• জোছনা ও জননীর গল্প –হুমায়ূন আহমেদ

    জোছনা ও জননীর গল্প (মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর ঐতিহাসিক উপন্যাস) — হুমায়ূন আহমেদ

    ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি কালজয়ী ঐতিহাসিক উপন্যাস। ২০০৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক বাস্তব ঐতিহাসিক ঘটনা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণে যুদ্ধের মহাকাব্যিক চিত্র এবং সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরেছেন।
    উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে:
    • ক্যানভাস ও পটভূমি: ১৯৭১ সালে ঘটে যাওয়া গণহত্যা, শরণার্থী সমস্যা, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সমাজ ও রাজনীতির চিত্র এতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
    • ঐতিহাসিক চরিত্র: এটি কোনো সাধারণ ইতিহাস বই নয়, তবে এতে কথাসাহিত্যের আবরণে কবি শামসুর রাহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ অনেক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ও সত্য ঘটনা নিপুণভাবে স্থান পেয়েছে।
    • মূল চরিত্র: শাহেদ, ইরতাজ উদ্দিন ও নাঈমুলের মতো চরিত্রের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যুদ্ধকালীন জীবনের ভয়াল রূপ ও মানবিক মূল্যবোধ ফুটে উঠেছে।
    690.00৳ 800.00৳ 
  • ঝিলামের রাজকন্যা –আবদুল্লাহ আশরাফ

    ঝিলামের রাজকন্যা –আবদুল্লাহ আশরাফ

    ঝিলামের রাজকন্যা তরুণ ও প্রতিভাবান লেখক আবদুল্লাহ আশরাফ রচিত একটি চমৎকার ইসলামী উপন্যাস।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: আবদুল্লাহ আশরাফ
    • প্রকাশনী: রাহনুমা প্রকাশনী
    • বিষয়বস্তু: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ইসলামী সাহিত্য
    • প্রকাশকাল: ২০২৩ (প্রথম সংস্করণ)
    • কভার: হার্ডকভার
    বইটি সম্পর্কে:
    উপন্যাসটিতে ঝিলাম নদী ও তৎসংলগ্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মিশেলে চমৎকার কাহিনি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি মূলত ইসলামী ঘরানার পাঠকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।
    200.00৳ 400.00৳ 
  • তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।

  • তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ  রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার) নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়

    তিনটি উপন্যাস (হার্ডকভার)

    লেখক :  নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়

    ভালোবাসারই কাহিনি তিনরকম। বাহির থেকে অন্তরে। পরিধি থেকে কেন্দ্রে। ‘নিরুপম রাজধানী’ বিবৃতিধর্মী বৃত্তান্ত, দিল্লির সরকারি দপ্তর, দু-তিনটি পরিবারের অনুষঙ্গে জড়ানো এক নবীন যুবার চলাচল-অনুপম অভিজ্ঞতাবলীর নিরিখে যৌবনযাপনের কথা। ছবি, কবিতা, সংস্কৃতি-জগতের প্রসঙ্গও এসেছে। ‘তোমার কাছেই ফিরে আসব’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও পাওলো কোয়েলহোর দর্শন অনুপ্রাণিত। আদ্যন্ত কল্পবিজ্ঞান আবহে একরকম রূপকথা। উপলবন্ধুর ঘটনাস্রোতে এক আশ্চর্য যাত্রাপথ, পৃথিবীর বাইরে চলে যাওয়া মানুষরা যেখানে প্রজন্মান্তরে পুনর্বার পরিচিত পৃথিবীতে ফিরে আসছে। মহামারিতে, যুদ্ধে, ভূমিকম্পে জলোচ্ছাসে পুরোনো পৃথিবী মানুষের বসবাসের যোগ্য ছিল না আর। উপগ্রহ-উপনিবেশেও মানুষের মধ্যে সেই লোভ, হিংসা, আধিপত্যবিলাস, অমরত্ববাসনা- তবু সব ছাপিয়ে জিতে যায় ছোটোবেলার ভালোবাসাবাসি, যে মাটিতে চোখ মেলে প্রথম আকাশ দেখা, সেই শাশ্বত শিকড়ে ফেরার আনন্দযাত্রা। ‘কাল একাদশী’ ও অস্তিত্বের শিকড় স্পর্শ বাসনায় বাস্তব ও পরাবাস্তব জীবনের নানান ঘটনাবলি চিহ্নিত করতে করতে হালকাচালে চলে, কখনও তার গতি থ্রিলারধর্মী, কখনও আমিষ আধিভৌতিক-আসলে আত্মদীপেরই অনুসন্ধান, আনুষঙ্গিক আঁধার পেরিয়ে। স্বপ্ন-কবিতা-কল্পনা-ছবি অতিক্রম করে, বিষয় শুধু মানুষ আর মানুষ।

    630.00৳ 720.00৳ 
  • থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস

    থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস

    আলেকজান্ডার ডুমাসের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস “দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স” (১৮৪৪) দুঃসাহসিক অভিযান, তরবারি যুদ্ধ এবং বন্ধুত্বের এক অবিস্মরণীয় ক্লাসিক।
    বইটির মূল প্রেক্ষাপট:
    • চরিত্র: তরুণ দার্তানিয়ঁ এবং অ্যাথোস, পার্থোস ও আরামিস।
    • কাহিনী: দার্তানিয়ঁ প্যারিসে এসে মাস্কেটিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এবং রাজার বিশ্বস্ত রক্ষীদের সাথে মিলে রানীর সম্মান রক্ষায় কার্ডিনাল রিশেলিয়ে ও তার চর লেডি ডি উইন্টারের ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করে।
    • মূলমন্ত্র: “একের জন্য সবাই, সবার জন্য এক” (All for one, and one for all!)।
    150.00৳ 250.00৳ 
  • দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দত্তা—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    বনমালীবাবু গ্রামের বিশাল জমিদার। তার দুই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু জগদীশ মুখুয্যে ও রাসবিহারী, জগদীশ বেশি প্রিয়। বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা বিজয়ার সঙ্গে রাসবিহারী তার পুত্র বিলাসের বিবাহে অত্যন্ত আগ্রহী, কিন্তু বনমালীবাবুর ইচ্ছা অন্যরূপ। তিনি বিজয়ার বিবাহ জগদীশের পুত্র শ্রীমান নরেন্দ্র মুখুয্যে বা নরেনের সাথে দিতে চান। সেজন্য নরেনের বিলেতে ডাক্তারী পড়ার সমস্ত খরচ বহন করেন। বনমালীবাবু ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন, উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে রাসবিহারীও। সেজন্য গ্রামে তাদের একঘরে করার চেষ্টা হয়। গ্রামবাসীর বিরুপ আচরনের জন্য বনমালী কলকাতায় যান এবং কিছুকাল পরে সেখানেই তার অকালমৃত্যু হয়। সেই সুযোগে রাসবিহারী জমিদারীর সমস্ত ভার নেন। বন্ধুবিয়োগে জগদীশও অসুস্থ হন এবং বাস্তুভিটে খানি বন্ধক রেখে জমিদারী থেকে ঋণ নেন। সময়মতো সেই ঋণ শোধ না করার ফলে রাসবিহারী জগদীশের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাকে গৃহচ্যুত করেন। শোকে জগদীশ বাড়ীর ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা্ করে। সেই সময় নরেন বিলেত থেকে ফিরে সেই গ্রামেই এক আত্মীয়ের বাড়ীতে থেকে চিকিৎসা করতে থাকে, গ্রামে তার বিশেষ সুখ্যাতি হয়, চিকিৎসক হিসাবে ও পরোপকারী মানুষ হিসাবেও।

    220.00৳ 350.00৳ 
  • দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)

    শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়


    শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যকৃতি বহতা নদীর মতো। বিচিত্র স্রোতে তা নিয়ত বহমান। প্রবাহের সমগ্রতায় গড়ে উঠেছে বলেই তাঁর সাহিত্য আশ্চর্য ক্লেদহীন! একালের এক অগ্রগণ্য সমালোচক যথার্থই লিখেছেন : “নদীর কোনও ভান নেই—শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ঔপন্যাসিক সত্তাতেও কোনও ভণিতা নেই। এক প্রাণবন্ত শৈশবস্মৃতি, এক যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞান-সংকট এবং শান্ত নিরাসক্ত অবলোকন—সবার উপরে এক সর্বতোসুভদ্র আস্তিক্য তাঁর লেখক-জীবনকে গড়ে তুলেছে।” বাংলা সাহিত্যের বিরল লেখকদের অন্যতম শীর্ষেন্দুর প্রধান শক্তি তাঁর ওই আস্তিক্যবোধ। জীবনের সকল সংশয়ের মধ্যেও তিনি ‘এক অসংশয়িত উত্তরণের কথা’ উচ্চারণ করেন অপার সাহসে। তাই অন্তহীন দিশাহীনতার মাঝখানে দাঁড়িয়েও তিনি সাহসী। এখানে তিনি এক অনন্যস্রষ্টা। তাঁর কাছে আস্তিক্য, জীবন-নিংড়ে-পাওয়া, সুখ-দুঃখের ঝাঁপি। এই ঝাঁপি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছে সময়। শীর্ষেন্দুর যে-কোনও কাহিনীতে দেখি, চতুর্দিকের সমস্ত বিপন্নতা সত্ত্বেও, ‘মনুষ্যত্বের জন্য মানুষের মানবিক উৎকণ্ঠা দুৰ্মর।’ এই মুহুর্তে এক সংক্ষুব্ধ সময়ের মধ্যে দিয়ে জীবনের পারাপার। তবু তারই মধ্যে মানুষের পবিত্র স্বরূপকে তিনি খোঁজেন পরম মমতায়। তিনি বিশ্বাস করেন, কোথাও একটা আশ্রয় আছে, ফেরার জায়গা আছে। একালের অন্যতম এই শ্রেষ্ঠ লেখকের অভিজ্ঞতার ভাঁড়ার নানা রসে পূর্ণ। জীবনের প্রতি কৌতুকস্নিগ্ধ দৃষ্টি তাঁর সবকটি উপন্যাসকে নিয়ে গেছে শিল্পিত উত্তরণের পথে। তাঁর সৃষ্ট চরিত্ররা জানে, তাঁরা জন্ম থেকে বহন করছে মৃত্যুবীজ। এক অবধারিত অন্ধকার সত্ত্বেও কোনও বৈমুখ্য বা বিরূপতা তাদের জীবনযাপনের ছন্দকে ভেঙে দিতে পারেনি।
    শৈলী ও নির্মিতিতে শীর্ষেন্দুর আত্মস্থ অথচ অনাসক্ত ভঙ্গি এবং বীক্ষণ বাংলা কথাসাহিত্যে অন্য মাত্রা সংযোজন করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত হচ্ছে লেখকের দশটি উপন্যাস। এই সংকলনে আছে বিভিন্ন সময়ে লেখা এই উপন্যাসগুলি : দিন যায়, বাসস্টপে কেউ নেই, আশ্চর্য ভ্রমণ, লাল নীল মানুষ, নীলু হাজরার হত্যারহস্য, ঘরজামাই, জীবনপাত্র, বাঘু মান্নার বরাত, অসুখের পরে এবং ঋণ। – বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে

    সূচিপত্র –

    দিন যায়
    বাসস্টপে কেউ নেই
    আশ্চর্য ভ্রমণ
    লাল নীল মানুষ
    নীলু হাজরার হত্যারহস্য
    ঘরজামাই, জীবনপাত্র
    বাঘু মান্নার বরাত
    অসুখের পরে
    ঋণ

    গ্রন্থপরিচয়

    1,750.00৳ 2,000.00৳ 
  • দশটি উপন্যাস দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)

    দশটি উপন্যাস দশটি উপন্যাস (হার্ডকভার)

    দশটি উপন্যাস
    * অচিনপুর
    * অন্যদিন
    * তোমাকে
    * দেবী
    * আগুনের পরশমনি
    * দূরে কোথাও
    * আকাশ জোড়া মেঘ
    * সাজঘর
    * জনম জনম
    * কোথাও কেউ নেই

    800.00৳ 1,000.00৳ 
  • দায়বন্ধন (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    দায়বন্ধন (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদার

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা অন্যস্বাদের উপন্যাস ‘দায়বন্ধন’ (হার্ডকভার) । জামশেদপুর থেকে কলকাতায় ভাগ্য বদলাতে আসা এক বেকার তরুণের জীবনের সংকট, সততা ও এক অনাবিষ্কৃত রহস্যময় পৃথিবীর পটভূমিতে গল্পটি রচিত।
    বইটির সংক্ষিপ্ত তথ্য:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • ধরন: উপন্যাস
    • মূল চরিত্র: জয়দীপ (এম.এ. পাশ বেকার যুবক), পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা (দুই বোন)
    বইটির প্রেক্ষাপট:
    জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে মায়ের সাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকার সাধারণ স্বপ্ন ছিল বেকার যুবক জয়দীপের। কিন্তু সততা বিসর্জন দিয়ে কোনো অন্যায় পথে পা বাড়াতে সে নারাজ। এমন এক ক্রান্তিলগ্নে তার পরিচয় হয় দুই বোন—পত্রলেখা ও স্বাতীলেখার সাথে। জনৈক বিজয় গুপ্তর অবৈধ সন্তান ধারণের কারণে তীব্র সংকটে পড়ে স্বাতীলেখা। তার এই জীবনের জট ছাড়াতে গিয়ে জয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরি শুরু করে এবং তার সামনে উন্মোচিত হয় এক অন্ধকার ও অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা।
    650.00৳ 850.00৳ 
  • দাস পার্টির খোঁজে — হাসান মোরশেদ

    দাস পার্টির খোঁজে মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক উপাখ্যান — হাসান মোরশেদ

    ১৯৭১ সালের ঘটনা। সুনামগঞ্জ জেলা সংলগ্ন ভারতের বালাট অঞ্চলে যুদ্ধবিতাড়িত বাঙালিদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শরণার্থী শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাঙালি শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। তাছাড়া যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণরত কয়েকদল বাঙালি তরুণেরও আশ্রয় মিলেছে এখানে। স্বজনহারাদের আহাজারি ও ত্রস্ত, ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নার আওয়াজে শিবিরের বাতাস এক অদ্ভুত শোকে ভারী হয়ে আছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। শিবিরে দেখা দেয় চরম শৃঙ্খলাহীনতা। এ সময়ে শিবিরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় স্থানীয় খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আগ্রাসনে। সময়-অসময়ে খাসিয়া সন্ত্রাসীরা শরণার্থী শিবিরে হানা দিয়ে চাঁদাবাজি করতে থাকে। এদের হাতে মারধোরের শিকার হতে থাকে অসহায় বাঙালিরা।

    এমন পরিস্থিতিতে উদ্বুদ্ধ হলো এক তরুণ। খাসিয়াদের উচিত শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আরও কয়েকজন তরুণকে নিয়ে একটি দল গড়ে তুললেন। এরপর একদিন সুযোগ বুঝে আক্রমণকারী সন্ত্রাসীদের পাল্টা আঘাত করে বসে তার দল। অপ্রস্তুত খাসিয়া সন্ত্রাসীরা এতে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তার মাঝে কয়েকজন খাসিয়া সেই দলটির হাতে ধরা পড়ে। এদের পাহাড়ি নদীর চরে এনে মেরে ফেলা হলো। খাসিয়ারা সেদিনের পর আর কোনোদিন বাঙালি শিবিরে আক্রমণ করার সাহস করেনি।

    এক বাঙালি তরুণের অসীম সাহসিকতায় দমে যায় খাসিয়ারা। সেই তরুণের নাম জগৎজ্যোতি দাস। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন এবং হয়ে উঠেন এক বিশেষ গেরিলা দলের নেতা। তার নামানুসারে এই দলটির নামকরণ করা হয়

  • দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) লেখার সময় [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের] এ-দুটি উপন্যাসের [চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা] কথা মনে রেখেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কল্লোল- গোষ্ঠী শেষের কবিতায় উজ্জীবিত হয়েছিলেন, মানিকও শেষের কবিতা স্মরণে রেখেছিলেন। যে রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে মানিকের বিদ্রোহ, সেই রোমান্টিকতা নানা ছদ্মবেশে তাঁকে পাকে পাকে জড়িয়ে রেখেছিল, তার প্রমাণ দিবারাত্রির কাব্য।

     

    190.00৳ 267.00৳ 

Main Menu