• কুরআন ও বিজ্ঞান –প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান , মুহাম্মদ আদম আলী (সম্পাদক)

    কুরআন ও বিজ্ঞান –প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান , মুহাম্মদ আদম আলী (সম্পাদক)

    ‘কুরআন ও বিজ্ঞান: প্রফেসর হযরতের বয়ান সংকলন’ হলো প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমানের বিভিন্ন বয়ান বা বক্তব্যের একটি চমৎকার সংকলন। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন মুহাম্মদ আদম আলী।
    এই বইটির মূল বিষয়বস্তু ও বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
    • বইয়ের মূল ভাব: পবিত্র কুরআন শরীফ মূলত কোনো বিজ্ঞানের বই নয়, এটি হলো মানবজাতির জন্য একটি পরিপূর্ণ পথনির্দেশিকা বা হেদায়াতের গ্রন্থ।
    • বিজ্ঞান ও কুরআনের সম্পর্ক: বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে যে, কুরআন বিজ্ঞানের কোনো গ্রন্থ না হলেও এর কোনো বাণী আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার বা সত্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয়, বরং বিজ্ঞানের অনেক সত্যই পবিত্র কুরআনে বহু আগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    • সংকলন পদ্ধতি: লেখক নিজে বিজ্ঞানী বা আলেম হওয়ার দাবি না করলেও তাঁর দেওয়া কুরআন ও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন বয়ান বা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যগুলো গুছিয়ে সম্পাদনা করে বইটির রূপ দিয়েছেন মুহাম্মদ আদম আলী।
    150.00৳ 240.00৳ 
  • কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।

    উপন্যাসটির নাম কৃষ্ণকান্তের উইল হলেও, তিনি এখানে মুখ্য চরিত্র না। আসলে এরকম উপন্যাসে বাহ্যিক বিচরণগুলো দেখিয়ে মূলটাকে লুকিয়ে রাখা হয়। এখানে, মুখ্যচরিত্র কে তা বলা মুশকিল। আসলে কেউই আলাদাভাবে এখানে মুখ্য নয়।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • কৃষ্ণপক্ষ–হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ–হুমায়ূন আহমেদ

    জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী প্রেমের উপন্যাস হলো ‘কৃষ্ণপক্ষ’। অরু ও মুহিব নামের দুই তরুণ-তরুণীর গভীর ভালোবাসা এবং তাদের জীবনের আকস্মিক ট্র্যাজেডি ও নিয়তির নির্মম পরিহাস নিয়ে এই উপন্যাসের মূল কাহিনী গড়ে উঠেছে।
    উপন্যাসের পটভূমি ও কাহিনি
    মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে অরুর বিয়ে ঠিক হয় আবরার নামের এক প্রতিষ্ঠিত ডাক্তারের সাথে। কিন্তু অরু ভালোবাসে মুহিব নামের এক বেকার ছেলেকে। একদিন পরিবারকে না জানিয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে ফেলে। কিন্তু বিয়ের দিনই মুহিব তার দুলাভাইয়ের নির্দেশে চাকরির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এর পরপরই এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মুহিবের মৃত্যু হয়। মুহিবের অকাল মৃত্যুতে অরুর জীবন ওলটপালট হয়ে যায় এবং তার জীবনে চরম শূন্যতা নেমে আসে। প্রিয় মানুষকে হারানোর পর বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়।
    190.00৳ 225.00৳ 
  • কোরআন ও বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা –মুফতী মুহাম্মদ হাবীব ছামদানী

    কোরআন ও বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা –মুফতী মুহাম্মদ হাবীব ছামদানী

    “কোরআন ও বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পর্দা” মুফতী মুহাম্মদ হাবীব ছামদানীর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাদৃত ইসলামি গবেষণাগ্রন্থ। বইটিতে ইসলামি পর্দা বিধানকে কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং আধুনিক চিকিৎসা ও সমাজবিজ্ঞানের আলোকে যৌক্তিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
    বইটির মূল বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:
    • কুরআনের বিধান: কোরআনের সুনির্দিষ্ট আয়াত (যেমন: সূরা আন-নূর ও সূরা আল-আহযাব) ও হাদিসের আলোকে নারীর শালীনতা, পর্দা এবং মাহরাম ও গায়রে-মাহরামের বিধান বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
    • বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শালীনতা: বিজ্ঞান কীভাবে শালীন পোশাককে স্বাস্থ্যসম্মত ও রোগ প্রতিরোধক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তা তুলে ধরা হয়েছে।
    • মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক সুরক্ষা: সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধ, পারিবারিক শান্তি রক্ষা এবং নারী নির্যাতন ও অপরাধ প্রবণতা হ্রাসে পর্দার কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
    150.00৳ 180.00৳ 
  • গর্ভধারিণী (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদারের সুপরিচিত উপন্যাস ‘গর্ভধারিণী’ হলো সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের এক চমৎকার গল্প।  অসম অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় হওয়া চার বন্ধু (আনন্দ, কল্যাণ, সুদীপ এবং জয়িতা)-কে ঘিরে এর মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।
    বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
    • লেখকের ধরন: সমকালীন উপন্যাস
    • কাহিনির সারসংক্ষেপ: দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে চার তরুণ-তরুণীকে আত্মগোপনে হিমালয়ের এক পাহাড়ি গ্রামে যেতে হয়। সেখানে একমাত্র নারী চরিত্র জয়িতার বিচিত্র আত্মত্যাগ, সাধনা এবং একটি নতুন সমাজ গড়ার স্বপ্নকে কেন্দ্র করে গল্পটি এগিয়ে যায়।
    • মূল থিম: সামন্তবাদী সমাজ থেকে সাম্যবাদী পৃথিবীর স্বপ্ন এবং অশিক্ষা ও সংস্কারমুক্ত নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার উপলব্ধি।
    650.00৳ 780.00৳ 
  • গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক) সমরেশ মজুমদার

    গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক)

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক বই ‘গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩’। এই বইটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার সাবলীল বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • বইয়ের ধরন: আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    • সংস্করণ: পেপারব্যাক
    • প্রকাশক: সাহিত্যম
    350.00৳ 400.00৳ 
  • গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    গৃহদাহ — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘গৃহদাহ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস。 এটি মূলত প্রেম, বিবাহ, সমাজপ্রথা এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত একটি আবেগঘন ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজেডি。
    উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র
    উপন্যাসটির মূল ভিত্তি হলো তিনটি প্রধান চরিত্রের জীবনের টানাপোড়েন:
    • মহিম: আদর্শবাদী ও শান্ত স্বভাবের এক গোঁড়া হিন্দু ব্রাহ্মণ。
    • অচলা: আধুনিক মনস্ক, কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এক তরুণী, যার সাথে মহিমের বিবাহ হয়。
    • সুরেশ: মহিমের বাল্যবন্ধু, যিনি উচ্ছল ও আবেগপ্রবণ এবং অচলার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট。
    মূল কাহিনি সংক্ষেপ
    মহিমের উদারতার সুযোগ নিয়ে তার বন্ধু সুরেশ মহিমের স্ত্রী অচলার সান্নিধ্যে আসে。 সুরেশের আবেগ ও অতি-মনোযোগ একসময় অচলার মনেও দোলা দেয়। নিয়তির নির্মম পরিহাসে এক সময় সুরেশ ও অচলাকে সমাজ ও পরিস্থিতির চাপে ঘর ছাড়তে হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও অচলা তার স্বামী মহিমের প্রতি আজীবন এক গভীর টান ও অনুশোচনা অনুভব করে, যা তাদের তিনজনের জীবনকেই চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দেয়।
    উপন্যাসের মূলভাব
    • মানবিক সম্পর্কের জটিলতা: সমাজ, ধর্ম এবং সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে মানুষের মনের আবেগ ও ভালোবাসা কীভাবে জীবনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়, তা ফুটে উঠেছে।
    • দোটানা: নারীমনের স্বাধীনতা এবং সনাতন সমাজব্যবস্থার মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, তা চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    220.00৳ 350.00৳ 
  • গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা। এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম।[] এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসে মুক্তি, সর্বজনীনতা, ভ্রাতৃত্ব, লিঙ্গ, নারীবাদ, বর্ণ, শ্রেণি, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতা, নগর অভিজাত বনাম গ্রামীণ কৃষক, ঔপনিবেশিক শাসন, জাতীয়তাবাদ এবং ব্রাহ্মসমাজ  নিয়ে লেখা রয়েছে।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হিসেবে চোখে পরে – গোরা।

    400.00৳ 530.00৳ 
  • ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?

    পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।

    তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.

    200.00৳ 267.00৳ 
  • চন্দ্র — সাদিয়া খান সুবাসিনী

    চন্দ্র — সাদিয়া খান সুবাসিনী

    জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদিয়া খান সুবাসিনীর লেখা একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস হলো ‘চন্দ্র’। বইটিতে ভালোবাসা ও আসক্তির মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য এবং মানুষের মনের গহীনের আলো-আঁধারের গল্প ফুটে উঠেছে। উপন্যাসটি পাঠকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

    430.00৳ 580.00৳ 
  • চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

    তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।

    350.00৳ 670.00৳ 
  • চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    এই উপন্যাসটির বেশির ভাগ ফ্রান্সের আলপ্‌স্ পর্বত অঞ্চলে পাইন-ফার-এলম গাছ পরিবেষ্টিত ইউরিয়াজ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামে লেখা হয়। মঁসিয় পিয়ের তিবো এবং মাদাম ঈভন তিবোকে তাঁদের সহৃদয় আতিথ্যের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

    200.00৳ 260.00৳ 

Main Menu