তর, প্রথম ভাগ নামে প্রকাশিত হয়।১৮৮৫ সালে (১২৯২ বঙ্গাব্দ) “কমলাকান্তের দপ্তর” (মোট ১৪টি প্রবন্ধ, তন্মধ্যে ১১টি বঙ্কিমচন্দ্রের), “কমলাকান্তের পত্র” (পাঁচটি প্রবন্ধ) ও “কমলাকান্তের জোবানবন্দী” – এই তিনটি অংশ একত্রে কমলাকান্ত নামক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। আফিঙখোর ব্রাহ্মণ কমলাকান্তের জবানিতে লেখক তথ্য ও যুক্তিবিনির্ভর সমাজ, ধর্ম ও রাষ্ট্রতত্ত্ব বর্ণনা করেছেন। গ্রন্থটিকে বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা বলে অভিহিত করা হয়।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • কলাবতী সমগ্র (হার্ডকভার) মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র (হার্ডকভার)

    মতি নন্দী

    বই এর শেষ ফ্লাপ

    এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে
    কলাবতীর দেখা শোনা
    ভূতের বাসায় কলাবতী
    কলাবতী ও খয়েরি
    কলাবতী, অপুর মা ও পঞ্চ
    কলাবতী ও মিলেনিয়াম ম্যাচ

    কলাবতীর  শক্তিশেল

    1,150.00৳ 1,400.00৳ 
  • কলিকাতায় নবকুমার সম্পূর্ণ (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    কলিকাতায় নবকুমার সম্পূর্ণ (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদার

    ‘কলিকাতায় নবকুমার সম্পূর্ণ’ (হার্ডকভার) বঙ্কিম পুরস্কার বিজয়ী কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। তিনটি খণ্ড—’কলিকাতায় নবকুমার’, ‘ক্যালকাটায় নবকুমার’ এবং ‘ফিল্মস্টার নবকুমার’ একত্রিত করে সম্পূর্ণ উপন্যাসটি একটি বইয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।
    📖 উপন্যাসের সংক্ষিপ্তসার
    উপন্যাসটির মূল চরিত্র গ্রামের সরল ও সৎ ছেলে নবকুমার। ভাগ্যের অন্বেষণে সে কলকাতায় প্রবেশ করে এবং সোনাগাছির মতো লালপল্লী, চিৎপুরের যাত্রাদল ও পরিশেষে চলচ্চিত্র জগতের গ্ল্যামারাস দুনিয়ার সাথে জড়িয়ে পড়ে। সততা ও আদর্শের সাথে শহুরে জীবনের এই চমকপ্রদ ও জটিল দ্বন্দ্ব নিয়েই ত্রয়ী উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে।
    1,150.00৳ 1,300.00৳ 
  • কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    “কাঁদো নদী কাঁদো” বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক ও চেতনাপ্রবাহরীতির উপন্যাস, যা ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়।
    উপন্যাসটির মূল কেন্দ্রবিন্দু ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
    মূল উপজীব্য
    উপন্যাসটির পটভূমি গড়ে উঠেছে বাকাল (বা কুসুমডাঙ্গা) নামের একটি মৃতপ্রায় নদী ও এর তীরবর্তী জনপদের মানুষের দুর্ভোগ ঘিরে। নদী শুকিয়ে চর জেগে ওঠার ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকায় যে বিপর্যয় নেমে আসে, তার সাথে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও মানসিক সংকটের এক শৈল্পিক মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে।
    প্রধান চরিত্র
    • মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম): কুমুরডাঙ্গা বা কুসুমডাঙ্গার মহকুমা হাকিম। তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
    • অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে—খালেক, আক্কাস ও কুসুমডাঙ্গার সাধারণ মানুষ, যারা নদীর মৃত্যুতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত।
    গঠনশৈলী ও শিল্পরূপ
    • চেতনাপ্রবাহ (Stream of Consciousness): লেখকের পরিণত শিল্পচেতনার স্বাক্ষরবাহী এই উপন্যাসে ঘটনাপ্রবাহের চেয়ে চরিত্রের অবচেতন মনের ভাবনা, স্মৃতি ও দ্বন্দ্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
    • প্রতীকী রূপ: মৃতপ্রায় নদীটি কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং সমাজ ও মানুষের অবক্ষয়, স্থবিরতা এবং অস্তিত্বের সংকটের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে।
    • আঙ্গিক: আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এটি সম্পূর্ণ দেশজ সংস্কৃতির আবহে রচিত।
    ২০১৫ সালে ওসামান জামাল ইংরেজিতে “Cry River Cry” শিরোনামে বইটির অনুবাদ করেন।
    আপনি কি “কাঁদো নদী কাঁদো” উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম)-এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুনতে চান?
    200.00৳ 267.00৳ 
  • কালপুরুষ (হার্ডকভার)

    কালপুরুষ (হার্ডকভার)

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত উপন্যাস ‘কালপুরুষ’ (হার্ডকভার)
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • কালবেলা’-র মূল চরিত্র অনিমেষের পুত্র ‘অর্ক’ (সূর্য)-কে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের গল্প আবর্তিত। সত্তর দশকের অগ্নিস্রাবী রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বড় হওয়া অর্ক তার মা মাধবীলতার দৃঢ়তা ও বাবার আদর্শবাদের সংমিশ্রণে এক ভিন্ন মানসিকতার অধিকারী। ক্ষমতালোভী রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার যূপকাষ্ঠে নিষ্পেষিত মানুষকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখানো এবং চিরকালীন মানবতার আহ্বানের এক মর্মস্পর্শী প্রতিচ্ছবি হলো ‘কালপুরুষ’
    650.00৳ 780.00৳ 
  • কালবেলা (হার্ডকভার)

    কালবেলা (হার্ডকভার)

    লেখক সমরেশ মজুমদার

    কালবেলা ভারতীয় কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার লিখিত একটি উপন্যাস যা ১৯৮১-৮২ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রথম ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে এ উপন্যাসের জন্য লেখক বিখ্যাত আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।এই উপন্যাসটি একটি গল্পত্রয়ীর অংশ; এ ত্রয়ীর অন্য দুটি উপন্যাসের নাম উত্তরাধিকার এবং কালপুরুষ। গল্পত্রয়ীর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো যুবক অনিমেষ যে ১৯৭০-এ প্রথমার্দ্ধে নকশালবাড়ি আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নির্যাতিত হয়। অমানুষিক নির্যাতন তাকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দেয়। অনিমেষের জীবনের চড়াই-উৎরাই, উত্থান-পতনের কাহিনী ঘিরে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক এবং সামাজিক চিত্রের একটি নিখুঁত চিত্র এই উপন্যাসচক্রে প্রতিফলিত হয়েছে।

    550.00৳ 680.00৳ 
  • কুরআন ও বিজ্ঞান

    কুরআন ও বিজ্ঞান

    লেখক: প্রফেসর মুহাম্মদ হামিদুর রহমান 
    প্রকাশনী :মাকতাবাতুল ফুরকান
    বিষয় : কুরআন বিষয়ক আলোচনা
    কুরআন শরীফ বিজ্ঞানের গ্রন্থ নয়।…আমি তাে বিজ্ঞানীও নই, আলেমও নই। আমি একজন সাধারণ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার।…ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর প্রথম আট বছর প্রাইভেট চাকুরী করেছি। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াচ্ছি। কাজেই ইসলামের উপর গবেষণা তাে বহু দুরের কথা, আমার আরবী ভাষার উপরও যথেষ্ট পরিমাণ বুৎপত্তি নেই। মােটামুটি একটু আরবী বুঝি আলেমদের সংসর্গের কারণে। কাজেই যখন বিজ্ঞানের উপর কথা বলার কথা হয়, তখন যােগ্যতার মাপকাঠিতে আসলে আমার কথা বলা উচিৎ নয়। বিজ্ঞান আমি কতটুকুই বা জানি! কুরআনের উপর কথা বলাও ঠিক নয়। তা হলে আমি কথা বলতে এসেছি কেন? আমি কেবল আমার। দ্বীনি অনুভূতি ব্যক্ত করতে এসেছি। বিজ্ঞানের অত্যাধুনিক ছাত্র হলাম আমরা। এটিকে সামনে রেখে কুরআনের দিকে তাকালে যা দেখতে পাই, সেই অনুভূতির উপর আমি আপনাদের সামনে দু’চারটা কথা বলব।”
    230.00৳ 240.00৳ 
  • কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।

    উপন্যাসটির নাম কৃষ্ণকান্তের উইল হলেও, তিনি এখানে মুখ্য চরিত্র না। আসলে এরকম উপন্যাসে বাহ্যিক বিচরণগুলো দেখিয়ে মূলটাকে লুকিয়ে রাখা হয়। এখানে, মুখ্যচরিত্র কে তা বলা মুশকিল। আসলে কেউই আলাদাভাবে এখানে মুখ্য নয়।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • গর্ভধারিণী (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদারের সুপরিচিত উপন্যাস ‘গর্ভধারিণী’ হলো সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের এক চমৎকার গল্প।  অসম অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় হওয়া চার বন্ধু (আনন্দ, কল্যাণ, সুদীপ এবং জয়িতা)-কে ঘিরে এর মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।
    বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
    • লেখকের ধরন: সমকালীন উপন্যাস
    • কাহিনির সারসংক্ষেপ: দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে চার তরুণ-তরুণীকে আত্মগোপনে হিমালয়ের এক পাহাড়ি গ্রামে যেতে হয়। সেখানে একমাত্র নারী চরিত্র জয়িতার বিচিত্র আত্মত্যাগ, সাধনা এবং একটি নতুন সমাজ গড়ার স্বপ্নকে কেন্দ্র করে গল্পটি এগিয়ে যায়।
    • মূল থিম: সামন্তবাদী সমাজ থেকে সাম্যবাদী পৃথিবীর স্বপ্ন এবং অশিক্ষা ও সংস্কারমুক্ত নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার উপলব্ধি।
    650.00৳ 780.00৳ 
  • গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক) সমরেশ মজুমদার

    গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক)

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক বই ‘গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩’। এই বইটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার সাবলীল বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • বইয়ের ধরন: আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    • সংস্করণ: পেপারব্যাক
    • প্রকাশক: সাহিত্যম
    350.00৳ 400.00৳ 
  • গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা। এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম।[] এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসে মুক্তি, সর্বজনীনতা, ভ্রাতৃত্ব, লিঙ্গ, নারীবাদ, বর্ণ, শ্রেণি, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতা, নগর অভিজাত বনাম গ্রামীণ কৃষক, ঔপনিবেশিক শাসন, জাতীয়তাবাদ এবং ব্রাহ্মসমাজ  নিয়ে লেখা রয়েছে।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হিসেবে চোখে পরে – গোরা।

    400.00৳ 530.00৳ 
  • ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?

    পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।

    তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.

    200.00৳ 267.00৳ 

Main Menu