- “অরক্ষণীয়া -- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়” already exists in your wishlist
-
তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার) নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়
তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার)
লেখক : নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়
ভালোবাসারই কাহিনি তিনরকম। বাহির থেকে অন্তরে। পরিধি থেকে কেন্দ্রে। ‘নিরুপম রাজধানী’ বিবৃতিধর্মী বৃত্তান্ত, দিল্লির সরকারি দপ্তর, দু-তিনটি পরিবারের অনুষঙ্গে জড়ানো এক নবীন যুবার চলাচল-অনুপম অভিজ্ঞতাবলীর নিরিখে যৌবনযাপনের কথা। ছবি, কবিতা, সংস্কৃতি-জগতের প্রসঙ্গও এসেছে। ‘তোমার কাছেই ফিরে আসব’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও পাওলো কোয়েলহোর দর্শন অনুপ্রাণিত। আদ্যন্ত কল্পবিজ্ঞান আবহে একরকম রূপকথা। উপলবন্ধুর ঘটনাস্রোতে এক আশ্চর্য যাত্রাপথ, পৃথিবীর বাইরে চলে যাওয়া মানুষরা যেখানে প্রজন্মান্তরে পুনর্বার পরিচিত পৃথিবীতে ফিরে আসছে। মহামারিতে, যুদ্ধে, ভূমিকম্পে জলোচ্ছাসে পুরোনো পৃথিবী মানুষের বসবাসের যোগ্য ছিল না আর। উপগ্রহ-উপনিবেশেও মানুষের মধ্যে সেই লোভ, হিংসা, আধিপত্যবিলাস, অমরত্ববাসনা- তবু সব ছাপিয়ে জিতে যায় ছোটোবেলার ভালোবাসাবাসি, যে মাটিতে চোখ মেলে প্রথম আকাশ দেখা, সেই শাশ্বত শিকড়ে ফেরার আনন্দযাত্রা। ‘কাল একাদশী’ ও অস্তিত্বের শিকড় স্পর্শ বাসনায় বাস্তব ও পরাবাস্তব জীবনের নানান ঘটনাবলি চিহ্নিত করতে করতে হালকাচালে চলে, কখনও তার গতি থ্রিলারধর্মী, কখনও আমিষ আধিভৌতিক-আসলে আত্মদীপেরই অনুসন্ধান, আনুষঙ্গিক আঁধার পেরিয়ে। স্বপ্ন-কবিতা-কল্পনা-ছবি অতিক্রম করে, বিষয় শুধু মানুষ আর মানুষ।
630.00৳720.00৳ -
থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস
থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস
আলেকজান্ডার ডুমাসের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস “দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স” (১৮৪৪) দুঃসাহসিক অভিযান, তরবারি যুদ্ধ এবং বন্ধুত্বের এক অবিস্মরণীয় ক্লাসিক।বইটির মূল প্রেক্ষাপট:- চরিত্র: তরুণ দার্তানিয়ঁ এবং অ্যাথোস, পার্থোস ও আরামিস।
- কাহিনী: দার্তানিয়ঁ প্যারিসে এসে মাস্কেটিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এবং রাজার বিশ্বস্ত রক্ষীদের সাথে মিলে রানীর সম্মান রক্ষায় কার্ডিনাল রিশেলিয়ে ও তার চর লেডি ডি উইন্টারের ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করে।
- মূলমন্ত্র: “একের জন্য সবাই, সবার জন্য এক” (All for one, and one for all!)।
150.00৳250.00৳ -
দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বনমালীবাবু গ্রামের বিশাল জমিদার। তার দুই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু জগদীশ মুখুয্যে ও রাসবিহারী, জগদীশ বেশি প্রিয়। বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা বিজয়ার সঙ্গে রাসবিহারী তার পুত্র বিলাসের বিবাহে অত্যন্ত আগ্রহী, কিন্তু বনমালীবাবুর ইচ্ছা অন্যরূপ। তিনি বিজয়ার বিবাহ জগদীশের পুত্র শ্রীমান নরেন্দ্র মুখুয্যে বা নরেনের সাথে দিতে চান। সেজন্য নরেনের বিলেতে ডাক্তারী পড়ার সমস্ত খরচ বহন করেন। বনমালীবাবু ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন, উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে রাসবিহারীও। সেজন্য গ্রামে তাদের একঘরে করার চেষ্টা হয়। গ্রামবাসীর বিরুপ আচরনের জন্য বনমালী কলকাতায় যান এবং কিছুকাল পরে সেখানেই তার অকালমৃত্যু হয়। সেই সুযোগে রাসবিহারী জমিদারীর সমস্ত ভার নেন। বন্ধুবিয়োগে জগদীশও অসুস্থ হন এবং বাস্তুভিটে খানি বন্ধক রেখে জমিদারী থেকে ঋণ নেন। সময়মতো সেই ঋণ শোধ না করার ফলে রাসবিহারী জগদীশের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাকে গৃহচ্যুত করেন। শোকে জগদীশ বাড়ীর ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা্ করে। সেই সময় নরেন বিলেত থেকে ফিরে সেই গ্রামেই এক আত্মীয়ের বাড়ীতে থেকে চিকিৎসা করতে থাকে, গ্রামে তার বিশেষ সুখ্যাতি হয়, চিকিৎসক হিসাবে ও পরোপকারী মানুষ হিসাবেও।
220.00৳350.00৳ -
দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যকৃতি বহতা নদীর মতো। বিচিত্র স্রোতে তা নিয়ত বহমান। প্রবাহের সমগ্রতায় গড়ে উঠেছে বলেই তাঁর সাহিত্য আশ্চর্য ক্লেদহীন! একালের এক অগ্রগণ্য সমালোচক যথার্থই লিখেছেন : “নদীর কোনও ভান নেই—শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ঔপন্যাসিক সত্তাতেও কোনও ভণিতা নেই। এক প্রাণবন্ত শৈশবস্মৃতি, এক যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞান-সংকট এবং শান্ত নিরাসক্ত অবলোকন—সবার উপরে এক সর্বতোসুভদ্র আস্তিক্য তাঁর লেখক-জীবনকে গড়ে তুলেছে।” বাংলা সাহিত্যের বিরল লেখকদের অন্যতম শীর্ষেন্দুর প্রধান শক্তি তাঁর ওই আস্তিক্যবোধ। জীবনের সকল সংশয়ের মধ্যেও তিনি ‘এক অসংশয়িত উত্তরণের কথা’ উচ্চারণ করেন অপার সাহসে। তাই অন্তহীন দিশাহীনতার মাঝখানে দাঁড়িয়েও তিনি সাহসী। এখানে তিনি এক অনন্যস্রষ্টা। তাঁর কাছে আস্তিক্য, জীবন-নিংড়ে-পাওয়া, সুখ-দুঃখের ঝাঁপি। এই ঝাঁপি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছে সময়। শীর্ষেন্দুর যে-কোনও কাহিনীতে দেখি, চতুর্দিকের সমস্ত বিপন্নতা সত্ত্বেও, ‘মনুষ্যত্বের জন্য মানুষের মানবিক উৎকণ্ঠা দুৰ্মর।’ এই মুহুর্তে এক সংক্ষুব্ধ সময়ের মধ্যে দিয়ে জীবনের পারাপার। তবু তারই মধ্যে মানুষের পবিত্র স্বরূপকে তিনি খোঁজেন পরম মমতায়। তিনি বিশ্বাস করেন, কোথাও একটা আশ্রয় আছে, ফেরার জায়গা আছে। একালের অন্যতম এই শ্রেষ্ঠ লেখকের অভিজ্ঞতার ভাঁড়ার নানা রসে পূর্ণ। জীবনের প্রতি কৌতুকস্নিগ্ধ দৃষ্টি তাঁর সবকটি উপন্যাসকে নিয়ে গেছে শিল্পিত উত্তরণের পথে। তাঁর সৃষ্ট চরিত্ররা জানে, তাঁরা জন্ম থেকে বহন করছে মৃত্যুবীজ। এক অবধারিত অন্ধকার সত্ত্বেও কোনও বৈমুখ্য বা বিরূপতা তাদের জীবনযাপনের ছন্দকে ভেঙে দিতে পারেনি।
শৈলী ও নির্মিতিতে শীর্ষেন্দুর আত্মস্থ অথচ অনাসক্ত ভঙ্গি এবং বীক্ষণ বাংলা কথাসাহিত্যে অন্য মাত্রা সংযোজন করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত হচ্ছে লেখকের দশটি উপন্যাস। এই সংকলনে আছে বিভিন্ন সময়ে লেখা এই উপন্যাসগুলি : দিন যায়, বাসস্টপে কেউ নেই, আশ্চর্য ভ্রমণ, লাল নীল মানুষ, নীলু হাজরার হত্যারহস্য, ঘরজামাই, জীবনপাত্র, বাঘু মান্নার বরাত, অসুখের পরে এবং ঋণ। – বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকেসূচিপত্র –
দিন যায়
বাসস্টপে কেউ নেই
আশ্চর্য ভ্রমণ
লাল নীল মানুষ
নীলু হাজরার হত্যারহস্য
ঘরজামাই, জীবনপাত্র
বাঘু মান্নার বরাত
অসুখের পরে
ঋণগ্রন্থপরিচয়
1,750.00৳2,000.00৳ -
দশটি উপন্যাস দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)
দশটি উপন্যাস দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)
দশটি উপন্যাস
* অচিনপুর
* অন্যদিন
* তোমাকে
* দেবী
* আগুনের পরশমনি
* দূরে কোথাও
* আকাশ জোড়া মেঘ
* সাজঘর
* জনম জনম
* কোথাও কেউ নেই800.00৳1,000.00৳ -
দায়বন্ধন (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার
দায়বন্ধন (হার্ডকভার)
সমরেশ মজুমদার
বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা অন্যস্বাদের উপন্যাস ‘দায়বন্ধন’ (হার্ডকভার) । জামশেদপুর থেকে কলকাতায় ভাগ্য বদলাতে আসা এক বেকার তরুণের জীবনের সংকট, সততা ও এক অনাবিষ্কৃত রহস্যময় পৃথিবীর পটভূমিতে গল্পটি রচিত।বইটির সংক্ষিপ্ত তথ্য:- লেখক: সমরেশ মজুমদার
- ধরন: উপন্যাস
- মূল চরিত্র: জয়দীপ (এম.এ. পাশ বেকার যুবক), পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা (দুই বোন)
বইটির প্রেক্ষাপট:
জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে মায়ের সাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকার সাধারণ স্বপ্ন ছিল বেকার যুবক জয়দীপের। কিন্তু সততা বিসর্জন দিয়ে কোনো অন্যায় পথে পা বাড়াতে সে নারাজ। এমন এক ক্রান্তিলগ্নে তার পরিচয় হয় দুই বোন—পত্রলেখা ও স্বাতীলেখার সাথে। জনৈক বিজয় গুপ্তর অবৈধ সন্তান ধারণের কারণে তীব্র সংকটে পড়ে স্বাতীলেখা। তার এই জীবনের জট ছাড়াতে গিয়ে জয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরি শুরু করে এবং তার সামনে উন্মোচিত হয় এক অন্ধকার ও অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা।650.00৳850.00৳ -
দাস পার্টির খোঁজে — হাসান মোরশেদ
দাস পার্টির খোঁজে মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক উপাখ্যান — হাসান মোরশেদ
১৯৭১ সালের ঘটনা। সুনামগঞ্জ জেলা সংলগ্ন ভারতের বালাট অঞ্চলে যুদ্ধবিতাড়িত বাঙালিদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শরণার্থী শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাঙালি শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। তাছাড়া যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণরত কয়েকদল বাঙালি তরুণেরও আশ্রয় মিলেছে এখানে। স্বজনহারাদের আহাজারি ও ত্রস্ত, ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নার আওয়াজে শিবিরের বাতাস এক অদ্ভুত শোকে ভারী হয়ে আছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। শিবিরে দেখা দেয় চরম শৃঙ্খলাহীনতা। এ সময়ে শিবিরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় স্থানীয় খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আগ্রাসনে। সময়-অসময়ে খাসিয়া সন্ত্রাসীরা শরণার্থী শিবিরে হানা দিয়ে চাঁদাবাজি করতে থাকে। এদের হাতে মারধোরের শিকার হতে থাকে অসহায় বাঙালিরা।১
এমন পরিস্থিতিতে উদ্বুদ্ধ হলো এক তরুণ। খাসিয়াদের উচিত শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আরও কয়েকজন তরুণকে নিয়ে একটি দল গড়ে তুললেন। এরপর একদিন সুযোগ বুঝে আক্রমণকারী সন্ত্রাসীদের পাল্টা আঘাত করে বসে তার দল। অপ্রস্তুত খাসিয়া সন্ত্রাসীরা এতে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তার মাঝে কয়েকজন খাসিয়া সেই দলটির হাতে ধরা পড়ে। এদের পাহাড়ি নদীর চরে এনে মেরে ফেলা হলো। খাসিয়ারা সেদিনের পর আর কোনোদিন বাঙালি শিবিরে আক্রমণ করার সাহস করেনি।
এক বাঙালি তরুণের অসীম সাহসিকতায় দমে যায় খাসিয়ারা। সেই তরুণের নাম জগৎজ্যোতি দাস। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন এবং হয়ে উঠেন এক বিশেষ গেরিলা দলের নেতা। তার নামানুসারে এই দলটির নামকরণ করা হয়
350.00৳ -
দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) লেখার সময় [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের] এ-দুটি উপন্যাসের [চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা] কথা মনে রেখেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কল্লোল- গোষ্ঠী শেষের কবিতায় উজ্জীবিত হয়েছিলেন, মানিকও শেষের কবিতা স্মরণে রেখেছিলেন। যে রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে মানিকের বিদ্রোহ, সেই রোমান্টিকতা নানা ছদ্মবেশে তাঁকে পাকে পাকে জড়িয়ে রেখেছিল, তার প্রমাণ দিবারাত্রির কাব্য।
190.00৳267.00৳ -
দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।
210.00৳350.00৳ -
দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্স-উপন্যাস。মুঘল ও পাঠানের দ্বন্দ্বের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো বীরেন্দ্র সিংহ, জগৎসিংহ, তিলোত্তমা এবং আয়েশার ত্রিভুজ প্রেমের গল্প。উপন্যাসটির প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:- লেখক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রকাশকাল: ১৮৬৫ সালের মার্চ
- সাহিত্যিক মর্যাদা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস
- কাহিনী: ঐতিহাসিক রোমান্স ও ত্রিভুজ প্রেম
প্রধান চরিত্রসমূহ:- জগৎসিংহ: মুঘল সেনাপতি
- তিলোত্তমা: দুর্গাধিপতি বীরেন্দ্র সিংহের কন্যা (দুর্গেশনন্দিনী)
- আয়েশা: পাঠান নেতা কতলু খাঁর কন্যা
- বীরেন্দ্র সিংহ: মন্দারণের দুর্গাধিপতি
210.00৳367.00৳ -
দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
দৃষ্টিপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনন্য জীবনধর্মী ও আধ্যাত্মিক উপন্যাস।মূল চরিত্র ও কাহিনি:
উপন্যাসের মূল চরিত্র ‘জিতু’ (জিতেন) নামের এক অনাথ ও অবহেলিত বালক। শৈশবে চরম বঞ্চনা ও অভাবের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা জিতু একসময় আসামের চা বাগানে এবং পরবর্তীকালে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। জাগতিক দুঃখ-কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে সে একসময় এক বিশেষ ‘অলৌকিক দৃষ্টি’ বা আধ্যাত্মিক উপলব্ধির অধিকারী হয়।উপন্যাসের মূল ভাব:- আধ্যাত্মিকতা: পার্থিব জীবনের মোহ ও যন্ত্রণার চেয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়ার দর্শন ফুটে উঠেছে।
- প্রকৃতি প্রীতি: বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও বাংলার এবং অরণ্যের প্রকৃতির এক অপরূপ, নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে।
250.00৳275.00৳ -
দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সবার জীবনের যথার্থ দেনা পাওনা বুঝা খুবই দুরূহ। কে দেনাদার আর কে দাতা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। জীবানন্দ-ষোড়শীর জীবনে ক্ষেত্রেও এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন। এক দিকে বহিঃজগতের এবং অপরদিকে মনোজগতের দেনা পাওনার এই জটিলতাই আলোচিত হয়েছে দেনা পাওনা উপন্যাসটিতে। নিগৃহীত, পীড়িতদের হৃদয়ে প্রবেশ করেছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং উপন্যাসের সংলাপের ছলে তাদের হয়ে নিজের সমাজ-সচেতনার কথাই বলে গিয়েছেন আমৃত্যু।
250.00৳330.00৳











