• Value Top VT-1256 120mm Static Case Cooling Fan

    • Model: Value Top VT-1256
    • Type: Case Cooling Fan
    • Series: Static Series
    • Blade Qty: 7-blade
    • Fan Speed: 1100RPM+-10%
    • Voltage: 12V
    • Lighting Effect: 3 Color
    • Fan Size (Height): 120mm
    • Rated Power: 3W – 4W
    • Power Connectors: 4-Pin
    • Rated Current: 0.25-0.70A
    • Feature: Multi-color Static LED fan
    • Weight (Kg): 110gm
    • Air Flow: 28CFM
    • Noise: 25dB(A),
    • Fan Size: 120mm
    350.00৳ 400.00৳ 
  • Creme 21 all Day_Cream for Moisturizing 50ml

    Creme 21 all Day_Cream for Moisturizing 50ml

    • Category Type : Body
    • Suitable Skin Type : All Skin Type
    • Texture : Cream
    • Recommended Use : Moisturiser
    • Type : Moisturizers
    • Brand : Creme 21
    • Size : 50 ml
    • Made in UAE
    350.00৳ 390.00৳ 
  • TECHNIC MATTE MEGA BLUSH PALETTE 11.2g

    • Brand: Technic.
    • Cosmetic Range: Mega Matte.
    • Cosmetic Type: Blusher, Face Makeup.
    • 4 Color.
    • Size: 11.2g
    • Packaging: Boxed.
    • Easy To use,
    • Easy To Carry For Travel.
    • Developed In England.
    • Made In China.
    • Technic’s most loved Mega Blush has had a makeover!
    • Four warm matte blush shades, adding a nice pink glow to your cheeks.
    • Suitable for Vegetarians.
    • Suitable for Vegans.
    350.00৳ 390.00৳ 
  • M.N Menow New Generation Soft Matte Lip Liner Pencil 12 Pieces Set

    • Product Colour Shade: Multicolor.
    • Skin Tone: Fair.
    • Items No: P121.
    • Skin Undertone: Neutral.
    • Benefits / Features: Long Wear.
    • Country of Origin or manufacturer: P R C.
    • Net Qty (No. of items inside):12 Lip Pencil.
    • Made In China.
    • Makes lips look fuller and creamier all day long.
    • Enriched with Vitamin E.Stays on for long hours.
    • Formulated with rich, intense pigments.
    350.00৳ 420.00৳ 
  • Premium Daily Nuts -Kaju Badam,Pesta Badam & other Mix- 300gm

    Premium Daily Nuts -Kaju Badam,Pesta Badam & other Mix- 300gm

    • * Cashew Nut
    • * Premium Quality
    • * Pure and Fresh
    • * Good for your healthy life
    • * Weight:300gm
    • * Product Type: Nut
    • * Good Quality Product

     

  • Naked3 Makeup Brush Set 12 pcs

    Naked3 Makeup Brush Set – 12Pcs

    Soft and smooth touch
    High quality wooden sticks
    Brush made of synthetic hair
    High-quality and stylish packaging
    Ideal for professionals or home makeup use
    Portable leather pouch included with the brush set

  • ভালো থেকো ভালোবাসা(৭টি গল্প) (হার্ডকভার)

    ভালো থেকো ভালোবাসা(৭টি গল্প) (হার্ডকভার)

    ভালো থেকো ভালোবাসা (৭টি গল্প) কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের লেখা একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পের সংকলন। বইটি প্রেমের এবং সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা সাতটি ভিন্ন গল্পের এক অপূর্ব সংকলন।

    350.00৳ 400.00৳ 
  • গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক) সমরেশ মজুমদার

    গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩ (পেপারব্যাক)

    বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক বই ‘গীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ৩’। এই বইটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার সাবলীল বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিচে দেওয়া হলো:
    • লেখক: সমরেশ মজুমদার
    • বইয়ের ধরন: আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    • সংস্করণ: পেপারব্যাক
    • প্রকাশক: সাহিত্যম
    350.00৳ 400.00৳ 
  • চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

    তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।

    350.00৳ 670.00৳ 
  • অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। ‘প্রবাসী’ মাসিকপত্রে ১৩৩৬ সালের পৌষ সংখ্যা থেকে ১৩৩৮- এর আশ্বিন সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসের স্ফীতির কারণে দু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে প্রথম বের হয়ঃ প্রথম ভাগের প্রকাশকাল মাঘ ১৩৩৮ [এপ্রিল ১৯৩২], দ্বিতীয় ভাগের প্রকাশকাল ফাল্গুন ১৩৩৮ [মে ১৯৩২]। এবারেও প্রকাশক ছিলেন সজনীকান্ত দাস, বের করা হয়েছিল রঞ্জন প্রকাশালয় থেকে এবং দাম ছিল যথাক্রমে দু টাকা চার আনা ও দু টাকা। পরে ‘অপরাজিত’ দু খণ্ডের জায়গায় এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়, এখনও তাই হচ্ছে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন ‘মাতৃদেবীকে’।

    ‘অপরাজিত’ সাময়িকপত্রে মুদ্রণের আগে লেখকের পরিকল্পিত নাম ছিল ‘আলোর সারথি’, কিন্তু ‘প্রবাসী’ তে ছাপানোর সময়েই শিরোনাম পরিবর্তন করে ‘অপরাজিত’ রেখেছিলেন।

    ‘পথের পাঁচালী’ র অপু-কাহিনীরই সম্প্রসারণ ‘অপরাজিত’। পরে কোন এক সময়ে অপুর সন্তান কাজলকে নিয়ে উপন্যাস রচনার ইচ্ছা তার মনে ছিল। ‘তৃণাঙ্কুর’ দিনলিপিতে তিনি লিখেছেনঃ

    “অপুকে জন্ম থেকে ৩৪ বৎসর বয়স পর্যন্ত আমি কলমের ডগায় সৃষ্টি করেচি। তাকে ছাড়তে সত্যিকার বেদনা অনুভব করচি-তবে সে ছিল অনেকখানিই আমার নিজের সঙ্গে জড়ানো, সেইজন্যে বেশি কষ্ট হচ্ছে বিদায় দিতে কাজলকে, লীলাকে, দুর্গাকে, রাণূদি’কে- তার স্ত্রী অপর্ণাকে , অপর্ণাকে (অপু) হঠাৎ করেই পেয়েছিল , তার স্ত্রী অপর্ণার সাথে কাটানো সময় টা অনেক স্মৃতিময় ছিল ,এরা সত্য সত্যই কল্পনাসৃষ্ট প্রাণী। কোনোদিকে এদের কোনো ভিত্তি নেই এক আমার কল্পনা ছাড়া।“

    কিন্তু, কাজলকে নিয়ে কাহিনীসৃষ্টির পূর্বেই  বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যান। তার একমাত্র পুত্র তারাদাস  বন্দ্যোপাধ্যায় অপু-কাহিনীর তৃতীয় খণ্ড হিসেবে বহু পরে ‘কাজল’ রচনা করেন। ‘কাজল কেন লিখব, শিরোনামে একটি রচনা বিভূতিভূষণ মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে ‘কথাসাহিত্য’ পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলেন এবং ঐ কাগজেই ১৩৫৭-র পৌষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভেবে ‘কাজল’ প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। এ থেকে তার যে অভিপ্রায় ধরা পরে পিতার সেই অতৃপ্ত বাসনা পুত্র চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছিলেন, সন্দেহ নেই।

    350.00৳ 460.00৳ 
  • বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ সিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন

    বিষাদ-সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও প্রাচীনতম উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হিজরি ৬১ সালে সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ ও এর পূর্বাপর ঘটনাবলী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয় ১৮৯১সালে।

    350.00৳ 470.00৳ 
  • দাস পার্টির খোঁজে — হাসান মোরশেদ

    দাস পার্টির খোঁজে মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক উপাখ্যান — হাসান মোরশেদ

    ১৯৭১ সালের ঘটনা। সুনামগঞ্জ জেলা সংলগ্ন ভারতের বালাট অঞ্চলে যুদ্ধবিতাড়িত বাঙালিদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শরণার্থী শিবির। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাঙালি শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। তাছাড়া যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণরত কয়েকদল বাঙালি তরুণেরও আশ্রয় মিলেছে এখানে। স্বজনহারাদের আহাজারি ও ত্রস্ত, ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নার আওয়াজে শিবিরের বাতাস এক অদ্ভুত শোকে ভারী হয়ে আছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। শিবিরে দেখা দেয় চরম শৃঙ্খলাহীনতা। এ সময়ে শিবিরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় স্থানীয় খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আগ্রাসনে। সময়-অসময়ে খাসিয়া সন্ত্রাসীরা শরণার্থী শিবিরে হানা দিয়ে চাঁদাবাজি করতে থাকে। এদের হাতে মারধোরের শিকার হতে থাকে অসহায় বাঙালিরা।

    এমন পরিস্থিতিতে উদ্বুদ্ধ হলো এক তরুণ। খাসিয়াদের উচিত শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আরও কয়েকজন তরুণকে নিয়ে একটি দল গড়ে তুললেন। এরপর একদিন সুযোগ বুঝে আক্রমণকারী সন্ত্রাসীদের পাল্টা আঘাত করে বসে তার দল। অপ্রস্তুত খাসিয়া সন্ত্রাসীরা এতে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তার মাঝে কয়েকজন খাসিয়া সেই দলটির হাতে ধরা পড়ে। এদের পাহাড়ি নদীর চরে এনে মেরে ফেলা হলো। খাসিয়ারা সেদিনের পর আর কোনোদিন বাঙালি শিবিরে আক্রমণ করার সাহস করেনি।

    এক বাঙালি তরুণের অসীম সাহসিকতায় দমে যায় খাসিয়ারা। সেই তরুণের নাম জগৎজ্যোতি দাস। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন এবং হয়ে উঠেন এক বিশেষ গেরিলা দলের নেতা। তার নামানুসারে এই দলটির নামকরণ করা হয়

Main Menu