• Beauty Garlic Hip Butt Enlargement Lifting Essential Oil Big

    Aichun Beauty Garlic Hip Butt Enlargement Lifting Essential Oil Big

    100% brand new high quality! Women’s external beauty can not only win more people’s attention and like, but also increase their self-confidence. Appearance is natural, we can’t decide our appearance, but we can create the perfect figure with the help of the day after tomorrow. Sexy buttock can attract more opposite sex. If you want to make yourself more sexy, you can try our products. I believe you won’t be disappointed.

    This product contains fennel oil, salvia miltiorrhiza leaf oil, hydrogenated sweet almond oil, caprylic acid triglyceride, grapefruit seed oil, etc. It has the effects of moisturizing, anti-wrinkle, anti-aging, and easy absorption. Rich in a large number of trace elements, which activate dormant cells and meridians in the buttocks, accelerate penetration into the deep tissues of the buttocks, promote fat synthesis, improve blood circulation, enhance firming of the buttocks skin, and strengthen the buttocks muscle.

    Moisturizes, anti-wrinkles, smoothes the skin, improves relaxation, makes the skin delicate and elastic. Through effective massage, soothes buttock skin and internal organization, promotes fat synthesis in the buttocks, increases buttocks muscle, makes the buttocks more firm and elastic, away from the flat buttocks. Sexy and attractive body is no longer a dream.

  • কপালকুন্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কপালকুন্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩)এবং দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরণ করেন মৃন্ময়ী (১৮৭৪)। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।

    200.00৳ 250.00৳ 
  • কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্তের দপ্তর —বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    কমলাকান্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ব্যক্তিধর্মী প্রবন্ধ-সংকলন।বইটির প্রথম সংস্করণ ১৮৭৫ সালে কমলাকান্তের দপ্তর, প্রথম ভাগ নামে প্রকাশিত হয়।১৮৮৫ সালে (১২৯২ বঙ্গাব্দ) “কমলাকান্তের দপ্তর” (মোট ১৪টি প্রবন্ধ, তন্মধ্যে ১১টি বঙ্কিমচন্দ্রের), “কমলাকান্তের পত্র” (পাঁচটি প্রবন্ধ) ও “কমলাকান্তের জোবানবন্দী” – এই তিনটি অংশ একত্রে কমলাকান্ত নামক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। আফিঙখোর ব্রাহ্মণ কমলাকান্তের জবানিতে লেখক তথ্য ও যুক্তিবিনির্ভর সমাজ, ধর্ম ও রাষ্ট্রতত্ত্ব বর্ণনা করেছেন। গ্রন্থটিকে বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা বলে অভিহিত করা হয়।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    এই উপন্যাসটির বেশির ভাগ ফ্রান্সের আলপ্‌স্ পর্বত অঞ্চলে পাইন-ফার-এলম গাছ পরিবেষ্টিত ইউরিয়াজ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামে লেখা হয়। মঁসিয় পিয়ের তিবো এবং মাদাম ঈভন তিবোকে তাঁদের সহৃদয় আতিথ্যের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

    200.00৳ 260.00৳ 
  • দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দেনা পাওনা–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    সবার জীবনের যথার্থ দেনা পাওনা বুঝা খুবই দুরূহ। কে দেনাদার আর কে দাতা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। জীবানন্দ-ষোড়শীর জীবনে ক্ষেত্রেও এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন। এক দিকে বহিঃজগতের এবং অপরদিকে মনোজগতের দেনা পাওনার এই জটিলতাই আলোচিত হয়েছে দেনা পাওনা উপন্যাসটিতে। নিগৃহীত, পীড়িতদের হৃদয়ে প্রবেশ করেছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং উপন্যাসের সংলাপের ছলে তাদের হয়ে নিজের সমাজ-সচেতনার কথাই বলে গিয়েছেন আমৃত্যু।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • মরণের ডঙ্কা বাজে — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    মরণের ডঙ্কা বাজে — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    মরণের ডঙ্কা বাজে হল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কিশোর উপন্যাস। ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের পৌষ থেকে ১৩৪৬ বঙ্গাব্দের আশ্বিন পর্যন্ত এটি মৌচাক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৪০ সালের ১৫ জানুয়ারি বি. এন. পাবলিশিং হাউস, কলকাতা থেকে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বিভূতিভূষণের কিশোর উপন্যাসগুলির মধ্যে চাঁদের পাহাড়  উপন্যাসের পরেই এই উপন্যাসের স্থান। এই উপন্যাসের পটভূমি রাজতন্ত্রী জাপানের হাতে আক্রান্ত চীন এবং জাপান-চীন যুদ্ধ।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। ‘প্রবাসী’ মাসিকপত্রে ১৩৩৬ সালের পৌষ সংখ্যা থেকে ১৩৩৮- এর আশ্বিন সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসের স্ফীতির কারণে দু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে প্রথম বের হয়ঃ প্রথম ভাগের প্রকাশকাল মাঘ ১৩৩৮ [এপ্রিল ১৯৩২], দ্বিতীয় ভাগের প্রকাশকাল ফাল্গুন ১৩৩৮ [মে ১৯৩২]। এবারেও প্রকাশক ছিলেন সজনীকান্ত দাস, বের করা হয়েছিল রঞ্জন প্রকাশালয় থেকে এবং দাম ছিল যথাক্রমে দু টাকা চার আনা ও দু টাকা। পরে ‘অপরাজিত’ দু খণ্ডের জায়গায় এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়, এখনও তাই হচ্ছে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন ‘মাতৃদেবীকে’।

    ‘অপরাজিত’ সাময়িকপত্রে মুদ্রণের আগে লেখকের পরিকল্পিত নাম ছিল ‘আলোর সারথি’, কিন্তু ‘প্রবাসী’ তে ছাপানোর সময়েই শিরোনাম পরিবর্তন করে ‘অপরাজিত’ রেখেছিলেন।

    ‘পথের পাঁচালী’ র অপু-কাহিনীরই সম্প্রসারণ ‘অপরাজিত’। পরে কোন এক সময়ে অপুর সন্তান কাজলকে নিয়ে উপন্যাস রচনার ইচ্ছা তার মনে ছিল। ‘তৃণাঙ্কুর’ দিনলিপিতে তিনি লিখেছেনঃ

    “অপুকে জন্ম থেকে ৩৪ বৎসর বয়স পর্যন্ত আমি কলমের ডগায় সৃষ্টি করেচি। তাকে ছাড়তে সত্যিকার বেদনা অনুভব করচি-তবে সে ছিল অনেকখানিই আমার নিজের সঙ্গে জড়ানো, সেইজন্যে বেশি কষ্ট হচ্ছে বিদায় দিতে কাজলকে, লীলাকে, দুর্গাকে, রাণূদি’কে- তার স্ত্রী অপর্ণাকে , অপর্ণাকে (অপু) হঠাৎ করেই পেয়েছিল , তার স্ত্রী অপর্ণার সাথে কাটানো সময় টা অনেক স্মৃতিময় ছিল ,এরা সত্য সত্যই কল্পনাসৃষ্ট প্রাণী। কোনোদিকে এদের কোনো ভিত্তি নেই এক আমার কল্পনা ছাড়া।“

    কিন্তু, কাজলকে নিয়ে কাহিনীসৃষ্টির পূর্বেই  বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যান। তার একমাত্র পুত্র তারাদাস  বন্দ্যোপাধ্যায় অপু-কাহিনীর তৃতীয় খণ্ড হিসেবে বহু পরে ‘কাজল’ রচনা করেন। ‘কাজল কেন লিখব, শিরোনামে একটি রচনা বিভূতিভূষণ মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে ‘কথাসাহিত্য’ পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলেন এবং ঐ কাগজেই ১৩৫৭-র পৌষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভেবে ‘কাজল’ প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। এ থেকে তার যে অভিপ্রায় ধরা পরে পিতার সেই অতৃপ্ত বাসনা পুত্র চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছিলেন, সন্দেহ নেই।

    350.00৳ 460.00৳ 
  • চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

    তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।

    350.00৳ 670.00৳ 
  • নৌকাডুবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    নৌকাডুবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    চরিত্রসমূহ

    নৌকাডুবি উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে-

    • রমেশ
    • হেমনলিনী
    • কমলা
    • নলিনাক্ষ
    • অন্নদাবাবু
    • যোগেন্দ্র
    • অক্ষয়
    • চক্রবর্তী খুড়ো
    • শৈলজ
    • ক্ষেমংকরী
    • উমেশ
    250.00৳ 330.00৳ 
  • পুতুল নাচের ইতিকথা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পুতুল নাচের ইতিকথা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের  অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

    250.00৳ 330.00৳ 
  • কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    “কাঁদো নদী কাঁদো” বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক ও চেতনাপ্রবাহরীতির উপন্যাস, যা ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়।
    উপন্যাসটির মূল কেন্দ্রবিন্দু ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
    মূল উপজীব্য
    উপন্যাসটির পটভূমি গড়ে উঠেছে বাকাল (বা কুসুমডাঙ্গা) নামের একটি মৃতপ্রায় নদী ও এর তীরবর্তী জনপদের মানুষের দুর্ভোগ ঘিরে। নদী শুকিয়ে চর জেগে ওঠার ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকায় যে বিপর্যয় নেমে আসে, তার সাথে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও মানসিক সংকটের এক শৈল্পিক মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে।
    প্রধান চরিত্র
    • মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম): কুমুরডাঙ্গা বা কুসুমডাঙ্গার মহকুমা হাকিম। তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
    • অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে—খালেক, আক্কাস ও কুসুমডাঙ্গার সাধারণ মানুষ, যারা নদীর মৃত্যুতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত।
    গঠনশৈলী ও শিল্পরূপ
    • চেতনাপ্রবাহ (Stream of Consciousness): লেখকের পরিণত শিল্পচেতনার স্বাক্ষরবাহী এই উপন্যাসে ঘটনাপ্রবাহের চেয়ে চরিত্রের অবচেতন মনের ভাবনা, স্মৃতি ও দ্বন্দ্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
    • প্রতীকী রূপ: মৃতপ্রায় নদীটি কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং সমাজ ও মানুষের অবক্ষয়, স্থবিরতা এবং অস্তিত্বের সংকটের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে।
    • আঙ্গিক: আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এটি সম্পূর্ণ দেশজ সংস্কৃতির আবহে রচিত।
    ২০১৫ সালে ওসামান জামাল ইংরেজিতে “Cry River Cry” শিরোনামে বইটির অনুবাদ করেন।
    আপনি কি “কাঁদো নদী কাঁদো” উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম)-এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুনতে চান?
    200.00৳ 267.00৳ 
  • দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) লেখার সময় [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের] এ-দুটি উপন্যাসের [চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা] কথা মনে রেখেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কল্লোল- গোষ্ঠী শেষের কবিতায় উজ্জীবিত হয়েছিলেন, মানিকও শেষের কবিতা স্মরণে রেখেছিলেন। যে রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে মানিকের বিদ্রোহ, সেই রোমান্টিকতা নানা ছদ্মবেশে তাঁকে পাকে পাকে জড়িয়ে রেখেছিল, তার প্রমাণ দিবারাত্রির কাব্য।

     

    190.00৳ 267.00৳ 

Main Menu