-
মরণের ডঙ্কা বাজে — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মরণের ডঙ্কা বাজে — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মরণের ডঙ্কা বাজে হল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কিশোর উপন্যাস। ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের পৌষ থেকে ১৩৪৬ বঙ্গাব্দের আশ্বিন পর্যন্ত এটি মৌচাক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৪০ সালের ১৫ জানুয়ারি বি. এন. পাবলিশিং হাউস, কলকাতা থেকে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বিভূতিভূষণের কিশোর উপন্যাসগুলির মধ্যে চাঁদের পাহাড় উপন্যাসের পরেই এই উপন্যাসের স্থান। এই উপন্যাসের পটভূমি রাজতন্ত্রী জাপানের হাতে আক্রান্ত চীন এবং জাপান-চীন যুদ্ধ।
150.00৳200.00৳ -
অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
অপরাজিত — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। ‘প্রবাসী’ মাসিকপত্রে ১৩৩৬ সালের পৌষ সংখ্যা থেকে ১৩৩৮- এর আশ্বিন সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসের স্ফীতির কারণে দু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে প্রথম বের হয়ঃ প্রথম ভাগের প্রকাশকাল মাঘ ১৩৩৮ [এপ্রিল ১৯৩২], দ্বিতীয় ভাগের প্রকাশকাল ফাল্গুন ১৩৩৮ [মে ১৯৩২]। এবারেও প্রকাশক ছিলেন সজনীকান্ত দাস, বের করা হয়েছিল রঞ্জন প্রকাশালয় থেকে এবং দাম ছিল যথাক্রমে দু টাকা চার আনা ও দু টাকা। পরে ‘অপরাজিত’ দু খণ্ডের জায়গায় এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়, এখনও তাই হচ্ছে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন ‘মাতৃদেবীকে’।
‘অপরাজিত’ সাময়িকপত্রে মুদ্রণের আগে লেখকের পরিকল্পিত নাম ছিল ‘আলোর সারথি’, কিন্তু ‘প্রবাসী’ তে ছাপানোর সময়েই শিরোনাম পরিবর্তন করে ‘অপরাজিত’ রেখেছিলেন।
‘পথের পাঁচালী’ র অপু-কাহিনীরই সম্প্রসারণ ‘অপরাজিত’। পরে কোন এক সময়ে অপুর সন্তান কাজলকে নিয়ে উপন্যাস রচনার ইচ্ছা তার মনে ছিল। ‘তৃণাঙ্কুর’ দিনলিপিতে তিনি লিখেছেনঃ
“অপুকে জন্ম থেকে ৩৪ বৎসর বয়স পর্যন্ত আমি কলমের ডগায় সৃষ্টি করেচি। তাকে ছাড়তে সত্যিকার বেদনা অনুভব করচি-তবে সে ছিল অনেকখানিই আমার নিজের সঙ্গে জড়ানো, সেইজন্যে বেশি কষ্ট হচ্ছে বিদায় দিতে কাজলকে, লীলাকে, দুর্গাকে, রাণূদি’কে- তার স্ত্রী অপর্ণাকে , অপর্ণাকে (অপু) হঠাৎ করেই পেয়েছিল , তার স্ত্রী অপর্ণার সাথে কাটানো সময় টা অনেক স্মৃতিময় ছিল ,এরা সত্য সত্যই কল্পনাসৃষ্ট প্রাণী। কোনোদিকে এদের কোনো ভিত্তি নেই এক আমার কল্পনা ছাড়া।“
কিন্তু, কাজলকে নিয়ে কাহিনীসৃষ্টির পূর্বেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যান। তার একমাত্র পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় অপু-কাহিনীর তৃতীয় খণ্ড হিসেবে বহু পরে ‘কাজল’ রচনা করেন। ‘কাজল কেন লিখব, শিরোনামে একটি রচনা বিভূতিভূষণ মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে ‘কথাসাহিত্য’ পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলেন এবং ঐ কাগজেই ১৩৫৭-র পৌষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভেবে ‘কাজল’ প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। এ থেকে তার যে অভিপ্রায় ধরা পরে পিতার সেই অতৃপ্ত বাসনা পুত্র চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছিলেন, সন্দেহ নেই।
350.00৳460.00৳ -
চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
চরিত্রহীন –শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৯০০ শতাব্দীর প্রথম দশকের বাংলা সমাজের পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রই (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে সব চার চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষ পর্যন্ত সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্খাগুলো সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শ্বাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।
তিনজন পুরুষ চারজন নারীর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তাদের কর্ম নারীদের জন্য ক্ষতিকর। তারা অর্পিত, অবিচ্ছেদ্য এবং তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে নয়। সেটি সাবিত্রীর পতন নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত সরোজিনীর সাথে অদ্ভুতভাবে কাজ করে, যখন তিনি উপেন্দ্রর মৃত্যু বরণে চূড়ান্ত পুনর্মিলন নিয়ে আসেন। উপেন্দ্র প্রথমে কিরণময়ীকে সাহায্য করতেন, কিন্তু দিবাকরের সাথে তার সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিকটি মনে করে এবং আসলে দিবাকরের সাথে কিরণময়ীর বাধ্যতামূলক অংশীদার হয়ে ওঠে। দিবাকর দুর্বল-নিখুঁত এবং অপ্রতিভ। একটি অনাথ, তিনি কিরণময়ী দ্বারা তার ভাই হিসাবে চিকিৎসা দ্বারা আনন্দিত হয়, এবং অবশেষে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কিরণময়ীর সাথে তার সমাধিস্থলের পরে সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করেন।
350.00৳670.00৳ -
নৌকাডুবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নৌকাডুবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
চরিত্রসমূহ
নৌকাডুবি উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে-
- রমেশ
- হেমনলিনী
- কমলা
- নলিনাক্ষ
- অন্নদাবাবু
- যোগেন্দ্র
- অক্ষয়
- চক্রবর্তী খুড়ো
- শৈলজ
- ক্ষেমংকরী
- উমেশ
250.00৳330.00৳ -
পুতুল নাচের ইতিকথা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
পুতুল নাচের ইতিকথা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
250.00৳330.00৳ -
কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
কাঁদো নদী কাঁদো –সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
“কাঁদো নদী কাঁদো” বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক ও চেতনাপ্রবাহরীতির উপন্যাস, যা ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্তৃক রচিত হয়।উপন্যাসটির মূল কেন্দ্রবিন্দু ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:মূল উপজীব্যউপন্যাসটির পটভূমি গড়ে উঠেছে বাকাল (বা কুসুমডাঙ্গা) নামের একটি মৃতপ্রায় নদী ও এর তীরবর্তী জনপদের মানুষের দুর্ভোগ ঘিরে। নদী শুকিয়ে চর জেগে ওঠার ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকায় যে বিপর্যয় নেমে আসে, তার সাথে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও মানসিক সংকটের এক শৈল্পিক মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে।প্রধান চরিত্র- মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম): কুমুরডাঙ্গা বা কুসুমডাঙ্গার মহকুমা হাকিম। তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
- অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে—খালেক, আক্কাস ও কুসুমডাঙ্গার সাধারণ মানুষ, যারা নদীর মৃত্যুতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত।
গঠনশৈলী ও শিল্পরূপ- চেতনাপ্রবাহ (Stream of Consciousness): লেখকের পরিণত শিল্পচেতনার স্বাক্ষরবাহী এই উপন্যাসে ঘটনাপ্রবাহের চেয়ে চরিত্রের অবচেতন মনের ভাবনা, স্মৃতি ও দ্বন্দ্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
- প্রতীকী রূপ: মৃতপ্রায় নদীটি কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং সমাজ ও মানুষের অবক্ষয়, স্থবিরতা এবং অস্তিত্বের সংকটের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে।
- আঙ্গিক: আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এটি সম্পূর্ণ দেশজ সংস্কৃতির আবহে রচিত।
২০১৫ সালে ওসামান জামাল ইংরেজিতে “Cry River Cry” শিরোনামে বইটির অনুবাদ করেন।আপনি কি “কাঁদো নদী কাঁদো” উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মোহাম্মদ মুস্তফা (ছোট হাকিম)-এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুনতে চান?200.00৳267.00৳ -
দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
দিবারাত্রির কাব্য — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) লেখার সময় [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের] এ-দুটি উপন্যাসের [চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা] কথা মনে রেখেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কল্লোল- গোষ্ঠী শেষের কবিতায় উজ্জীবিত হয়েছিলেন, মানিকও শেষের কবিতা স্মরণে রেখেছিলেন। যে রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে মানিকের বিদ্রোহ, সেই রোমান্টিকতা নানা ছদ্মবেশে তাঁকে পাকে পাকে জড়িয়ে রেখেছিল, তার প্রমাণ দিবারাত্রির কাব্য।
190.00৳267.00৳ -
দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
দুর্গেশনন্দিনী –বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্স-উপন্যাস。মুঘল ও পাঠানের দ্বন্দ্বের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো বীরেন্দ্র সিংহ, জগৎসিংহ, তিলোত্তমা এবং আয়েশার ত্রিভুজ প্রেমের গল্প。উপন্যাসটির প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:- লেখক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রকাশকাল: ১৮৬৫ সালের মার্চ
- সাহিত্যিক মর্যাদা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস
- কাহিনী: ঐতিহাসিক রোমান্স ও ত্রিভুজ প্রেম
প্রধান চরিত্রসমূহ:- জগৎসিংহ: মুঘল সেনাপতি
- তিলোত্তমা: দুর্গাধিপতি বীরেন্দ্র সিংহের কন্যা (দুর্গেশনন্দিনী)
- আয়েশা: পাঠান নেতা কতলু খাঁর কন্যা
- বীরেন্দ্র সিংহ: মন্দারণের দুর্গাধিপতি
210.00৳367.00৳ -
ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘরে বাইরে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘরে বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা গো, আজ মনে পড়ছে তোমার সেই সিঁথের সিঁদুর, সেই লাল-পেড়ে শাড়ি, সেই তোমার দুটি চোখÑ শান্ত, সিন্ধ, গভীর। সে যে দেখেছি আমার চিত্তাকাশে ভোরবেলাকার অরুণ রাগরেখার মতো। আমার জীবনের দিন যে সেই সোনার পাথেয় নিয়ে যাত্রা করে বেরিয়েছিল। তার পরে?
পথে কালো মেঘ কি ডাকাতের মতো ছুটে এল? সেই আমার আলোর সম্বল কি এক কণাও রাখল না? কিন্তু জীবনের ব্রাহ্মমুহূর্তে সেইÑ যে উষাসতীর দান, দুর্যোগে সে ঢাকা পড়ে, তবু সে কি কষ্ট হবার? আমাদের দেশে তাকেই বলে সুন্দর যার বর্ণ ছিল শাপলা, তাঁর দীপ্তি ছিল পুণ্যের।
তাঁর রূপ রূপের গর্বকে লজ্জা দিত। আমি আমার মায়ের মতো দেখতে এই কথা সকলে বলে। তা নিয়ে ছেলেবেলায় একদিন আয়নার উপর রাগ করেছি। মনে হত আমার সর্বাঙ্গে এ যেন একটা অন্যায়Ñ আমার গায়ের রঙ, এ যেন আসল রঙ নয়, এ যেন আর-কারও জিনিস, একেবারে আগাগোড়া ভুল.
200.00৳267.00৳ -
আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
আম আঁটির ভেঁপু — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
আম আঁটির ভেঁপু হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী কিশোর উপন্যাস। এটি মূলত তাঁর অমর সৃষ্টি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের ছোটদের উপযোগী একটি সংস্করণ।নিচে বইটির সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয় বিবরণ দেওয়া হলো:- মূল চরিত্র: নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের দুই ভাই-বোন অপু (অপূর্বকুমার) ও দুর্গা।
- কাহিনী সংক্ষেপ: গ্রামের সাদামাটা পরিবেশে বেড়ে ওঠা অপু ও দুর্গার দুরন্ত শৈশব, তাদের ছোট ছোট আনন্দ-বেদনা, প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা এবং গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। ভাইবোনের গভীর ভালোবাসা ও তাদের তৈরি করা নানা খেলনার গল্প এই উপন্যাসের প্রাণ।
- নামকরণ: উপন্যাসের একটি অংশে দুর্গা আম আঁটি দিয়ে ভেঁপু বা বাঁশি বানিয়ে অপু ও তার সঙ্গীদের সাথে খেলে, যার নামানুসারে বইটির নামকরণ করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্র: এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করেই প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণ করেছিলেন।
150.00৳200.00৳ -
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বৌ-ঠাকুরাণীর হাট–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’ (১৮৮৩) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি পনেরো শতকের যশোরের প্রতাপাদিত্য ও তাঁর পরিবারের করুণ রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত।উপন্যাসটির মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:📖 মূল চরিত্রসমূহ- প্রতাপাদিত্য: যশোরের প্রতাপশালী রাজা, যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
- বসন্ত রায়: প্রতাপাদিত্যের কাকা এবং দিল্লির সম্রাট আকবরের অনুগত এক সহজ-সরল ও সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ।
- উদয়াদিত্য: প্রতাপাদিত্যের উদার ও কোমল মনের বড় ছেলে।
- সুরমা: উদয়াদিত্যের স্ত্রী (বৌ-ঠাকুরাণী)।
- বিভা: প্রতাপাদিত্যের মেয়ে।
- রামচন্দ্র রায়: বক্লার রাজা এবং বিভার স্বামী।
✍️ কাহিনির সারসংক্ষেপপ্রতাপাদিত্যের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ক্ষমতার লোভই এই উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি। কাকা বসন্ত রায়ের উদারতা এবং জনপ্রিয়তা তিনি সহ্য করতে পারতেন না। অন্যদিকে, বড় ছেলে উদয়াদিত্য ছিলেন পিতার নিষ্ঠুরতার সম্পূর্ণ বিপরীত—ন্যায়পরায়ণ ও প্রজাদরদী।উদয়াদিত্য ও তাঁর স্ত্রী সুরমার (বৌ-ঠাকুরাণী) মধ্যকার দাম্পত্য প্রেম এবং কাকা বসন্ত রায়ের প্রতি উদয়ের গভীর স্নেহ কাহিনির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, প্রতাপাদিত্য অন্যায়ভাবে তাঁর কাকা বসন্ত রায়কে হত্যা করেন এবং উদয়াদিত্যের স্ত্রী সুরমাকেও মিথ্যে অপবাদে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। পরিশেষে, প্রতাপাদিত্যের নিষ্ঠুরতার কারণে এক মর্মান্তিক ও করুণ পরিণতির মধ্য দিয়ে কাহিনিটি সমাপ্ত হয়।💡 অন্যান্য তথ্য- মূল থিম: পারিবারিক ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং নারীর আত্মত্যাগ।
- নাট্যরূপ: এই উপন্যাসটির কাহিনি অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই পরে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামে একটি নাটক রচনা করেন।
- চলচ্চিত্র: ১৯৫৩ সালে নরেশ মিত্রের পরিচালনায় এই উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের একটি বাংলা চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।
120.00৳180.00৳ -
দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
দেবযান — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
যতীন, চঞ্চল জগতের এক নিঃসঙ্গ গ্রহবাসী। দেহজ কারাবাস থেকে সহসা আত্মার মুক্তিতে তার সামনে উম্নোচিত হয় আরেক জগত। এরপর তার যাত্রা শুরু হয় প্রেতলোক হতে দ্যুলোক, সন্ধ্যালোক পেরিয়ে চৈতন্যলোকের পথে। আত্মার এই অপার উন্মেষ, জীবন ও মৃত্যুর সীমারেখা ছুঁয়ে দেখার এক সূক্ষ্ম দর্শন। এভাবেই যতীন খুঁজে ফেরেন নিজেকে, পূর্বজন্মের স্মৃতি আর পরম সত্যের সান্নিধ্যে তাঁর আত্মা ধীরে ধীরে খুঁজে পায় মুক্তির ঐশীজ্যোতি।
দেবযান মূলত এক সবাক জিজ্ঞাসার নির্বাক উত্তর, যেখানে জীবন যেন মৃত্যুর আবেশে ঘেরা এক আধ্যাত্মিক প্রতিধ্বনি— অন্তরালে অপরূপ অনাবিল, অনন্ত। দেবযানকে তাই মোটাদাগে উপন্যাস হিসেবে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা গেলেও আদতে এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণের কাল্পনিক দিনলিপি; কিংবা সাহিত্যের গম্ভীর শব্দে ফিলোসফিক্যাল ফ্যান্টাসি বা মেটাফিজিক্যাল ফ্যান্টাসি। যেখানে যতীন, পুষ্প, আশালতা, প্রানায় দেবী, করুণা দেবী, বেদান্তিন সন্ন্যাসী ইত্যাদি চরিত্রসমূহকে পুঁজি করে, দর্শন ও ধর্মের মৌলিক বিষয়সমূহকে মনস্ততত্ত্বের আবহে আত্ম-কথোপকথনের মাধ্যমে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় দেবযান শীর্ষক উপন্যাস রচনা করেছেন।
170.00৳350.00৳
Shop By Department
- Health & Beauty
-
- Home & Life Style
-
- Women’s Collection
-
- Mom & Baby
-
- Men’s Collection
-
- Groceries & Pets
-
- Watch & Accessories
- TV & Home Appliance
-
- Electronic Device
-
- Electronic Accessories
-
- Books & Office
-
ইসলামি বই
- ইসলাম ও বিজ্ঞান
- ইসলাম ও সমকালীন বিশ্ব
- ইসলাম প্রসঙ্গ
- ইসলামি অঞ্চল, শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি
- ইসলামি আইন, ফতোয়া ও ফিকহ শাস্ত্র
- ইসলামি আমল ও আমলের সহায়িকা
- ইসলামি ও সীরাত বিশ্বকোষ
- ইসলামি গবেষণা, সমালোচনা ও প্রবন্ধ
- ইসলামি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিধি
- ইসলামি দর্শন
- ইসলামি বই: আত্ম-উন্নয়ন
- ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল
- ইসলামি বিবিধ বই
- ইসলামি সওয়াল-জওয়াব
- ইসলামি সাহিত্য
- ইসলামিক স্টাডিজ (টেক্সটবুক)
- ইসলামে নারী
- ইসলামি অনুবাদ বই
- ইসলামি অর্থনীতি ও ব্যবসা বানিজ্য
- ইসলামি আইন, ফতোয়া ও ফিকাহ শাস্ত্র
- ইসলামি আদর্শ ও মতবাদ
- ইসলামি আমল ও আমলের সহায়িকা
- ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- ইসলামি ইংরেজি বই
- ইসলামি চিকিৎসা স্বাস্থ্যবিধি
- ইসলামি দর্শন
- ইসলামি প্রসঙ্গ, দাওয়াত তাবলীগ বক্তিতা, আলোচনা ও ওয়াজ
- ইসলামি বই ও আত্ম উন্নয়ন
- ইসলামি বিধি বিধান ও মাসয়ালা মাসায়েল
- ইসলামি সাহিত্য
- ইসলামি সিরাত ও বিশ্বকোষ
- ইসলামি স্থাপত্য ও সংস্কৃতি
- ইসলামিক ষ্টাডিজ (টেস্কবুক)
- ইসলামিক সাওয়াল ও জবাব
- ইসলামী অঞ্চল, শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি
- জীবনী, স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার
- ইসলামে নারী ইসলামে গবেষণা আলোচনা ও প্রবন্ধ
- ইসলামের বিশেষ দিন ও ঘটনাবলি
- ইসামিক বিবিধ বই
- ঈমান, আকিদা ও তওবাহ
- কুরআন ও তাফসীর
- কুরআন বিষয়ক আলোচনা
- দোয়া দরুদ ও যিকর
- ঈমান, আক্বিদা ও তাওবাহ
- কুরআন ও তাফসীর
- দাওয়াত, তাবলীগ, বক্তৃতা, আলোচনা ও ওয়াজ
- দোয়া, দরূদ ও যিকর
- নবি-রাসুল, সাহাবা, তাবেই ও অলি-আওলিয়া
উপন্যাস- উপন্যাস সংকলন ও সমগ্র
- ঐতিহাসিক উপন্যাস
- চিরায়ত উপন্যাস
- জীবনীভিত্তিক উপন্যাস
- থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস
- অতিপ্রাকৃত ও ভৌতিক উপন্যাস
- অনুবাদ উপন্যাস
- ইংরেজি ভাষার উপন্যাস
- ইসলামি উপন্যাস
- উপন্যাস সংকলন ও সমগ্র
- ঐতিহাসিক উপন্যাস
- চিরায়ত উপন্যাস
- জীবনীভিত্তিক উপন্যাস
- থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস
- সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস
- রোমান্টিক উপন্যাস
- রাজনৈতিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
- শিশু-কিশোর উপন্যাস
- রহস্য ও গোয়েন্দা উপন্যাস
- পশ্চিমবঙ্গের উপন্যাস
- জীবনীভিত্তিক উপন্যাস
- ভ্রমণ উপন্যাস
-











