- “মুক্তি --- নাজনীন শুভ্র” already exists in your wishlist
-
গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গোরা–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা। এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম।[১] এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসে মুক্তি, সর্বজনীনতা, ভ্রাতৃত্ব, লিঙ্গ, নারীবাদ, বর্ণ, শ্রেণি, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতা, নগর অভিজাত বনাম গ্রামীণ কৃষক, ঔপনিবেশিক শাসন, জাতীয়তাবাদ এবং ব্রাহ্মসমাজ নিয়ে লেখা রয়েছে।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হিসেবে চোখে পরে – গোরা।
400.00৳530.00৳ -
ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?
পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।
তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.
200.00৳267.00৳ -
চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।
তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।
350.00৳670.00৳ -
চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
চাঁদের অমাবস্যা –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
এই উপন্যাসটির বেশির ভাগ ফ্রান্সের আলপ্স্ পর্বত অঞ্চলে পাইন-ফার-এলম গাছ পরিবেষ্টিত ইউরিয়াজ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামে লেখা হয়। মঁসিয় পিয়ের তিবো এবং মাদাম ঈভন তিবোকে তাঁদের সহৃদয় আতিথ্যের জন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
200.00৳260.00৳ -
চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
চাঁদের পাহাড় — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘চাঁদের পাহাড়’ । এটি মূলত বাঙালি তরুণ শঙ্করের রোমাঞ্চ, অজানার প্রতি আকর্ষণ এবং আফ্রিকা মহাদেশের দুর্গম জঙ্গলে সোনা ও হীরার খনি আবিষ্কারের গল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি হিসেবে বিবেচিত।কাহিনির মূল আকর্ষণসমূহ:- শঙ্করের যাত্রা: পশ্চিমবঙ্গের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে শঙ্কর, অভাবের কারণে ভাগ্যের খোঁজে পাড়ি জমায় আফ্রিকার রুক্ষ ও বিপদসংকুল পরিবেশে। সেখানে সে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনে চাকরি নেয়।
- দিয়েগো আলভারেজ: আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইতালীয় অভিযাত্রী আলভারেজের সাথে তার দেখা হয়। আলভারেজ তাকে ‘চাঁদের পাহাড়’ (Mountain of the Moon)-এর হীরার খনির সন্ধান দেন।
- প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ: আলভারেজ নিখোঁজ হওয়ার পর একা শঙ্কর কালাহারি মরুভূমি, রিকটারসভেল্ডের পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গলে ভয়াবহ সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
- ভয়ংকর প্রাণী ও দানব: উপন্যাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো শঙ্করের সাথে ভয়ঙ্কর কালো মাম্বা (Black Mamba) সাপ এবং পৌরাণিক দানব ‘বুনিপ’ (Bunyip)-এর লড়াই।
160.00৳250.00৳ -
চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
চিতা বহ্নিমান –ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি চমৎকার উপন্যাস, যারা সাদাকালো চলচ্চিত্রের যুগে উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখে মুগ্ধ হতেন তারা এ উপন্যাস পড়লেই বুঝবেন এই গল্প নিয়েও কিরকম একটি দুর্দান্ত চলচ্চিত্র তৈরি করা যেতো, উপন্যাসের লেখনিতে ঘটনা প্রবাহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো গল্পকে উপস্থাপিত করে। লেখক এখানে সেই সময়ের সামাজিক সমস্যা, মুল্যবোধ এবং পরিবর্তনশীল অবস্থা আমাদের সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করেছেন।
আধুনিক প্রজন্মের অনেকের কাছে এই উপন্যাস ভালো নাও লাগতে পারে। তবে এটি একটি অমিলনান্তক প্রেমের উপন্যাস, যাতে একদিকে একটি তথাকথিত আধুনিক মেয়ের সামনে একটি অতি সাধারণ অথচ সৎ এবং অসামান্য ব্যক্তিত্ব পূর্ণ পুরুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। অপর দিকে একটি ভীষণ রক্ষণশীল অথচ আধুনিকা মীরাকেও উপস্থাপিত করেছেন (এমন বলছি কারণ মনের দিক থেকে ভীষণ রক্ষণশীল হলেও মীরা উচ্চশিক্ষিত এবং গাড়ি চালাতে জানে, তবে সে যেহেতু প্রাচীন সংস্কার কাটিয়ে উঠতে পারেনি তাই তাকে আধুনিকা বলাটাও যুক্তিযুক্ত কিনা সেটা ভাবা দরকার, অপর দিকে তপতী যে উচ্চশিক্ষিতা হয়েও আত্ম-অহমিকায় প্রায় অন্ধ, তাকেও আদতে আধুনিকা বলা যায় কিনা তা নিয়েও বিতর্ক হতে পারে), এছাড়া এখানে লেখক একজন সন্তান স্নেহ কাতর পিতা কেও সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত করতে পেরেছেন।
130.00৳250.00৳ -
চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
চিলেকোঠার সেপাই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
‘চিলেকোঠার সেপাই’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য কালজয়ী উপন্যাস, যা কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অসামান্য লেখনীতে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত。 ১৯৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) গণআন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী বিক্ষোভ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে。উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:- ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে উত্তাল ছিল, লেখক সেই অগ্নিগর্ভ সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে উপন্যাসের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন。
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান। সে পুরান ঢাকার একটি বাড়ির চিলেকোঠায় বসবাস করে এবং জানালা দিয়ে বাইরের রাজপথের আন্দোলন ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনগুলো প্রত্যক্ষ করে।
- সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা: ওসমান মূলত একজন নীরব দর্শক এবং কিছুটা ভীরু প্রকৃতির হলেও, শেষ পর্যন্ত সে বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে নিজেকে সঁপে দেয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণজাগরণে যুক্ত হয়。
- শহীদ ড. জোহা: এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ড. শামসুজ্জোহার (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড খুব আবেগের সাথে চিত্রিত হয়েছে, যা তৎকালীন আন্দোলনের ভয়াবহতা তুলে ধরে。
সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের সুবাদে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৮৭ সালে प्रतिष्ठित ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন।299.00৳390.00৳ -
জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
জননী –মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলা কথাসাহিত্যে যে ক’জন লেখকের হাতে সাহিত্য জগতে নতুন বৈপ্লবিক ধারার সূচনা হয়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডাকনাম মানিক। ডাকনামের সার্থকতা রক্ষা করেতেই হয়তো তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল, দুর্লভ ও দুর্মূল্য মানিক হিসেবেই পরিগণিত।
200.00৳260.00৳ -
জোছনা ও জননীর গল্প –হুমায়ূন আহমেদ
জোছনা ও জননীর গল্প (মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর ঐতিহাসিক উপন্যাস) — হুমায়ূন আহমেদ
‘জোছনা ও জননীর গল্প’ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি কালজয়ী ঐতিহাসিক উপন্যাস। ২০০৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে লেখক বাস্তব ঐতিহাসিক ঘটনা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণে যুদ্ধের মহাকাব্যিক চিত্র এবং সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরেছেন।উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে:- ক্যানভাস ও পটভূমি: ১৯৭১ সালে ঘটে যাওয়া গণহত্যা, শরণার্থী সমস্যা, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সমাজ ও রাজনীতির চিত্র এতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- ঐতিহাসিক চরিত্র: এটি কোনো সাধারণ ইতিহাস বই নয়, তবে এতে কথাসাহিত্যের আবরণে কবি শামসুর রাহমান, তাজউদ্দীন আহমদসহ অনেক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ও সত্য ঘটনা নিপুণভাবে স্থান পেয়েছে।
- মূল চরিত্র: শাহেদ, ইরতাজ উদ্দিন ও নাঈমুলের মতো চরিত্রের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যুদ্ধকালীন জীবনের ভয়াল রূপ ও মানবিক মূল্যবোধ ফুটে উঠেছে।
690.00৳800.00৳ -
ঝিলামের রাজকন্যা –আবদুল্লাহ আশরাফ
ঝিলামের রাজকন্যা –আবদুল্লাহ আশরাফ
ঝিলামের রাজকন্যা তরুণ ও প্রতিভাবান লেখক আবদুল্লাহ আশরাফ রচিত একটি চমৎকার ইসলামী উপন্যাস।বইটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:- লেখক: আবদুল্লাহ আশরাফ
- প্রকাশনী: রাহনুমা প্রকাশনী
- বিষয়বস্তু: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ইসলামী সাহিত্য
- প্রকাশকাল: ২০২৩ (প্রথম সংস্করণ)
- কভার: হার্ডকভার
বইটি সম্পর্কে:
উপন্যাসটিতে ঝিলাম নদী ও তৎসংলগ্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মিশেলে চমৎকার কাহিনি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি মূলত ইসলামী ঘরানার পাঠকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।200.00৳400.00৳ -
তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
তারানাথ তান্ত্রিক — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
তারানাথ তান্ত্রিক বাংলা সাহিত্যের একটি কাল্পনিক চরিত্র। বাংলা ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। বিভূতিভূষণ মাত্র দুটো গল্প লিখেছিলেন । তারপর তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেকগুলো রচনার মাধ্যমে একে এগিয়ে নিয়ে যান । সম্প্রতি তারাদাস বাবুর পুত্র তথাগত বন্দোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক এর গল্প লিখতে শুরু করেছেন , এবং তিনটি গল্প প্রকাশিত , আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরো রচনা করবেন । গল্প তিনটি হচ্ছে তারানাথের প্রত্যাবর্তন, তারানাথের ব্রহ্মাস্ত্র ও রুদ্রদেব তারানাথ। তারাদাস বাবুর অন্য পুত্র তৃণাঙ্কুর বন্দোপাধ্যায়ও ২০২৫ সালে তারানাথ তান্ত্রিক নিয়ে কলকাতায় তারানাথ নামে একটি অডিও স্টোরি লিখেছেন।
400.00৳ -
তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ
তিতাস একটি নদীর নাম —অদ্বৈত মল্লবর্মণ
তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
250.00৳330.00৳











