• দায়বন্ধন (হার্ডকভার) সমরেশ মজুমদার

    দায়বন্ধন (হার্ডকভার)

    সমরেশ মজুমদার

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা অন্যস্বাদের উপন্যাস ‘দায়বন্ধন’ (হার্ডকভার) । জামশেদপুর থেকে কলকাতায় ভাগ্য বদলাতে আসা এক বেকার তরুণের জীবনের সংকট, সততা ও এক অনাবিষ্কৃত রহস্যময় পৃথিবীর পটভূমিতে গল্পটি রচিত।
    বইটির সংক্ষিপ্ত তথ্য:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • ধরন: উপন্যাস
    • মূল চরিত্র: জয়দীপ (এম.এ. পাশ বেকার যুবক), পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা (দুই বোন)
    বইটির প্রেক্ষাপট:
    জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে মায়ের সাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকার সাধারণ স্বপ্ন ছিল বেকার যুবক জয়দীপের। কিন্তু সততা বিসর্জন দিয়ে কোনো অন্যায় পথে পা বাড়াতে সে নারাজ। এমন এক ক্রান্তিলগ্নে তার পরিচয় হয় দুই বোন—পত্রলেখা ও স্বাতীলেখার সাথে। জনৈক বিজয় গুপ্তর অবৈধ সন্তান ধারণের কারণে তীব্র সংকটে পড়ে স্বাতীলেখা। তার এই জীবনের জট ছাড়াতে গিয়ে জয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরি শুরু করে এবং তার সামনে উন্মোচিত হয় এক অন্ধকার ও অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা।
    650.00৳ 850.00৳ 
  • দাস পার্টির খোঁজে — হাসান মোরশেদ

    দাস পার্টির খোঁজে মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক উপাখ্যান — হাসান মোরশেদ

    ১৯৭১ সালের ঘটনা। সুনামগঞ্জ জেলা সংলগ্ন ভারতের বালাট অঞ্চলে যুদ্ধবিতাড়িত বাঙালিদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শরণার্থী শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাঙালি শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। তাছাড়া যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণরত কয়েকদল বাঙালি তরুণেরও আশ্রয় মিলেছে এখানে। স্বজনহারাদের আহাজারি ও ত্রস্ত, ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নার আওয়াজে শিবিরের বাতাস এক অদ্ভুত শোকে ভারী হয়ে আছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। শিবিরে দেখা দেয় চরম শৃঙ্খলাহীনতা। এ সময়ে শিবিরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় স্থানীয় খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আগ্রাসনে। সময়-অসময়ে খাসিয়া সন্ত্রাসীরা শরণার্থী শিবিরে হানা দিয়ে চাঁদাবাজি করতে থাকে। এদের হাতে মারধোরের শিকার হতে থাকে অসহায় বাঙালিরা।

    এমন পরিস্থিতিতে উদ্বুদ্ধ হলো এক তরুণ। খাসিয়াদের উচিত শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আরও কয়েকজন তরুণকে নিয়ে একটি দল গড়ে তুললেন। এরপর একদিন সুযোগ বুঝে আক্রমণকারী সন্ত্রাসীদের পাল্টা আঘাত করে বসে তার দল। অপ্রস্তুত খাসিয়া সন্ত্রাসীরা এতে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তার মাঝে কয়েকজন খাসিয়া সেই দলটির হাতে ধরা পড়ে। এদের পাহাড়ি নদীর চরে এনে মেরে ফেলা হলো। খাসিয়ারা সেদিনের পর আর কোনোদিন বাঙালি শিবিরে আক্রমণ করার সাহস করেনি।

    এক বাঙালি তরুণের অসীম সাহসিকতায় দমে যায় খাসিয়ারা। সেই তরুণের নাম জগৎজ্যোতি দাস। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন এবং হয়ে উঠেন এক বিশেষ গেরিলা দলের নেতা। তার নামানুসারে এই দলটির নামকরণ করা হয়

  • দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) লেখার সময় [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের] এ-দুটি উপন্যাসের [চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা] কথা মনে রেখেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কল্লোল- গোষ্ঠী শেষের কবিতায় উজ্জীবিত হয়েছিলেন, মানিকও শেষের কবিতা স্মরণে রেখেছিলেন। যে রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে মানিকের বিদ্রোহ, সেই রোমান্টিকতা নানা ছদ্মবেশে তাঁকে পাকে পাকে জড়িয়ে রেখেছিল, তার প্রমাণ দিবারাত্রির কাব্য।

     

    190.00৳ 267.00৳ 
  • দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।

    210.00৳ 350.00৳ 
  • দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্স-উপন্যাস。মুঘল ও পাঠানের দ্বন্দ্বের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো বীরেন্দ্র সিংহ, জগৎসিংহ, তিলোত্তমা এবং আয়েশার ত্রিভুজ প্রেমের গল্প。
    উপন্যাসটির প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • প্রকাশকাল: ১৮৬৫ সালের মার্চ
    • সাহিত্যিক মর্যাদা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস
    • কাহিনী: ঐতিহাসিক রোমান্স ও ত্রিভুজ প্রেম
    প্রধান চরিত্রসমূহ:
    • জগৎসিংহ: মুঘল সেনাপতি
    • তিলোত্তমা: দুর্গাধিপতি বীরেন্দ্র সিংহের কন্যা (দুর্গেশনন্দিনী)
    • আয়েশা: পাঠান নেতা কতলু খাঁর কন্যা
    • বীরেন্দ্র সিংহ: মন্দারণের দুর্গাধিপতি

     

    210.00৳ 367.00৳ 
  • দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দৃষ্টিপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনন্য জীবনধর্মী ও আধ্যাত্মিক উপন্যাস
    মূল চরিত্র ও কাহিনি:
    উপন্যাসের মূল চরিত্র ‘জিতু’ (জিতেন) নামের এক অনাথ ও অবহেলিত বালক। শৈশবে চরম বঞ্চনা ও অভাবের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা জিতু একসময় আসামের চা বাগানে এবং পরবর্তীকালে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। জাগতিক দুঃখ-কষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে সে একসময় এক বিশেষ ‘অলৌকিক দৃষ্টি’ বা আধ্যাত্মিক উপলব্ধির অধিকারী হয়।
    উপন্যাসের মূল ভাব:
    • আধ্যাত্মিকতা: পার্থিব জীবনের মোহ ও যন্ত্রণার চেয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়ার দর্শন ফুটে উঠেছে।
    • প্রকৃতি প্রীতি: বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও বাংলার এবং অরণ্যের প্রকৃতির এক অপরূপ, নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে।
    250.00৳ 275.00৳ 
  • দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    সবার জীবনের যথার্থ দেনা পাওনা বুঝা খুবই দুরূহ। কে দেনাদার আর কে দাতা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। জীবানন্দ-ষোড়শীর জীবনে ক্ষেত্রেও এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন। এক দিকে বহিঃজগতের এবং অপরদিকে মনোজগতের দেনা পাওনার এই জটিলতাই আলোচিত হয়েছে দেনা পাওনা উপন্যাসটিতে। নিগৃহীত, পীড়িতদের হৃদয়ে প্রবেশ করেছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং উপন্যাসের সংলাপের ছলে তাদের হয়ে নিজের সমাজ-সচেতনার কথাই বলে গিয়েছেন আমৃত্যু।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • দেবদাস (পেপারব্যাক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবদাস (পেপারব্যাক)

    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর প্রেমের উপন্যাস ‘দেবদাস’  একটি কালজয়ী ট্র্যাজিক সাহিত্যকর্ম। তৎকালীন সামাজিক বৈষম্য, কুলীন প্রথার কড়াকড়ি এবং প্রেমিকের আত্ম-অহংকারের কারণে দেবদাস ও পার্বতীর (পারো) পরিণতি এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    বইয়ের বিবরণ:
    • লেখক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ধরন: রোমান্স, ট্র্যাজেডি, ক্লাসিক উপন্যাস
    • কভার: পেপারব্যাক
    150.00৳ 250.00৳ 
  • দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    যতীন, চঞ্চল জগতের এক নিঃসঙ্গ গ্রহবাসী। দেহজ কারাবাস থেকে সহসা আত্মার মুক্তিতে তার সামনে উম্নোচিত হয় আরেক জগত। এরপর তার যাত্রা শুরু হয় প্রেতলোক হতে দ্যুলোক, সন্ধ্যালোক পেরিয়ে চৈতন্যলোকের পথে। আত্মার এই অপার উন্মেষ, জীবন ও মৃত্যুর সীমারেখা ছুঁয়ে দেখার এক সূক্ষ্ম দর্শন। এভাবেই যতীন খুঁজে ফেরেন নিজেকে, পূর্বজন্মের স্মৃতি আর পরম সত্যের সান্নিধ্যে তাঁর আত্মা ধীরে ধীরে খুঁজে পায় মুক্তির ঐশীজ্যোতি।

    দেবযান মূলত এক সবাক জিজ্ঞাসার নির্বাক উত্তর, যেখানে জীবন যেন মৃত্যুর আবেশে ঘেরা এক আধ্যাত্মিক প্রতিধ্বনি— অন্তরালে অপরূপ অনাবিল, অনন্ত। দেবযানকে তাই মোটাদাগে উপন্যাস হিসেবে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা গেলেও আদতে এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণের কাল্পনিক দিনলিপি; কিংবা সাহিত্যের গম্ভীর শব্দে ফিলোসফিক্যাল ফ্যান্টাসি বা মেটাফিজিক্যাল ফ্যান্টাসি। যেখানে যতীন, পুষ্প, আশালতা, প্রানায় দেবী, করুণা দেবী, বেদান্তিন সন্ন্যাসী ইত্যাদি চরিত্রসমূহকে পুঁজি করে, দর্শন ও ধর্মের মৌলিক বিষয়সমূহকে মনস্ততত্ত্বের আবহে আত্ম-কথোপকথনের মাধ্যমে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় দেবযান শীর্ষক উপন্যাস রচনা করেছেন।

    170.00৳ 350.00৳ 
  • দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেবী চৌধুরানী হলো একটি বাংলা উপন্যাস যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখা। এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সুবোধ চন্দ্র মিত্র এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। আনন্দমঠের পর বঙ্কিমচন্দ্র পুনরুজ্জীবিত ভারতের আহ্বান করে এটি রচনা করেন। এতে প্রধান চরিত্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ভিতর থেকে শক্তির সাথে লড়াই করে। এই রচনা ভারতীয় সাধুতা, নিষ্ঠা এবং নিঃস্বার্থতার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে। এটি বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যের  ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। যেহেতু এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় স্বাধীনতার সংগ্রামকে উস্কে দিয়েছিল তাই উপন্যাসটি ব্রিটিশরা নিষিদ্ধ করেছিল। স্বাধীনতার পর ভারত ‍সরকার পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র তার এই বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করেন যে, ব্রিটিশদের সাথে সশস্ত্র সংঘর্ষই স্বাধীনতা জয় করার একমাত্র উপায়।

    180.00৳ 250.00৳ 
  • ন হন্যতে : লা নুই বেঙ্গলী — মৈত্রেয়ী দেবী , মির্চা এলিয়াদ

    ন হন্যতে : লা নুই বেঙ্গলী — মৈত্রেয়ী দেবী , মির্চা এলিয়াদ

    ‘ন হন্যতে’ এবং ‘লা নুই বেঙ্গলী’ সাহিত্য জগতের এক বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ও প্রেমের আখ্যান । রোমানীয় দার্শনিক ও লেখক মির্চা এলিয়াদের উপন্যাস এবং মৈত্রেয়ী দেবীর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য ও প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো:
    📖 লা নুই বেঙ্গলী (La Nuit Bengali)
    • লেখক: মির্চা এলিয়াদ
    • প্রকাশকাল: ১৯৩৩ সাল
    • মূল প্রেক্ষাপট: এটি মূলত একটি রোমানীয় উপন্যাস। তৎকালীন ভারতে এসে দার্শনিক ও লেখক মির্চা এলিয়াদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিষ্য, মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে মৈত্রেয়ী দেবীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই উপন্যাসে তাদের সেই প্রেমকাহিনীর একটি কাল্পনিক ও আবেগপূর্ণ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে মৈত্রেয়ীর চরিত্রটিকে কিছুটা ভিন্নভাবে ও রোমান্টিক কল্পনার আশ্রয়ে উপস্থাপন করা হয়।
    260.00৳ 450.00৳ 
  • নির্যাতিতাদের ৭১ — অমল কৃষ্ণ রায়

    নির্যাতিতাদের ৭১ — অমল কৃষ্ণ রায়

    অমলকৃষ্ণ রায় রচিত ‘নির্যাতিতাদের ৭১’ বইটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতিত নারীদের মর্মান্তিক ইতিহাস এবং তাদের বীরাঙ্গনা হয়ে ওঠার সংগ্রাম নিয়ে লেখা একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
    বইটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
    • মূল বিষয়বস্তু: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস।
    • লেখক: অমলকৃষ্ণ রায়
    • প্রকাশক: গাঙচিল (ভারত)

Main Menu