• Liquid kiwi shoe polish

    KIWI SHOE SHINE

    • Easy-to-use product safely cleans and shines leather
    • Apply to smooth leather including boots, shoes, saddles and more
    • Restores new life to old, hard leather
    • Gives products a sparkling, alluring wax finish without buffing
    200.00৳ 220.00৳ 

    Liquid kiwi shoe polish

    200.00৳ 220.00৳  Add to cart
  • Havit MS80 Optical USB Mouse

    Havit MS80 Optical USB Mouse

    • Interface Type: USB
    • Size: 105*66.7*37mm
    • Key number: 3
    • Resolution: 1200DPI
    • voltage: 5.0V
    • Key life: 3,000,000 times
    • Cable length: 1.35m
    200.00৳ 250.00৳ 
  • HAVIT MS851 USB Wired Optical Mouse

    HAVIT MS851 USB Wired Optical Mouse

    Havit MS851 Optical USB Mouse.

     

    • Brand : Havit
    • Model : MS851
    • Interface Type : USB
    • Key number : 3
    • Resolution : 1000DPI
    • Operating Voltage: 5V
    • Key Life : 3,000,000 times
    • Size : 100*60*38mm
    • Cable Length : 1.35m
    200.00৳ 250.00৳ 
  • SMC Smile Baby Wipes 80 Pieces

    • SMC Smile Baby Wipes 80 Pieces.
    • Product Type: Baby Wipes.
    • Quantity: 80 Pieces Pack.
    • German Technology.
    • Natural & Extra Soft.
    • A good quality product.
  • আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    “আরণ্যক” বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনবদ্য চিরায়ত উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মূলত বিহারের পূর্ণিয়া ও ভাগলপুর জেলার গহীন অরণ্য এবং তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পটভূমিতে কথকের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ফুটে উঠেছে।
    উপন্যাসটির মূল আকর্ষণ ও বিষয়বস্তু নিচে তুলে ধরা হলো:
    📖 মূল বিষয়বস্তু
    • প্রেক্ষাপট: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সত্যচরণ কলকাতার এক বেকার যুবক, যিনি জীবিকার তাগিদে বিহারের গহীন অরণ্যবেষ্টিত লবটুলিয়া অঞ্চলের জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন।
    • প্রকৃতির রূপ: কংক্রিটের শহরের যান্ত্রিক জীবনের বিপরীতে বনের আদিম রূপ, বুনো ফুল, পাখি, এবং নিস্তব্ধ রাতের রহস্যময় সৌন্দর্য উপন্যাসটিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
    • মানবিকতা: অরণ্যের কোলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রান্তিক ও আদিবাসী মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
    200.00৳ 400.00৳ 
  • ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?

    পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।

    তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.

    200.00৳ 267.00৳ 
  • কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    “কাঁদো নদী কাঁদো” বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক ও চেতনাপ্রবাহরীতির উপন্যাস, যা ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়।
    উপন্যাসটির মূল কেন্দ্রবিন্দু ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
    মূল উপজীব্য
    উপন্যাসটির পটভূমি গড়ে উঠেছে বাকাল (বা কুসুমডাঙ্গা) নামের একটি মৃতপ্রায় নদী ও এর তীরবর্তী জনপদের মানুষের দুর্ভোগ ঘিরে। নদী শুকিয়ে চর জেগে ওঠার ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকায় যে বিপর্যয় নেমে আসে, তার সাথে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও মানসিক সংকটের এক শৈল্পিক মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে।
    প্রধান চরিত্র
    • মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম): কুমুরডাঙ্গা বা কুসুমডাঙ্গার মহকুমা হাকিম। তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
    • অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে—খালেক, আক্কাস ও কুসুমডাঙ্গার সাধারণ মানুষ, যারা নদীর মৃত্যুতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত।
    গঠনশৈলী ও শিল্পরূপ
    • চেতনাপ্রবাহ (Stream of Consciousness): লেখকের পরিণত শিল্পচেতনার স্বাক্ষরবাহী এই উপন্যাসে ঘটনাপ্রবাহের চেয়ে চরিত্রের অবচেতন মনের ভাবনা, স্মৃতি ও দ্বন্দ্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
    • প্রতীকী রূপ: মৃতপ্রায় নদীটি কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং সমাজ ও মানুষের অবক্ষয়, স্থবিরতা এবং অস্তিত্বের সংকটের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে।
    • আঙ্গিক: আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এটি সম্পূর্ণ দেশজ সংস্কৃতির আবহে রচিত।
    ২০১৫ সালে ওসামান জামাল ইংরেজিতে “Cry River Cry” শিরোনামে বইটির অনুবাদ করেন।
    আপনি কি “কাঁদো নদী কাঁদো” উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম)-এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুনতে চান?
    200.00৳ 267.00৳ 
  • চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    এই উপন্যাসটির বেশির ভাগ ফ্রান্সের আলপ্‌স্ পর্বত অঞ্চলে পাইন-ফার-এলম গাছ পরিবেষ্টিত ইউরিয়াজ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামে লেখা হয়। মঁসিয় পিয়ের তিবো এবং মাদাম ঈভন তিবোকে তাঁদের সহৃদয় আতিথ্যের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • কপালকুন্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কপালকুন্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩)এবং দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরণ করেন মৃন্ময়ী (১৮৭৪)। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।

    200.00৳ 250.00৳ 
  • কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।

    উপন্যাসটির নাম কৃষ্ণকান্তের উইল হলেও, তিনি এখানে মুখ্য চরিত্র না। আসলে এরকম উপন্যাসে বাহ্যিক বিচরণগুলো দেখিয়ে মূলটাকে লুকিয়ে রাখা হয়। এখানে, মুখ্যচরিত্র কে তা বলা মুশকিল। আসলে কেউই আলাদাভাবে এখানে মুখ্য নয়।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বাংলা কথাসাহিত্যে যে ক’জন লেখকের হাতে সাহিত্য জগতে নতুন বৈপ্লবিক ধারার সূচনা হয়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডাকনাম মানিক। ডাকনামের সার্থকতা রক্ষা করেতেই হয়তো তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল, দুর্লভ ও দুর্মূল্য মানিক হিসেবেই পরিগণিত।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    নিশিপদ্ম–বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘নিশিপদ্ম’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি আবেগপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। অনেককাল অপ্রকাশিত থাকার পর এটি পরে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
    বইয়ের মূল প্রেক্ষাপট:
    • পটভূমি: নদী-নৌকাভিত্তিক গ্রামীণ বাংলা।
    • কেন্দ্রীয় চরিত্র: মালতি (উপন্যাস) বা পুষ্প (ছোটগল্প)। সে এক গরিব মাঝির ঘরের মেয়ে।
    • নামকরণ: মালতির অসাধারণ রূপ, স্বভাব ও মমতার জন্য গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে “নিশিপদ্ম” বলে ডাকত।
    • কাহিনী সংক্ষেপ: মালতির জীবন অত্যন্ত সাধারণ হলেও দারিদ্র্য, সামাজিক প্রতিকূলতা এবং নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তার এগিয়ে যাওয়ার গল্পই এই বইয়ের মূল উপজীব্য।
    200.00৳ 300.00৳ 

Main Menu