বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
120.00৳ 180.00৳ (-33%)
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’ (১৮৮৩) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি পনেরো শতকের যশোরের প্রতাপাদিত্য ও তাঁর পরিবারের করুণ রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উপন্যাসটির মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
📖 মূল চরিত্রসমূহ
- প্রতাপাদিত্য: যশোরের প্রতাপশালী রাজা, যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
- বসন্ত রায়: প্রতাপাদিত্যের কাকা এবং দিল্লির সম্রাট আকবরের অনুগত এক সহজ-সরল ও সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ।
- উদয়াদিত্য: প্রতাপাদিত্যের উদার ও কোমল মনের বড় ছেলে।
- সুরমা: উদয়াদিত্যের স্ত্রী (বৌ-ঠাকুরাণী)।
- বিভা: প্রতাপাদিত্যের মেয়ে।
- রামচন্দ্র রায়: বক্লার রাজা এবং বিভার স্বামী।
✍️ কাহিনির সারসংক্ষেপ
প্রতাপাদিত্যের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ক্ষমতার লোভই এই উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি। কাকা বসন্ত রায়ের উদারতা এবং জনপ্রিয়তা তিনি সহ্য করতে পারতেন না। অন্যদিকে, বড় ছেলে উদয়াদিত্য ছিলেন পিতার নিষ্ঠুরতার সম্পূর্ণ বিপরীত—ন্যায়পরায়ণ ও প্রজাদরদী।
উদয়াদিত্য ও তাঁর স্ত্রী সুরমার (বৌ-ঠাকুরাণী) মধ্যকার দাম্পত্য প্রেম এবং কাকা বসন্ত রায়ের প্রতি উদয়ের গভীর স্নেহ কাহিনির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, প্রতাপাদিত্য অন্যায়ভাবে তাঁর কাকা বসন্ত রায়কে হত্যা করেন এবং উদয়াদিত্যের স্ত্রী সুরমাকেও মিথ্যে অপবাদে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। পরিশেষে, প্রতাপাদিত্যের নিষ্ঠুরতার কারণে এক মর্মান্তিক ও করুণ পরিণতির মধ্য দিয়ে কাহিনিটি সমাপ্ত হয়।
💡 অন্যান্য তথ্য
- মূল থিম: পারিবারিক ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং নারীর আত্মত্যাগ।
- নাট্যরূপ: এই উপন্যাসটির কাহিনি অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই পরে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামে একটি নাটক রচনা করেন।
- চলচ্চিত্র: ১৯৫৩ সালে নরেশ মিত্রের পরিচালনায় এই উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের একটি বাংলা চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’ (১৮৮৩) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি পনেরো শতকের যশোরের প্রতাপাদিত্য ও তাঁর পরিবারের করুণ রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উপন্যাসটির মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
📖 মূল চরিত্রসমূহ
- প্রতাপাদিত্য: যশোরের প্রতাপশালী রাজা, যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
- বসন্ত রায়: প্রতাপাদিত্যের কাকা এবং দিল্লির সম্রাট আকবরের অনুগত এক সহজ-সরল ও সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ।
- উদয়াদিত্য: প্রতাপাদিত্যের উদার ও কোমল মনের বড় ছেলে।
- সুরমা: উদয়াদিত্যের স্ত্রী (বৌ-ঠাকুরাণী)।
- বিভা: প্রতাপাদিত্যের মেয়ে।
- রামচন্দ্র রায়: বক্লার রাজা এবং বিভার স্বামী।
✍️ কাহিনির সারসংক্ষেপ
প্রতাপাদিত্যের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ক্ষমতার লোভই এই উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি। কাকা বসন্ত রায়ের উদারতা এবং জনপ্রিয়তা তিনি সহ্য করতে পারতেন না। অন্যদিকে, বড় ছেলে উদয়াদিত্য ছিলেন পিতার নিষ্ঠুরতার সম্পূর্ণ বিপরীত—ন্যায়পরায়ণ ও প্রজাদরদী।
উদয়াদিত্য ও তাঁর স্ত্রী সুরমার (বৌ-ঠাকুরাণী) মধ্যকার দাম্পত্য প্রেম এবং কাকা বসন্ত রায়ের প্রতি উদয়ের গভীর স্নেহ কাহিনির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, প্রতাপাদিত্য অন্যায়ভাবে তাঁর কাকা বসন্ত রায়কে হত্যা করেন এবং উদয়াদিত্যের স্ত্রী সুরমাকেও মিথ্যে অপবাদে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। পরিশেষে, প্রতাপাদিত্যের নিষ্ঠুরতার কারণে এক মর্মান্তিক ও করুণ পরিণতির মধ্য দিয়ে কাহিনিটি সমাপ্ত হয়।
💡 অন্যান্য তথ্য
- মূল থিম: পারিবারিক ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং নারীর আত্মত্যাগ।
- নাট্যরূপ: এই উপন্যাসটির কাহিনি অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই পরে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামে একটি নাটক রচনা করেন।
- চলচ্চিত্র: ১৯৫৩ সালে নরেশ মিত্রের পরিচালনায় এই উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের একটি বাংলা চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।







Reviews
There are no reviews yet.