• গর্ভধারিণী (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদারের সুপরিচিত উপন্যাস ‘গর্ভধারিণী’ হলো সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের এক চমৎকার গল্প।  অসম অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় হওয়া চার বন্ধু (আনন্দ, কল্যাণ, সুদীপ এবং জয়িতা)-কে ঘিরে এর মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।
    বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
    • লেখকের ধরন: সমকালীন উপন্যাস
    • কাহিনির সারসংক্ষেপ: দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে চার তরুণ-তরুণীকে আত্মগোপনে হিমালয়ের এক পাহাড়ি গ্রামে যেতে হয়। সেখানে একমাত্র নারী চরিত্র জয়িতার বিচিত্র আত্মত্যাগ, সাধনা এবং একটি নতুন সমাজ গড়ার স্বপ্নকে কেন্দ্র করে গল্পটি এগিয়ে যায়।
    • মূল থিম: সামন্তবাদী সমাজ থেকে সাম্যবাদী পৃথিবীর স্বপ্ন এবং অশিক্ষা ও সংস্কারমুক্ত নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার উপলব্ধি।
    650.00৳ 780.00৳ 
  • গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক) সমরেশ মজুমদার

    গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক)

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক বই ‘গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩’। এই বইটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার সাবলীল বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • বইয়ের ধরন: আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    • সংস্করণ: পেপারব্যাক
    • প্রকাশক: সাহিত্যম
    350.00৳ 400.00৳ 
  • গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘গৃহদাহ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস。 এটি মূলত প্রেম, বিবাহ, সমাজপ্রথা এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত একটি আবেগঘন ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজেডি。
    উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র
    উপন্যাসটির মূল ভিত্তি হলো তিনটি প্রধান চরিত্রের জীবনের টানাপোড়েন:
    • মহিম: আদর্শবাদী ও শান্ত স্বভাবের এক গোঁড়া হিন্দু ব্রাহ্মণ。
    • অচলা: আধুনিক মনস্ক, কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এক তরুণী, যার সাথে মহিমের বিবাহ হয়。
    • সুরেশ: মহিমের বাল্যবন্ধু, যিনি উচ্ছল ও আবেগপ্রবণ এবং অচলার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট。
    মূল কাহিনি সংক্ষেপ
    মহিমের উদারতার সুযোগ নিয়ে তার বন্ধু সুরেশ মহিমের স্ত্রী অচলার সান্নিধ্যে আসে。 সুরেশের আবেগ ও অতি-মনোযোগ একসময় অচলার মনেও দোলা দেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এক সময় সুরেশ ও অচলাকে সমাজ ও পরিস্থিতির চাপে ঘর ছাড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও অচলা তার স্বামী মহিমের প্রতি আজীবন এক গভীর টান ও অনুশোচনা অনুভব করে, যা তাদের তিনজনের জীবনকেই চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দেয়।
    উপন্যাসের মূলভাব
    • মানবিক সম্পর্কের জটিলতা: সমাজ, ধর্ম এবং সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে মানুষের মনের আবেগ ও ভালোবাসা কীভাবে জীবনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়, তা ফুটে উঠেছে।
    • দোটানা: নারীমনের স্বাধীনতা এবং সনাতন সমাজব্যবস্থার মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    220.00৳ 350.00৳ 
  • গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা। এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম।[] এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসে মুক্তি, সর্বজনীনতা, ভ্রাতৃত্ব, লিঙ্গ, নারীবাদ, বর্ণ, শ্রেণি, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতা, নগর অভিজাত বনাম গ্রামীণ কৃষক, ঔপনিবেশিক শাসন, জাতীয়তাবাদ এবং ব্রাহ্মসমাজ  নিয়ে লেখা রয়েছে।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হিসেবে চোখে পরে – গোরা।

    400.00৳ 530.00৳ 
  • ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?

    পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।

    তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.

    200.00৳ 267.00৳ 
  • চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

    তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।

    350.00৳ 670.00৳ 
  • চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    এই উপন্যাসটির বেশির ভাগ ফ্রান্সের আলপ্‌স্ পর্বত অঞ্চলে পাইন-ফার-এলম গাছ পরিবেষ্টিত ইউরিয়াজ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামে লেখা হয়। মঁসিয় পিয়ের তিবো এবং মাদাম ঈভন তিবোকে তাঁদের সহৃদয় আতিথ্যের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

    চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

    চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি চমৎকার উপন্যাস, যারা সাদাকালো চলচ্চিত্রের যুগে উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখে মুগ্ধ হতেন তারা এ উপন্যাস পড়লেই বুঝবেন এই গল্প নিয়েও কিরকম একটি দুর্দান্ত চলচ্চিত্র তৈরি করা যেতো, উপন্যাসের লেখনিতে ঘটনা প্রবাহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো গল্পকে উপস্থাপিত করে। লেখক এখানে সেই সময়ের সামাজিক সমস্যা, মুল্যবোধ এবং পরিবর্তনশীল অবস্থা আমাদের সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করেছেন।

    আধুনিক প্রজন্মের অনেকের কাছে এই উপন্যাস ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটি একটি অমিলনান্তক প্রেমের উপন্যাস, যাতে একদিকে একটি তথাকথিত আধুনিক মেয়ের সামনে একটি অতি সাধারণ অথচ সৎ এবং অসামান্য ব্যক্তিত্ব পূর্ণ পুরুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। অপর দিকে একটি ভীষণ রক্ষণশীল অথচ আধুনিকা মীরাকেও উপস্থাপিত করেছেন (এমন বলছি কারণ মনের দিক থেকে ভীষণ রক্ষণশীল হলেও মীরা উচ্চশিক্ষিত এবং গাড়ি চালাতে জানে, তবে সে যেহেতু প্রাচীন সংস্কার কাটিয়ে উঠতে পারেনি তাই তাকে আধুনিকা বলাটাও যুক্তিযুক্ত কিনা সেটা ভাবা দরকার, অপর দিকে তপতী যে উচ্চশিক্ষিতা হয়েও আত্ম-অহমিকায় প্রায় অন্ধ, তাকেও আদতে আধুনিকা বলা যায় কিনা তা নিয়েও বিতর্ক হতে পারে), এছাড়া এখানে লেখক একজন সন্তান স্নেহ কাতর পিতা কেও সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করতে পেরেছেন।

    130.00৳ 250.00৳ 
  • জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বাংলা কথাসাহিত্যে যে ক’জন লেখকের হাতে সাহিত্য জগতে নতুন বৈপ্লবিক ধারার সূচনা হয়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডাকনাম মানিক। ডাকনামের সার্থকতা রক্ষা করেতেই হয়তো তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল, দুর্লভ ও দুর্মূল্য মানিক হিসেবেই পরিগণিত।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।

  • তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ  রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার) নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়

    তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার)

    লেখক :  নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়

    ভালোবাসারই কাহিনি তিনরকম। বাহির থেকে অন্তরে। পরিধি থেকে কেন্দ্রে। ‘নিরুপম রাজধানী’ বিবৃতিধর্মী বৃত্তান্ত, দিল্লির সরকারি দপ্তর, দু-তিনটি পরিবারের অনুষঙ্গে জড়ানো এক নবীন যুবার চলাচল-অনুপম অভিজ্ঞতাবলীর নিরিখে যৌবনযাপনের কথা। ছবি, কবিতা, সংস্কৃতি-জগতের প্রসঙ্গও এসেছে। ‘তোমার কাছেই ফিরে আসব’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও পাওলো কোয়েলহোর দর্শন অনুপ্রাণিত। আদ্যন্ত কল্পবিজ্ঞান আবহে একরকম রূপকথা। উপলবন্ধুর ঘটনাস্রোতে এক আশ্চর্য যাত্রাপথ, পৃথিবীর বাইরে চলে যাওয়া মানুষরা যেখানে প্রজন্মান্তরে পুনর্বার পরিচিত পৃথিবীতে ফিরে আসছে। মহামারিতে, যুদ্ধে, ভূমিকম্পে জলোচ্ছাসে পুরোনো পৃথিবী মানুষের বসবাসের যোগ্য ছিল না আর। উপগ্রহ-উপনিবেশেও মানুষের মধ্যে সেই লোভ, হিংসা, আধিপত্যবিলাস, অমরত্ববাসনা- তবু সব ছাপিয়ে জিতে যায় ছোটোবেলার ভালোবাসাবাসি, যে মাটিতে চোখ মেলে প্রথম আকাশ দেখা, সেই শাশ্বত শিকড়ে ফেরার আনন্দযাত্রা। ‘কাল একাদশী’ ও অস্তিত্বের শিকড় স্পর্শ বাসনায় বাস্তব ও পরাবাস্তব জীবনের নানান ঘটনাবলি চিহ্নিত করতে করতে হালকাচালে চলে, কখনও তার গতি থ্রিলারধর্মী, কখনও আমিষ আধিভৌতিক-আসলে আত্মদীপেরই অনুসন্ধান, আনুষঙ্গিক আঁধার পেরিয়ে। স্বপ্ন-কবিতা-কল্পনা-ছবি অতিক্রম করে, বিষয় শুধু মানুষ আর মানুষ।

    630.00৳ 720.00৳ 

Main Menu