চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
299.00৳ 390.00৳ (-23%)
চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
‘চিলেকোঠার সেপাই’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য কালজয়ী উপন্যাস, যা কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অসামান্য লেখনীতে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত。 ১৯৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) গণআন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী বিক্ষোভ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে。
উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে উত্তাল ছিল, লেখক সেই অগ্নিগর্ভ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে উপন্যাসের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন。
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান। সে পুরান ঢাকার একটি বাড়ির চিলেকোঠায় বসবাস করে এবং জানালা দিয়ে বাইরের রাজপথের আন্দোলন ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনগুলো প্রত্যক্ষ করে।
- সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা: ওসমান মূলত একজন নীরব দর্শক এবং কিছুটা ভীরু প্রকৃতির হলেও, শেষ পর্যন্ত সে বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে নিজেকে সঁপে দেয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণজাগরণে যুক্ত হয়。
- শহীদ ড. জোহা: এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ড. শামসুজ্জোহার (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড খুব আবেগের সাথে চিত্রিত হয়েছে, যা তৎকালীন আন্দোলনের ভয়াবহতা তুলে ধরে。
সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের সুবাদে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৮৭ সালে प्रतिष्ठित ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন।
চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
‘চিলেকোঠার সেপাই’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য কালজয়ী উপন্যাস, যা কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অসামান্য লেখনীতে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত。 ১৯৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) গণআন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী বিক্ষোভ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে。
উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে উত্তাল ছিল, লেখক সেই অগ্নিগর্ভ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে উপন্যাসের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন。
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান। সে পুরান ঢাকার একটি বাড়ির চিলেকোঠায় বসবাস করে এবং জানালা দিয়ে বাইরের রাজপথের আন্দোলন ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনগুলো প্রত্যক্ষ করে।
- সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা: ওসমান মূলত একজন নীরব দর্শক এবং কিছুটা ভীরু প্রকৃতির হলেও, শেষ পর্যন্ত সে বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে নিজেকে সঁপে দেয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণজাগরণে যুক্ত হয়。
- শহীদ ড. জোহা: এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ড. শামসুজ্জোহার (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড খুব আবেগের সাথে চিত্রিত হয়েছে, যা তৎকালীন আন্দোলনের ভয়াবহতা তুলে ধরে。
সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের সুবাদে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৮৭ সালে प्रतिष्ठित ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন।







Reviews
There are no reviews yet.