• সীতায়ণ সীতার চোখে রামায়ণ উপাখ্যান। –চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী , আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ (অনুবাদক)

    সীতায়ণ সীতার চোখে রামায়ণ উপাখ্যান। –চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী , আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ (অনুবাদক)

    “সীতায়ণ” বিশ্ববিখ্যাত লেখিকা চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী-এর জনপ্রিয় ইংরেজি উপন্যাস “The Forest of Enchantments”-এর বাংলা রূপান্তর। বইটির চমৎকার বাংলা অনুবাদ করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
    সনাতন মহাকাব্য রামায়ণকে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে, ঐতিহ্যবাহী পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে কেবল সীতার চোখের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এই উপন্যাসে।
  • নূর –লতিফুল ইসলাম শিবলী

    নূর –লতিফুল ইসলাম শিবলী

    ‘নূর’ হলো কথাসাহিত্যিক ও গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলীর লেখা একটি জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি মূলত ফকির মজনু শাহর নেতৃত্বে পলাশী-পরবর্তী বাংলার কৃষক ও সুফি সাধকদের ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ফিকশন।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
    • মূল কাহিনি: এক কুৎসিত চেহারার মানুষকে এক বিদুষী নারী বলে—’আপনি হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ।’ এই একটি মাত্র বাক্য এবং ভালোবাসার স্পর্শ তার জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়।
    • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দখলদারি শুরু হলে, ফকির মজনু শাহ নবাবের চাকরিচ্যুত সৈন্য ও কৃষকদের সংগঠিত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যান।
    • মূল বার্তা: বাহ্যিক সৌন্দর্যের পরিবর্তে মানুষের ভেতরের সৌন্দর্য এবং ইনসাফের পক্ষে জালিমের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহসের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।
  • সোনার তরী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    সোনার তরী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের জন্ম হয় ৭ই মে ১৮৬১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা শহরে অবস্থিত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে |

    তাঁর বাবার নাম ছিলো মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি একজন মহান হিন্দু দার্শনিক ও “ব্রামদামজের” এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং তাঁর মায়ের ছিলো নাম সারদাসুন্দরী দেবী |

    বাংলা সাহিত্য জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে যদি কেউ থেকে থাকেন তাহলে সেটা অবশ্যই আমাদের সকলের প্রিয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর| তাঁর লেখা অসাধারণ সব কবিতা ও গান, আজও প্রত্যেকটা বাঙালীর সমানভাবে মন কাড়ে | তিনি শুধু একজন শ্রেষ্ঠ গল্পকারই ছিলেন না, সেইসাথে ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিকও

    150.00৳ 200.00৳ 
  • ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    ‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ভাগ্যবিপর্যয়, প্রেম এবং আত্মপরিচয় উদ্ধারের মতো চমৎকার সব বিষয়বস্তুর বুননে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
    উপন্যাসটির মূল কাহিনি সংক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
     কাহিনি সংক্ষেপ
    • সূচনা: গল্পের নায়িকা ইন্দিরা বুদ্ধিমতী ও অভিজাত পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বামীর পরিবার দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে অনেকদিন গোপন রাখা হয় এবং বাবার বাড়িতেই তাকে রাখা হয়।
    • দুর্ঘটনা: একদিন বাবা তাকে লুকিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পথিমধ্যে কালাদীঘির নামক স্থানে ডাকাতদের কবলে পড়ে সব হারিয়ে তিনি অনাথ হয়ে যান।
    • নতুন পরিচয়: ডাকাতদের কবল থেকে কোনোমতে পালিয়ে তিনি তার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় বা ধনীর বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরিচারিকার ছদ্মবেশে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রূপের গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেন।
    • পরিণতি: একসময় স্বামীর সাথে তার পরিচয় ও পুনর্মিলন ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আসল পরিচয় এবং স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পান।
    150.00৳ 200.00৳ 
  • বামুনের মেয়ে—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    বামুনের মেয়ে—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    জাতপাতের ফিরিস্তি তুলে বিশেষ একটি গোত্রের সবকিছুতে নেতৃস্থানীয় দাম্ভিকতা, তাদের বিধি-বিধানের প্রাবল্য আর বিপরীত পক্ষকে সেসব শাস্ত্রবচন আওড়িয়ে কুণ্ঠিত করে রাখা, সত্য-মিথ্যার মাপকাঠিতে নির্ঘাত অলীকের আশ্রয়ে হয়কে নয় রূপে প্রতিপন্ন করা, আর্থিক দাম্ভিকতায় ব্যক্তিবিশেষের মোড়লিপনা, টাকার জোরে সামাজিক অবস্থান কিনে নেওয়া কুলীন ব্রাহ্মণের যৌন লালসার শিকার হয়ে নারীর দুর্যোগ-দুর্বিপাকে শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে তীর্থভূমিতে প্রত্যাবর্তন, নারীর পশ্চাদপদতা ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য অগ্রহণযোগ্য ঘটনায় দুর্ঘটনায় সমৃদ্ধ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বামুনের মেয়ে উপন্যাসটি১৯২০ সালে এই উপন্যাসটি পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।

    150.00৳ 200.00৳ 
  • হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    হাজার বছর ধরে–জহির রায়হান

    ‘হাজার বছর ধরে’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক গ্রামীণ সমাজের শাশ্বত রূপ, মানুষের জীবনসংগ্রাম, কুসংস্কার, প্রেম-ভালোবাসা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
      • মূল উপজীব্য: গ্রামীণ জীবনের একান্নবর্তী পরিবারের টানাপোড়েন, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম এবং আবহমানকাল ধরে চলে আসা গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র।
      • প্রধান চরিত্রসমূহ: উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— বুড়ো মকবুল (শিকদার বাড়ির মুরব্বি), টুনি (মকবুলের তৃতীয়া স্ত্রী), মন্তু (মকবুলের দুঃসম্পর্কের ভাই) এবং আম্বিয়া।
      • পুরস্কার: এই কালজয়ী সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ জহির রায়হান ১৯৬৪ সালে ‘আদমজী পুরস্কার’ লাভ করেন 
    • চলচ্চিত্ররূপ: জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে তাঁরই সহধর্মিণী ও অভিনেত্রী সুচন্দা পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ শিরোনামে একটি সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
    160.00৳ 200.00৳ 
  • চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য কালজয়ী উপন্যাস, যা কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অসামান্য লেখনীতে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত。 ১৯৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) গণআন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী বিক্ষোভ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে。
    উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
    • ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে উত্তাল ছিল, লেখক সেই অগ্নিগর্ভ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে উপন্যাসের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন。
    • কেন্দ্রীয় চরিত্র: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান। সে পুরান ঢাকার একটি বাড়ির চিলেকোঠায় বসবাস করে এবং জানালা দিয়ে বাইরের রাজপথের আন্দোলন ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনগুলো প্রত্যক্ষ করে।
    • সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা: ওসমান মূলত একজন নীরব দর্শক এবং কিছুটা ভীরু প্রকৃতির হলেও, শেষ পর্যন্ত সে বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে নিজেকে সঁপে দেয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণজাগরণে যুক্ত হয়。
    • শহীদ ড. জোহা: এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ড. শামসুজ্জোহার (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড খুব আবেগের সাথে চিত্রিত হয়েছে, যা তৎকালীন আন্দোলনের ভয়াবহতা তুলে ধরে。
    সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের সুবাদে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৮৭ সালে प्रतिष्ठित ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন।
    299.00৳ 390.00৳ 
  • শবনম –সৈয়দ মুজতবা আলী

    শবনম –সৈয়দ মুজতবা আলী

    শবনম বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী একটি প্রেমের উপন্যাস, যা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী রচনা করেন। ১৯৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মূল পটভূমি আফগানিস্তান। এটি একদিকে যেমন অপূর্ব প্রেমের গল্প, অন্যদিকে আফগানিস্তানের তৎকালীন সংস্কৃতি, রাজনীতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক জীবন্ত চিত্র।
    কাহিনীর সারসংক্ষেপ
    উপন্যাসটির মূল চরিত্র একজন বাঙালি যুবক মজনূন এবং তুর্কি বংশোদ্ভূত আফগান তরুণী শবনম। আফগানিস্তানে কর্মরত থাকার সময় তাদের পরিচয়, প্রেম এবং বিয়ে হয়। কিন্তু পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নানা উত্থান-পতনের কারণে এক মর্মান্তিক বিচ্ছেদের মুখোমুখি হতে হয় তাদের।
    উপন্যাসের মূল আকর্ষণ
    • ভাষাশৈলী: সৈয়দ মুজতবা আলীর অনন্য, সরস ও কাব্যিক ভাষা উপন্যাসের প্রতিটি লাইনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
    • আফগান সংস্কৃতি: উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক খুব সুন্দরভাবে কাবুলের তুষারাবৃত পরিবেশ, মানুষের জীবনযাত্রা ও কাবুলের বল-ডান্সের মতো বিষয়গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন।
    • চিরন্তন প্রেম: মজনূন ও শবনমের প্রেম যেন রাধা-কৃষ্ণ কিংবা শিরি-ফরহাদের মতো চিরায়ত অমর প্রেমের রূপ ধারণ করে।
    280.00৳ 330.00৳ 
  • বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    বরফ গলা নদী —জহির রায়হান

    ‘বরফ গলা নদী’ বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান কর্তক রচিত। নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘাত-প্রতিঘাত, মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি ও আবেগ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
    মূল কাহিনি ও পটভূমি
    ‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসে মূলত তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রাম ও টানাপোড়েনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র মাহমুদের চারপাশের মানুষ এবং তাদের পাওয়া-না পাওয়ার দোলাচল নিয়েই এগিয়ে যায় এর কাহিনি। জীবন চলার পথে মানুষের আবেগ, হতাশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
    250.00৳ 270.00৳ 
  • অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অশনি-সংকেত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অশনি-সংকেত’ বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য ক্লাসিক উপন্যাস , যা ১৯৪৩-৪৪ সালের (বাংলা ১৩৫০) ভয়াবহ পঞ্চাশের মন্বন্তরের নির্মম পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসে মানুষের অবক্ষয়, ক্ষুধা এবং গ্রামীণ জীবনের করুণ চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
    উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ও দিকগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
    মূল প্রেক্ষাপট
    • পটভূমি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের খাদ্য মজুতদারি এবং নীতির কারণে সৃষ্ট বাংলায় কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ।
    • প্রভাব: গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন কীভাবে ধীরে ধীরে অভাব, অনাহার ও মহামারীর দিকে ধাবিত হয়েছিল, তারই মর্মস্পর্শী বিবরণ।
    150.00৳ 250.00৳ 
  • লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    লালসালু —সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    উপন্যাসটি মহব্বতনগর গ্রাম এবং গ্রাম্য জীবনের নানা প্রতিকূলতার বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়। মজিদ নামের এক চতুর লোক গ্রামে এসে বুঝতে পারে যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সরলমনা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের মাধ্যমে তাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। মজিদ গ্রামবাসীদের বকাঝকা করতে শুরু করে এই বলে যে, তারা মুদাসসির পীরের (যার আক্ষরিক অর্থ অজ্ঞাত সাধু) কবরের যত্ন নেয়নি। সে তাদের একটি বানানো গল্প শোনায় যে, এক পীর (ধর্মীয় জাদুকর) তাকে স্বপ্নে দেখিয়েছে যে তার কবরের যত্ন নেওয়া হচ্ছে না এবং ওই এলাকার মানুষ পাপী। গ্রামের তথাকথিত প্রধান খালেক বেপরীসহ প্রায় সবাই মজিদের গল্প বিশ্বাস করে। খালেক বেপরীসহ গ্রামের সকলের উপর মজিদের একটি ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা কবরটি মেরামত করে, একটি মাজার এবং মজিদের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দেয়। এরপর মজিদ সেখানে বসবাস শুরু করে এবং ভুয়া ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে বোকা বানিয়ে ধনী হয়ে ওঠে। মজিদ রহিমা নামে এক বিধবা ও বাধ্য স্ত্রীকেও বিয়ে করে। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ালপুরে এক মহান পীরের আগমনের মতো কিছু লোক তার বিরোধিতা করায় মজিদকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে। পরে মজিদ জামিলা নামে এক কিশোরীকেও (দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে) বিয়ে করে, যাকে পরবর্তীতে মজিদের ভ্রান্ত শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য পবিত্র মাজারের কাছে বেঁধে রেখে শাস্তি দেওয়া হয়।

    গল্প জুড়ে ধীরে ধীরে মজিদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়, কিন্তু গ্রামবাসীরা এতটাই সরলমনা যে তারা শুরু থেকেই তার চালাকি বুঝতে পারে না।

    150.00৳ 250.00৳ 
  • দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    দুই বাড়ি — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    অজপাড়াগাঁয়ের অভাবের সংসারে রামতারণ ও তার পরিবারের জন্য নিধিরামই একমাত্র অবলম্বন। ছেলে মোক্তারি করে পরিবারের হাল ধরবে, গ্ৰামে তাকে নিয়ে গর্ব করা হবে এই তো চাই রামতারণের। নিধিরাম অর্থাৎ নিধুর বয়স পঁচিশ, কর্মস্থলে কেবল পর্দাপণ করে কিছুটা দিশেহারা অবস্থায়, কেননা আদালতের ভেতরের রাজনীতি, মক্কেলদের মিথ্যে শিখানো তার স্বভাবের বাহিরে। তবুও শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্নেহের দরুন এই পেশায় রোজগারের দ্বার একটু করে খুলতে শুরু করেছে , দ্বার খুলেছে জীবনের আরেকটি পর্দার। প্রতি সপ্তাহে ছুটির সুবাদে গ্ৰামে যাওয়া হয় নিধুর। সংসারের হাল ধরে দাঁড়ানোর সুযোগটা হলো কেবল। এর মধ্যে নিধুদের প্রতিবেশী লালবিহারী চাটুয্যে তার পরিবার নিয়ে পূজার ছুটিতে গাঁয়ে আসে, সাথে নিয়ে আসে ষোড়শী কন্যা মঞ্জুকে। জীবনে মা-বোনরা বাদে অন্য নারীদের সান্নিধ্য পায়নি নিধু। মঞ্জুর কথার ভঙ্গি , বিনয়ী ও সকলকে আপন করার স্বভাব প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে নিধুকে। কিন্তু নিধু এটাও বোঝে যে সৃষ্টিকর্তা মোটাদাগে তাকে ইঙ্গিত-ইশারায় বুঝিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাদের দু’জনের মাঝের বিশাল আর্থিক বৈষম্যতা যা সমাজে চলে আসছে ও চলবে। পারিবারিক, মানসিক তথা সামাজিক জীবনে ধনী-দরিদ্রের এই অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের টানাপোড়েনকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দের তুলিতে অঙ্কণ করেছেন ‘দুই বাড়ি’ শীর্ষক উপন্যাসে।

    210.00৳ 350.00৳ 

Main Menu