- “ZKTeco G2 Fingerprint Time Attendance & Access Control Terminal” already exists in your wishlist
-
আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
আম আঁটির ভেঁপু হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী কিশোর উপন্যাস। এটি মূলত তাঁর অমর সৃষ্টি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের ছোটদের উপযোগী একটি সংস্করণ।নিচে বইটির সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয় বিবরণ দেওয়া হলো:- মূল চরিত্র: নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের দুই ভাই-বোন অপু (অপূর্বকুমার) ও দুর্গা।
- কাহিনী সংক্ষেপ: গ্রামের সাদামাটা পরিবেশে বেড়ে ওঠা অপু ও দুর্গার দুরন্ত শৈশব, তাদের ছোট ছোট আনন্দ-বেদনা, প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা এবং গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। ভাইবোনের গভীর ভালোবাসা ও তাদের তৈরি করা নানা খেলনার গল্প এই উপন্যাসের প্রাণ।
- নামকরণ: উপন্যাসের একটি অংশে দুর্গা আম আঁটি দিয়ে ভেঁপু বা বাঁশি বানিয়ে অপু ও তার সঙ্গীদের সাথে খেলে, যার নামানুসারে বইটির নামকরণ করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্র: এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করেই প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণ করেছিলেন।
150.00৳200.00৳ -
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’ (১৮৮৩) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি পনেরো শতকের যশোরের প্রতাপাদিত্য ও তাঁর পরিবারের করুণ রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত।উপন্যাসটির মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:📖 মূল চরিত্রসমূহ- প্রতাপাদিত্য: যশোরের প্রতাপশালী রাজা, যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
- বসন্ত রায়: প্রতাপাদিত্যের কাকা এবং দিল্লির সম্রাট আকবরের অনুগত এক সহজ-সরল ও সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ।
- উদয়াদিত্য: প্রতাপাদিত্যের উদার ও কোমল মনের বড় ছেলে।
- সুরমা: উদয়াদিত্যের স্ত্রী (বৌ-ঠাকুরাণী)।
- বিভা: প্রতাপাদিত্যের মেয়ে।
- রামচন্দ্র রায়: বক্লার রাজা এবং বিভার স্বামী।
✍️ কাহিনির সারসংক্ষেপপ্রতাপাদিত্যের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ক্ষমতার লোভই এই উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি। কাকা বসন্ত রায়ের উদারতা এবং জনপ্রিয়তা তিনি সহ্য করতে পারতেন না। অন্যদিকে, বড় ছেলে উদয়াদিত্য ছিলেন পিতার নিষ্ঠুরতার সম্পূর্ণ বিপরীত—ন্যায়পরায়ণ ও প্রজাদরদী।উদয়াদিত্য ও তাঁর স্ত্রী সুরমার (বৌ-ঠাকুরাণী) মধ্যকার দাম্পত্য প্রেম এবং কাকা বসন্ত রায়ের প্রতি উদয়ের গভীর স্নেহ কাহিনির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, প্রতাপাদিত্য অন্যায়ভাবে তাঁর কাকা বসন্ত রায়কে হত্যা করেন এবং উদয়াদিত্যের স্ত্রী সুরমাকেও মিথ্যে অপবাদে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। পরিশেষে, প্রতাপাদিত্যের নিষ্ঠুরতার কারণে এক মর্মান্তিক ও করুণ পরিণতির মধ্য দিয়ে কাহিনিটি সমাপ্ত হয়।💡 অন্যান্য তথ্য- মূল থিম: পারিবারিক ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং নারীর আত্মত্যাগ।
- নাট্যরূপ: এই উপন্যাসটির কাহিনি অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই পরে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামে একটি নাটক রচনা করেন।
- চলচ্চিত্র: ১৯৫৩ সালে নরেশ মিত্রের পরিচালনায় এই উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের একটি বাংলা চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।
120.00৳180.00৳ -
দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
যতীন, চঞ্চল জগতের এক নিঃসঙ্গ গ্রহবাসী। দেহজ কারাবাস থেকে সহসা আত্মার মুক্তিতে তার সামনে উম্নোচিত হয় আরেক জগত। এরপর তার যাত্রা শুরু হয় প্রেতলোক হতে দ্যুলোক, সন্ধ্যালোক পেরিয়ে চৈতন্যলোকের পথে। আত্মার এই অপার উন্মেষ, জীবন ও মৃত্যুর সীমারেখা ছুঁয়ে দেখার এক সূক্ষ্ম দর্শন। এভাবেই যতীন খুঁজে ফেরেন নিজেকে, পূর্বজন্মের স্মৃতি আর পরম সত্যের সান্নিধ্যে তাঁর আত্মা ধীরে ধীরে খুঁজে পায় মুক্তির ঐশীজ্যোতি।
দেবযান মূলত এক সবাক জিজ্ঞাসার নির্বাক উত্তর, যেখানে জীবন যেন মৃত্যুর আবেশে ঘেরা এক আধ্যাত্মিক প্রতিধ্বনি— অন্তরালে অপরূপ অনাবিল, অনন্ত। দেবযানকে তাই মোটাদাগে উপন্যাস হিসেবে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা গেলেও আদতে এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণের কাল্পনিক দিনলিপি; কিংবা সাহিত্যের গম্ভীর শব্দে ফিলোসফিক্যাল ফ্যান্টাসি বা মেটাফিজিক্যাল ফ্যান্টাসি। যেখানে যতীন, পুষ্প, আশালতা, প্রানায় দেবী, করুণা দেবী, বেদান্তিন সন্ন্যাসী ইত্যাদি চরিত্রসমূহকে পুঁজি করে, দর্শন ও ধর্মের মৌলিক বিষয়সমূহকে মনস্ততত্ত্বের আবহে আত্ম-কথোপকথনের মাধ্যমে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় দেবযান শীর্ষক উপন্যাস রচনা করেছেন।
170.00৳350.00৳ -
ফুলশয্যার রাত — ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
ফুলশয্যার রাত
ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
বাবা-মা আর বড়ো দাদা অমিতাভ, মেজো দিদি নিয়ে সাত-আট বছরের গৌতমের সাজানো সুখের সংসার। ছোটো একটা ফুল বাগান আছে। গৌতমের। অমিতাভদা গড়ে দিয়েছেন। বড়ো প্রিয় তার সেই বাগান। ফুলে ফুলে ভরে থাকে। গৌতমের বোনের বিয়ের পর তার মা পড়লেন কঠিন। অসুখে। কলকাতা থেকে ছুটে এলেন অমিতাভদা। এরপর জানা গেল বাবা যেমন তার দাদাকে না জানিয়েই এক জায়গায় বিয়ের পাকা কথা দিয়ে রেখেছেন, তেমনি তার দাদাও এক গরিব বন্ধুর বোনকে বিয়ে করার কথা দিয়ে রেখেছেন। বাবার সাথে জেদ করে অমিতাভদা বিয়ে করলেন সেই বন্ধুর বোন শুক্লাকে। বাবা মেনে নিতে না পেরে বের করে দিলেন নব দম্পতিকে। গৌতম পণ করল যে করেই হোক বাবাকে মানিয়ে দাদা আর বৌদিকে আবার ঘরে ফেরাবেন। এদিকে একটা সময় তার ছোটোবেলার খেলার সাথি পিটুলীকে বউ পেতে গিয়েও সম্মুখীন হতে হলো অনেক বাধার। তৈরি হলো অনিশ্চয়তার। গৌতম কি পারবে বাবাকে মানিয়ে দাদা আর বৌদিকে ঘরে ফেরাতে? পারবে কি পিটুলীকে বউ করে পেতে? তছনছ হয়ে যাওয়া সংসারকে কি পারবে আবার সাজাতে? নিখাদ প্রেম-ভালোবাসার সাথে অন্যায়ের দাসত্ব, নায্য দাবী আদায়ে প্রতিবাদ- সব মিলেমিশে সামাজিক ঘরানার এটি এক অনুপম উপাখ্যান।
125.00৳250.00৳ -
চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি চমৎকার উপন্যাস, যারা সাদাকালো চলচ্চিত্রের যুগে উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখে মুগ্ধ হতেন তারা এ উপন্যাস পড়লেই বুঝবেন এই গল্প নিয়েও কিরকম একটি দুর্দান্ত চলচ্চিত্র তৈরি করা যেতো, উপন্যাসের লেখনিতে ঘটনা প্রবাহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো গল্পকে উপস্থাপিত করে। লেখক এখানে সেই সময়ের সামাজিক সমস্যা, মুল্যবোধ এবং পরিবর্তনশীল অবস্থা আমাদের সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করেছেন।
আধুনিক প্রজন্মের অনেকের কাছে এই উপন্যাস ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটি একটি অমিলনান্তক প্রেমের উপন্যাস, যাতে একদিকে একটি তথাকথিত আধুনিক মেয়ের সামনে একটি অতি সাধারণ অথচ সৎ এবং অসামান্য ব্যক্তিত্ব পূর্ণ পুরুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। অপর দিকে একটি ভীষণ রক্ষণশীল অথচ আধুনিকা মীরাকেও উপস্থাপিত করেছেন (এমন বলছি কারণ মনের দিক থেকে ভীষণ রক্ষণশীল হলেও মীরা উচ্চশিক্ষিত এবং গাড়ি চালাতে জানে, তবে সে যেহেতু প্রাচীন সংস্কার কাটিয়ে উঠতে পারেনি তাই তাকে আধুনিকা বলাটাও যুক্তিযুক্ত কিনা সেটা ভাবা দরকার, অপর দিকে তপতী যে উচ্চশিক্ষিতা হয়েও আত্ম-অহমিকায় প্রায় অন্ধ, তাকেও আদতে আধুনিকা বলা যায় কিনা তা নিয়েও বিতর্ক হতে পারে), এছাড়া এখানে লেখক একজন সন্তান স্নেহ কাতর পিতা কেও সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করতে পেরেছেন।
130.00৳250.00৳ -
শাপমোচন –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
শাপমোচন –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
তরুণ মহেন্দ্র একজন সঙ্গীতজ্ঞ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত তবে একবার পরিবারটি তাদের শিক্ষক দ্বারা অভিশপ্ত হয়ে পড়ে। মহেন্দ্রর বড় ভাই অন্ধ হয়ে যায় এবং একই পরিণতি এড়াতে মহেন্দ্র কলকাতায় গিয়ে বাবার বন্ধু উমেশচন্দ্রের বাড়িতে থাকেন। উমেশচন্দ্রের মেয়ে মাধুরীর সাথে তিনি রোম্যান্টিকভাবে জড়িত হয়ে পড়েন। মাধুরী মহেন্দ্রকে আধুনিক করে তোলার চেষ্টা করেন এবং তাঁর সংগীতজীবনকে অনুসরণ করছেন। গান গাওয়ার দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও মহেন্দ্র তার পারিবারিক মূল্যবোধের কারণে এটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তিনি তাদের বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় একটি মেসে আশ্রয় নেন। কিন্তু তারপর অভিশাপটা তার কাছে এসে পড়ে এবং সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।
150.00৳250.00৳ -
ইতিকথার পরের কথা –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ইতিকথার পরের কথা –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইতিকথার পরের কথা’ উপন্যাসে ‘৪৭-এর দেশভাগের পরের প্রেক্ষাপট, মার্কসীয় অর্থনৈতিক চিন্তা এবং সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে। একটি ছোট কারখানা ও শ্রমিক বসতিকে কেন্দ্র করে এখানকার গল্প আবর্তিত হয়।
175.00৳350.00৳ -
মাল্যবান জীবনানন্দ দাশ
মাল্যবান
জীবনানন্দ দাশ
‘মাল্যবান’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এটি মূলত কবি ও সাহিত্যিকদের সমাজ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জটিলতায় আবর্তিত জীবনের এক গভীর এবং মর্মস্পর্শী দলিল।উপন্যাসটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যবিত্ত ও সাংসারিক টানাপোড়েনে নিমজ্জিত এক হতাশাগ্রস্ত মানুষ ‘মাল্যবান’ এবং তার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও বিপরীত স্বভাবের স্ত্রী ‘উৎপলা’র অসম দাম্পত্য জীবন।উপন্যাসের মূল পটভূমি ও বিষয়বস্তু:- জীবনকাল ও প্রকাশনা: উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে রচিত হলেও কবির মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- দাম্পত্য দ্বন্দ্ব: মাল্যবান আড়াইশো টাকা বেতনের একজন সাধারণ চাকুরে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী উৎপলা আধুনিক, জৌলুসপ্রিয় ও ভিন্ন মানসিকতার। তাদের এই বিপরীতমুখী স্বভাবের কারণে পারিবারিক জীবনে সৃষ্টি হয় তীব্র দূরত্ব ও নিঃসঙ্গতা।
- ব্যক্তিজীবনের ছায়া: অনেক সাহিত্য সমালোচকের মতে, এই উপন্যাসে জীবনানন্দ দাশের নিজের দাম্পত্য জীবনের, বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী লাবণ্য দাশের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনের এক নির্মম আত্মসত্য ও বাস্তব ছায়া প্রতিফলিত হয়েছে।
- সামাজিক বাস্তবতা: চল্লিশের দশকের কলকাতা শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের সীমিত আয়, টানাপোড়েন, মানসিক বৈকল্য এবং একঘেয়ে জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।
- শৈলী: প্রচলিত উপন্যাসের মতো এর কোনো সুনির্দিষ্ট শুরু বা শেষ নেই; বরং এটি জীবনের গহীন জটিলতার এক অখণ্ড প্রবাহ।
160.00৳330.00৳ -
থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস
থ্রি মাস্কেটিয়ার্স (পেপারব্যাক) আলেকজান্ডার ডুমাস
আলেকজান্ডার ডুমাসের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস “দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স” (১৮৪৪) দুঃসাহসিক অভিযান, তরবারি যুদ্ধ এবং বন্ধুত্বের এক অবিস্মরণীয় ক্লাসিক।বইটির মূল প্রেক্ষাপট:- চরিত্র: তরুণ দার্তানিয়ঁ এবং অ্যাথোস, পার্থোস ও আরামিস।
- কাহিনী: দার্তানিয়ঁ প্যারিসে এসে মাস্কেটিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এবং রাজার বিশ্বস্ত রক্ষীদের সাথে মিলে রানীর সম্মান রক্ষায় কার্ডিনাল রিশেলিয়ে ও তার চর লেডি ডি উইন্টারের ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করে।
- মূলমন্ত্র: “একের জন্য সবাই, সবার জন্য এক” (All for one, and one for all!)।
150.00৳250.00৳ -
পদ্মা নদীর মাঝি (হার্ডকভার) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
পদ্মা নদীর মাঝি (হার্ডকভার)
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিরায়ত উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ (১৯৩৬) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ। এটি মূলত পদ্মা তীরের জেলেদের জীবন, সংগ্রাম, প্রেম ও ভাগ্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।বইয়ের বিবরণ:- লেখক: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- ধরন: উপন্যাস
- বাইন্ডিং: হার্ডকভার
- প্রকাশক: বিভিন্ন প্রকাশনী (যেমন: কামিনী প্রকাশালয়, ইত্যাদি)
175.00৳350.00৳ -
যোগাযোগ (পেপারব্যাক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
যোগাযোগ (পেপারব্যাক)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস ‘যোগাযোগ’ (১৯২৯) । সনাতনী মূল্যবোধ ও আধুনিকতার দ্বন্দ্ব, অহংকার এবং নারীমুক্তির এক অসামান্য আখ্যান এটি। কুমুদিনী ও তার স্বামী মধুসূদনের মধ্যকার জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু।উপন্যাসের মূল তথ্য:- লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রকাশকাল: ১৯২৯ (আষাঢ়, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ)
- মূল থিম: সামাজিক দ্বন্দ্ব, অহংকার, প্রেম ও নারীমুক্তি
90.00৳150.00৳ -
আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
আরণ্যক (পেপারব্যাক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
“আরণ্যক” বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অনবদ্য চিরায়ত উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মূলত বিহারের পূর্ণিয়া ও ভাগলপুর জেলার গহীন অরণ্য এবং তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পটভূমিতে কথকের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ফুটে উঠেছে।উপন্যাসটির মূল আকর্ষণ ও বিষয়বস্তু নিচে তুলে ধরা হলো:📖 মূল বিষয়বস্তু- প্রেক্ষাপট: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সত্যচরণ কলকাতার এক বেকার যুবক, যিনি জীবিকার তাগিদে বিহারের গহীন অরণ্যবেষ্টিত লবটুলিয়া অঞ্চলের জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন।
- প্রকৃতির রূপ: কংক্রিটের শহরের যান্ত্রিক জীবনের বিপরীতে বনের আদিম রূপ, বুনো ফুল, পাখি, এবং নিস্তব্ধ রাতের রহস্যময় সৌন্দর্য উপন্যাসটিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- মানবিকতা: অরণ্যের কোলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রান্তিক ও আদিবাসী মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
200.00৳400.00৳











